ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের হাতে ৩০ সৈন্য নিহত

  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অগাস্ট ২০২২
  • / 259
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মিয়ানমারের সাগাইংয়ে বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে সরকারি বাহিনীর ৩০ সদস্য নিহত হয়েছে। সোমবার সাগাইং অঞ্চলের কাঠা শহরের উপকণ্ঠে পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) ও কাচিন ইনডেপেনডেন্স আর্মির (কেআইএ) সাথে এ সংঘর্ষ হয়।

কাঠা-পিডিএফের সূত্র অনুসারে, ইরাবতি নদীর পূর্ব তীরে বান্ট বিওয়ে গ্রামে নিয়োজিত থাকা ৫০ জন সরকারি সৈন্যের ওপর সোমবার ভোরে যৌথ আক্রমণ চালায় কেআইএ ও পিডিএফ।

এ সময় জান্তা সৈন্যরা ছয়টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে নদীর তীরঘেঁষে খাবার, অস্ত্র ও গোলাবারুদ মান্দালয় অঞ্চল থেকে উত্তর মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যে নিয়ে যাচ্ছিল।

জান্তা বাহিনীর এই বহরটি গত সপ্তাহেও কাঠায় কেআইএ ও পিডিএফ দ্বারা দু’বার আক্রান্ত হয়েছিল। যুদ্ধবিমান ও পদাতিক বাহিনী তাদের পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়ই তারা এ আক্রমণের শিকার হয়।

সোমবারের এ সংঘর্ষ স্থায়ী হয় প্রায় দুই ঘণ্টা।

কাঠা-পিডিএফের একজন কর্মকর্তা দ্য ইরাবতিকে মঙ্গলবার জানিয়েছেন, শাসকগোষ্ঠীর দুটি যুদ্ধবিমান দ্বারা পাঁচটি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছিল, এ সময় ৯টি বোমা ফেলা হয়েছিল।

তবে কেআইএ ও পিডিএফের যুদ্ধারা জান্তা বিমান হামলার সম্ভাবনা সম্পর্কে আগাম খবর পেয়ে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে কাঠা-পিডিএফ বলেছে, এ যুদ্ধে ৩০ জন জান্তা সৈন্য নিহত হয়েছে। একটি সামরিক রণতরী দিয়ে আহত ও নিহতদের সরিয়ে নিয়েছে জান্তা বাহিনী। এ সংঘর্ষে বিদ্রোহী চারজন যোদ্ধা সামান্য আহত হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার সাগাইংয়ে আরেক সংঘর্ষে ছয়জন জান্তা সৈন্য ও চারজন বিদ্রোহী যোদ্ধা নিহত হয়েছিল।

বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই জান্তা বাহিনী দেশজুড়ে পিডিএফ ও অন্যান্য সশস্ত্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর আক্রমণের শিকার হচ্ছে।

সূত্র : দ্য ইরাবতি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের হাতে ৩০ সৈন্য নিহত

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অগাস্ট ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মিয়ানমারের সাগাইংয়ে বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে সরকারি বাহিনীর ৩০ সদস্য নিহত হয়েছে। সোমবার সাগাইং অঞ্চলের কাঠা শহরের উপকণ্ঠে পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) ও কাচিন ইনডেপেনডেন্স আর্মির (কেআইএ) সাথে এ সংঘর্ষ হয়।

কাঠা-পিডিএফের সূত্র অনুসারে, ইরাবতি নদীর পূর্ব তীরে বান্ট বিওয়ে গ্রামে নিয়োজিত থাকা ৫০ জন সরকারি সৈন্যের ওপর সোমবার ভোরে যৌথ আক্রমণ চালায় কেআইএ ও পিডিএফ।

এ সময় জান্তা সৈন্যরা ছয়টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে নদীর তীরঘেঁষে খাবার, অস্ত্র ও গোলাবারুদ মান্দালয় অঞ্চল থেকে উত্তর মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যে নিয়ে যাচ্ছিল।

জান্তা বাহিনীর এই বহরটি গত সপ্তাহেও কাঠায় কেআইএ ও পিডিএফ দ্বারা দু’বার আক্রান্ত হয়েছিল। যুদ্ধবিমান ও পদাতিক বাহিনী তাদের পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়ই তারা এ আক্রমণের শিকার হয়।

সোমবারের এ সংঘর্ষ স্থায়ী হয় প্রায় দুই ঘণ্টা।

কাঠা-পিডিএফের একজন কর্মকর্তা দ্য ইরাবতিকে মঙ্গলবার জানিয়েছেন, শাসকগোষ্ঠীর দুটি যুদ্ধবিমান দ্বারা পাঁচটি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছিল, এ সময় ৯টি বোমা ফেলা হয়েছিল।

তবে কেআইএ ও পিডিএফের যুদ্ধারা জান্তা বিমান হামলার সম্ভাবনা সম্পর্কে আগাম খবর পেয়ে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে কাঠা-পিডিএফ বলেছে, এ যুদ্ধে ৩০ জন জান্তা সৈন্য নিহত হয়েছে। একটি সামরিক রণতরী দিয়ে আহত ও নিহতদের সরিয়ে নিয়েছে জান্তা বাহিনী। এ সংঘর্ষে বিদ্রোহী চারজন যোদ্ধা সামান্য আহত হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার সাগাইংয়ে আরেক সংঘর্ষে ছয়জন জান্তা সৈন্য ও চারজন বিদ্রোহী যোদ্ধা নিহত হয়েছিল।

বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই জান্তা বাহিনী দেশজুড়ে পিডিএফ ও অন্যান্য সশস্ত্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর আক্রমণের শিকার হচ্ছে।

সূত্র : দ্য ইরাবতি