ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

যেখানে শীর্ষে এরদোগান, পরে জিনপিং

  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০১৯
  • / 173
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান কুয়েতের শীর্ষ জনপ্রিয় বিদেশি নেতা মনোনীত হয়েছেন। যেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত রোববার প্রকাশিত একটি জরিপে এ তথ্য প্রকাশিত হয়। স্থানীয় আল ক্বাবাস পত্রিকা এ জনমত জরিপটি পরিচালনা করে।

পত্রিকাটি জানায়, এ জরিপে অংশ নেয়া ৬৪ শতাংশ কুয়েতি নাগরিকই এরদোগানের পক্ষে নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক ও কুয়েতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনীতি, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও রাজনীতি বিষয়ক বেশ কিছু চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

২০১৭ সালে এরদোগান এক রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়েত সফর করেছিলেন। সে সময় তিনি কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমদ আল জাবের আল সাবাহর সাথে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক চুক্তি ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। ওই সফরে দুই পক্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা ও সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই করেছিলেন। সে সময় তারা সৌদি আরব-কাতার দ্বন্দ্বসহ আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করেছিলেন। সূত্র : ডেইলি সাবাহ

আঙ্কারা অস্ত্র কিনতে চাইলে তা উপেক্ষা করে ন্যাটো। অথচ সন্ত্রাসীদের সমর্থনে তারা হাজার হাজার ট্রাকভর্তি অস্ত্র দিচ্ছে। গত সোমবার তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বর্দুর অঞ্চলে এক নির্বাচনীয় প্রচারণায় এ অভিযোগ করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।

ন্যাটোর প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ন্যাটো কোন ধরনের জোট। ইরাকের মাধ্যমে ন্যাটো সন্ত্রাসীদের ২৩ হাজার ট্রাকভর্তি অস্ত্র দিয়েছে। কিন্তু তুরস্ক যখন তাদের কাছে অস্ত্র চায়, তখন অর্থের বিনিময়েও তা দিতে রাজি হয় না ন্যাটো। অথচ গৃহযুদ্ধে লিপ্ত সিরিয়ার সাথে তুরস্কের ৯১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ফলে বেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে তুরস্ক। এসময় অবশ্য এরদোগান অস্ত্রদাতা দেশের নাম উল্লেখ করেননি।

ওই সমাবেশে এরদোগান এরদোগান আশা প্রকাশ করেন, তুরস্ক শীঘ্রই সিরিয়ার মানবিজ অঞ্চল ‘সন্ত্রাসীদের’ কাছ থেকে দখলমুক্ত করে স্থানীয়দের কাছে ফিরিয়ে দিবেন।

২০১৬ সাল থেকে মানবিজ কুর্দি পিপলস প্রটেকশন ইউনিট (ওয়াইপিজি)-এর মিলিশিয়া বাহিনী মার্কিন সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্স (এসডিএফ)-এর দখলে রয়েছে।

তুরস্কে নিষিদ্ধ সংগঠন কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে)- এর সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে দেশটি ওয়াইপিজিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে। পিকেকে তুরস্কে দীর্ঘ দিন ধরে সশস্ত্র লড়াইয়ে লিপ্ত ছিল, যার ফলে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়।

তুরস্ক সিরিয়া থেকে এ গ্রুপটিকে উচ্ছেদ করতে চায়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় হামলাকালে লোকাল এ গ্রুপটির সহায়তা নিয়েছিল। ফলে সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময় এ দলটি ওয়াশিংটনের সহায়তা লাভ করে। এ নিয়ে তুরস্কের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দফা আলোচনাও হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যেখানে শীর্ষে এরদোগান, পরে জিনপিং

আপডেট সময় : ০৭:২৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০১৯

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান কুয়েতের শীর্ষ জনপ্রিয় বিদেশি নেতা মনোনীত হয়েছেন। যেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত রোববার প্রকাশিত একটি জরিপে এ তথ্য প্রকাশিত হয়। স্থানীয় আল ক্বাবাস পত্রিকা এ জনমত জরিপটি পরিচালনা করে।

পত্রিকাটি জানায়, এ জরিপে অংশ নেয়া ৬৪ শতাংশ কুয়েতি নাগরিকই এরদোগানের পক্ষে নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক ও কুয়েতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনীতি, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও রাজনীতি বিষয়ক বেশ কিছু চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

২০১৭ সালে এরদোগান এক রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়েত সফর করেছিলেন। সে সময় তিনি কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমদ আল জাবের আল সাবাহর সাথে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক চুক্তি ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। ওই সফরে দুই পক্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা ও সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই করেছিলেন। সে সময় তারা সৌদি আরব-কাতার দ্বন্দ্বসহ আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করেছিলেন। সূত্র : ডেইলি সাবাহ

আঙ্কারা অস্ত্র কিনতে চাইলে তা উপেক্ষা করে ন্যাটো। অথচ সন্ত্রাসীদের সমর্থনে তারা হাজার হাজার ট্রাকভর্তি অস্ত্র দিচ্ছে। গত সোমবার তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বর্দুর অঞ্চলে এক নির্বাচনীয় প্রচারণায় এ অভিযোগ করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।

ন্যাটোর প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ন্যাটো কোন ধরনের জোট। ইরাকের মাধ্যমে ন্যাটো সন্ত্রাসীদের ২৩ হাজার ট্রাকভর্তি অস্ত্র দিয়েছে। কিন্তু তুরস্ক যখন তাদের কাছে অস্ত্র চায়, তখন অর্থের বিনিময়েও তা দিতে রাজি হয় না ন্যাটো। অথচ গৃহযুদ্ধে লিপ্ত সিরিয়ার সাথে তুরস্কের ৯১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ফলে বেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে তুরস্ক। এসময় অবশ্য এরদোগান অস্ত্রদাতা দেশের নাম উল্লেখ করেননি।

ওই সমাবেশে এরদোগান এরদোগান আশা প্রকাশ করেন, তুরস্ক শীঘ্রই সিরিয়ার মানবিজ অঞ্চল ‘সন্ত্রাসীদের’ কাছ থেকে দখলমুক্ত করে স্থানীয়দের কাছে ফিরিয়ে দিবেন।

২০১৬ সাল থেকে মানবিজ কুর্দি পিপলস প্রটেকশন ইউনিট (ওয়াইপিজি)-এর মিলিশিয়া বাহিনী মার্কিন সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্স (এসডিএফ)-এর দখলে রয়েছে।

তুরস্কে নিষিদ্ধ সংগঠন কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে)- এর সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে দেশটি ওয়াইপিজিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে। পিকেকে তুরস্কে দীর্ঘ দিন ধরে সশস্ত্র লড়াইয়ে লিপ্ত ছিল, যার ফলে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়।

তুরস্ক সিরিয়া থেকে এ গ্রুপটিকে উচ্ছেদ করতে চায়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় হামলাকালে লোকাল এ গ্রুপটির সহায়তা নিয়েছিল। ফলে সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময় এ দলটি ওয়াশিংটনের সহায়তা লাভ করে। এ নিয়ে তুরস্কের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দফা আলোচনাও হয়।