ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৯ জনের প্রাণহানি আইএমএফের ঋণ পেতে পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট শর্ত: অর্থমন্ত্রী ফেনীর ফাজিলপুরে ১৯ নভেম্বর বিনামূল্যে রোগী দেখবেন অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরামকোর সদর দপ্তর ও রিয়াদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মুম্বাই পুলিশের নোটিশে দেশ ছাড়ার নির্দেশ পেলেন অভিনেতা ইমরান নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে রোনেন বারের মানহানির মামলা নওগাঁয় বাসে ৬৪০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ১

সামাজিক সেবা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের অঙ্গীকার বার্নহ্যামের

  • আপডেট সময় : ১০:১৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / 32
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দেশের সামাজিক সেবা (সোশ্যাল কেয়ার) ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে চাপের মুখে থাকা জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস)-এর ওপর চাপ কমানো হবে।
সোমবার সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এনএইচএস দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা এবং সীমিত সম্পদের সংকটে ভুগছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক সেবার বেশিরভাগই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহ পর বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম বলেন, ‘আমার যতটুকু রাজনৈতিক শক্তি আছে, তার সবই আমি ভেঙে পড়া সামাজিক সেবা ব্যবস্থা ঠিক করতে কাজে লাগাব। এ ক্ষেত্রে বড় ধরণের পরিবর্তন না এনে আমি দায়িত্ব ছাড়তে চাই না।’

বার্নহ্যামের বাবা আলঝেইমারে আক্রান্ত। তিনি বহু বছর ধরে সামাজিক সেবা ব্যবস্থার সংস্কারের পক্ষে প্রচার চালিয়ে আসছেন। ২০০৯ থেকে ২০১০ সালে গর্ডন ব্রাউনের সরকারে স্বাস্থ্যসচিব থাকাকালেও তিনি এ বিষয়ে কাজ করেন।

সে সময় তিনি এনএইচএসের মতো ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি জাতীয় পরিচর্যা সেবা (ন্যাশনাল কেয়ার সার্ভিস) চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি।

বার্নহ্যাম বলেন, ‘আমি যত দ্রুত সম্ভব সামাজিক সেবা ব্যবস্থার সংস্কারে এগোব।’

তিনি বলেন, নতুন ব্যবস্থা চালু করতে ‘সময় লাগবে’। তবে দায়িত্বে থাকাকালেই ‘উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন’ আনতে তিনি আশাবাদী।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বাসাবাড়ি ও আবাসিক পরিচর্যা সেবা আয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। এসব সেবা দেওয়ার দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের। কিন্তু বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চাহিদা সামাল দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছে।

সামাজিক সেবার ব্যবস্থা না থাকায় বয়স্ক ও অন্যের ওপর নির্ভরশীল রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিতে না পারাও এনএইচএসে দীর্ঘদিনের শয্যা ও জনবল সংকটের অন্যতম কারণ।

প্রধানমন্ত্রী ক্রমবর্ধমান কল্যাণ ব্যয় কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, মানুষকে কাজে ফিরতে উৎসাহিত করতে ভাতা পাওয়ার শর্ত আরও কঠোর করা হতে পারে।

বার্নহ্যাম বলেন, ‘সহায়তার ধরন বদলাতে হবে। পাশাপাশি মানুষের সামনে যে সুযোগগুলো আসবে, সেগুলো গ্রহণের শর্তের সঙ্গে কিছু সহায়তা যুক্ত করতে হবে।’

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সামাজিক সেবা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের অঙ্গীকার বার্নহ্যামের

আপডেট সময় : ১০:১৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দেশের সামাজিক সেবা (সোশ্যাল কেয়ার) ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে চাপের মুখে থাকা জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস)-এর ওপর চাপ কমানো হবে।
সোমবার সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এনএইচএস দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা এবং সীমিত সম্পদের সংকটে ভুগছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক সেবার বেশিরভাগই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহ পর বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম বলেন, ‘আমার যতটুকু রাজনৈতিক শক্তি আছে, তার সবই আমি ভেঙে পড়া সামাজিক সেবা ব্যবস্থা ঠিক করতে কাজে লাগাব। এ ক্ষেত্রে বড় ধরণের পরিবর্তন না এনে আমি দায়িত্ব ছাড়তে চাই না।’

বার্নহ্যামের বাবা আলঝেইমারে আক্রান্ত। তিনি বহু বছর ধরে সামাজিক সেবা ব্যবস্থার সংস্কারের পক্ষে প্রচার চালিয়ে আসছেন। ২০০৯ থেকে ২০১০ সালে গর্ডন ব্রাউনের সরকারে স্বাস্থ্যসচিব থাকাকালেও তিনি এ বিষয়ে কাজ করেন।

সে সময় তিনি এনএইচএসের মতো ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি জাতীয় পরিচর্যা সেবা (ন্যাশনাল কেয়ার সার্ভিস) চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি।

বার্নহ্যাম বলেন, ‘আমি যত দ্রুত সম্ভব সামাজিক সেবা ব্যবস্থার সংস্কারে এগোব।’

তিনি বলেন, নতুন ব্যবস্থা চালু করতে ‘সময় লাগবে’। তবে দায়িত্বে থাকাকালেই ‘উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন’ আনতে তিনি আশাবাদী।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বাসাবাড়ি ও আবাসিক পরিচর্যা সেবা আয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। এসব সেবা দেওয়ার দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের। কিন্তু বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চাহিদা সামাল দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছে।

সামাজিক সেবার ব্যবস্থা না থাকায় বয়স্ক ও অন্যের ওপর নির্ভরশীল রোগীদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিতে না পারাও এনএইচএসে দীর্ঘদিনের শয্যা ও জনবল সংকটের অন্যতম কারণ।

প্রধানমন্ত্রী ক্রমবর্ধমান কল্যাণ ব্যয় কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, মানুষকে কাজে ফিরতে উৎসাহিত করতে ভাতা পাওয়ার শর্ত আরও কঠোর করা হতে পারে।

বার্নহ্যাম বলেন, ‘সহায়তার ধরন বদলাতে হবে। পাশাপাশি মানুষের সামনে যে সুযোগগুলো আসবে, সেগুলো গ্রহণের শর্তের সঙ্গে কিছু সহায়তা যুক্ত করতে হবে।’

বিডিসংবাদ/এএইচএস