ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

মিতু হত্যা মামলা: চট্টগ্রামে ডিবি কার্যালয়ে বাবুল আক্তার

  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭
  • / 410
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: স্ত্রী  মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে এসেছেন সাবেক এসপি বাবুল আক্তার।
মঙ্গলবার বেলা পৌনে ৪টার দিকে কালো রংয়ের একটি গাড়ি নিয়ে নগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে আসেন তিনি।

গাড়ি থেকে নেমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. কামরুজ্জামানের কক্ষে প্রবেশ করেন এক সময়ের এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে হাত মেলালেও কোনো ধরনের কথা বলেননি তিনি। তবে মিতু হত্যা মামলার তদন্তের প্রয়োজনে কথা বলতে ডাকায় বাবুল আক্তার তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, “আমি কথা বলতে তাকে আসতে বলেছি, সেজন্য উনি এসেছেন।”

গত বছরের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বাবুলের স্ত্রী মিতুকে।
সে সময় পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে সদর দপ্তরে যোগ দিয়ে ঢাকায় থাকা বাবুল চট্টগ্রামে ফিরে হত্যাকান্ডের পরদিন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এর বাইরে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করে।

অস্ত্র আইনের মামলাটি আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে থাকলেও কয়েকজন গ্রেপ্তার হওয়া ছাড়া হত্যা মামলায় তদন্তে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।
স্ত্রী হত্যার পর থেকে ঢাকার রামপুরা বনশ্রীতে শ্বশুরবাড়িতে দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে থাকতে শুরু করেন বাবুল। ওই সময়ে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নানা গুঞ্জন ছড়ায়।

এসময় শ্বশুর বাড়ির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে আলাদা বাসায় ওঠেন বাবুল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিতু হত্যা মামলা: চট্টগ্রামে ডিবি কার্যালয়ে বাবুল আক্তার

আপডেট সময় : ০৪:০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: স্ত্রী  মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে এসেছেন সাবেক এসপি বাবুল আক্তার।
মঙ্গলবার বেলা পৌনে ৪টার দিকে কালো রংয়ের একটি গাড়ি নিয়ে নগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে আসেন তিনি।

গাড়ি থেকে নেমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. কামরুজ্জামানের কক্ষে প্রবেশ করেন এক সময়ের এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে হাত মেলালেও কোনো ধরনের কথা বলেননি তিনি। তবে মিতু হত্যা মামলার তদন্তের প্রয়োজনে কথা বলতে ডাকায় বাবুল আক্তার তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, “আমি কথা বলতে তাকে আসতে বলেছি, সেজন্য উনি এসেছেন।”

গত বছরের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বাবুলের স্ত্রী মিতুকে।
সে সময় পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে সদর দপ্তরে যোগ দিয়ে ঢাকায় থাকা বাবুল চট্টগ্রামে ফিরে হত্যাকান্ডের পরদিন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এর বাইরে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করে।

অস্ত্র আইনের মামলাটি আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে থাকলেও কয়েকজন গ্রেপ্তার হওয়া ছাড়া হত্যা মামলায় তদন্তে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।
স্ত্রী হত্যার পর থেকে ঢাকার রামপুরা বনশ্রীতে শ্বশুরবাড়িতে দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে থাকতে শুরু করেন বাবুল। ওই সময়ে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নানা গুঞ্জন ছড়ায়।

এসময় শ্বশুর বাড়ির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে আলাদা বাসায় ওঠেন বাবুল।