ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

মেঘনায় ২৫০ ঘর-বাড়ি বিলীন, আশ্রয়হীনদের খোঁজ নিতে ছুটে গেলেন প্রতিমন্ত্রী হিরু

  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • / 296
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীতে মেঘনার কড়াল গ্রাসে বিলীন হয়ে যাওয়া প্রায় আড়াইশত ঘর-বাড়ির আশ্রয়হীন  অসহায় লোকদের দেখতে যান পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী লে: কর্নেল (অব:) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু (বীরপ্রতিক)।  গত রোববার সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের শুটকিকান্দা গ্রামে আশ্রয়হীন নারী-পুরুষ ও

শিশুদের মাঝে পৌছলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। আশ্রহীন লোকেরা মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষনিকভাবে অসহায়দের মাঝে চাল, নগদ টাকা, শাড়ি, লুঙ্গি বিতরন করেন।

পরে তিনি মেঘনা নদীতে একটি ভাসমান নৌকা মঞ্চে অসহায়দের উদ্দেশ্যে বলেন, শেখ হাসিনার সরকার আপনাদের সাথে আছে, চরম দুর্দিনেও থাকবে। এসময় তিনি শুটকিকান্দা গ্রামের ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় একটি বেড়িবাধ নির্মাণ কাজ শুরু করার ঘোষনা দেন। ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে বেড়িবাধটি নদীর পানি কমে গেলেই কাজ শুরু হবে বলে সকলকে আশ্বস্ত করেন। তিনি আশ্রয়হীন লোকদের সরকারী খাস জমি, ঘর তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় টিন এবং নগদ টাকা প্রদানের আশ্বাস দেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন নরসিংদী পৌর মেয়র  আলহাজ্ব  কামরুজ্জামান কামরুল, নরসিংদী সদও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান আজিম, জেলা যুবলীগের সভাপতি বিজয় গোস্বামী, করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: হারিস মিয়া, নজরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাদল সরকার, আলোকবালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দীপু ও করিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

উল্লেখ্য গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় সপ্তাহব্যাপী নদী ভাঙ্গন ও মেঘনার কড়াল গ্রাসে প্রায় আড়াইশত ঘর-বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ফলে প্রায় কয়েকশত লোক ঘর-বাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। আবার অনেকে ভাঙ্গন আতঙ্কে ঘর-বাড়ী ভেঙ্গে অন্যত্র গিয়ে বসবাস করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মেঘনায় ২৫০ ঘর-বাড়ি বিলীন, আশ্রয়হীনদের খোঁজ নিতে ছুটে গেলেন প্রতিমন্ত্রী হিরু

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীতে মেঘনার কড়াল গ্রাসে বিলীন হয়ে যাওয়া প্রায় আড়াইশত ঘর-বাড়ির আশ্রয়হীন  অসহায় লোকদের দেখতে যান পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী লে: কর্নেল (অব:) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু (বীরপ্রতিক)।  গত রোববার সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের শুটকিকান্দা গ্রামে আশ্রয়হীন নারী-পুরুষ ও

শিশুদের মাঝে পৌছলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। আশ্রহীন লোকেরা মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষনিকভাবে অসহায়দের মাঝে চাল, নগদ টাকা, শাড়ি, লুঙ্গি বিতরন করেন।

পরে তিনি মেঘনা নদীতে একটি ভাসমান নৌকা মঞ্চে অসহায়দের উদ্দেশ্যে বলেন, শেখ হাসিনার সরকার আপনাদের সাথে আছে, চরম দুর্দিনেও থাকবে। এসময় তিনি শুটকিকান্দা গ্রামের ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় একটি বেড়িবাধ নির্মাণ কাজ শুরু করার ঘোষনা দেন। ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে বেড়িবাধটি নদীর পানি কমে গেলেই কাজ শুরু হবে বলে সকলকে আশ্বস্ত করেন। তিনি আশ্রয়হীন লোকদের সরকারী খাস জমি, ঘর তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় টিন এবং নগদ টাকা প্রদানের আশ্বাস দেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন নরসিংদী পৌর মেয়র  আলহাজ্ব  কামরুজ্জামান কামরুল, নরসিংদী সদও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান আজিম, জেলা যুবলীগের সভাপতি বিজয় গোস্বামী, করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: হারিস মিয়া, নজরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাদল সরকার, আলোকবালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দীপু ও করিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

উল্লেখ্য গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় সপ্তাহব্যাপী নদী ভাঙ্গন ও মেঘনার কড়াল গ্রাসে প্রায় আড়াইশত ঘর-বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ফলে প্রায় কয়েকশত লোক ঘর-বাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। আবার অনেকে ভাঙ্গন আতঙ্কে ঘর-বাড়ী ভেঙ্গে অন্যত্র গিয়ে বসবাস করছে।