ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রিজার্ভ চুরির অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনায় বাংলাদেশ ব্যাংক

  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / 262
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ সুদসহ ফেরত পাওয়ার আশা করছেন প্রতিষ্ঠানটি আইনজীবী আজমালুল হোসেন। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আশা করেন তিনি।

আজমালুল হোসেন জানান, সকল আলামতই বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে এবং আরসিবিসি ব্যাংকের বিপক্ষে। সুনির্দিষ্টভাবে তিনি বলেন, ১০৩ পৃষ্ঠাব্যাপী যে ৪০০ অনুচ্ছেদের অভিযোগ নিউইয়র্কের আদালতে দাখিল করা হয়েছে তার মধ্যে ২০০ অনুচ্ছেদই সরাসরি আরসিবিসি ব্যাংকের বিরুদ্ধে।

তিনি আরো বলেন, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত ঐ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার সিসিটিভি বন্ধ ছিল। ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার ব্যাংকটি বন্ধ ছিল এবং তখন সুইফট সার্ভার খোলা থাকার কথা। অথচ ছুটির দিনে ঐ ব্যাংকের কেউ একজন ঐ সার্ভার বন্ধ করে দেয়, যাতে করে বাংলাদেশ থেকে ফোনে সুইফট বার্তা সেখানে যেতে না পারে। এছাড়া, ফিলিপিনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরসিবিসি ব্যাংককে এরই মধ্যে একুশ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে। সম্প্রতি ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ৫৬ বছরেরও বেশি জেল এবং বিপুল অংকের জরিমানা করেছে ফিলিপিনের আদালত।

তিনি জানান, দীর্ঘ দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এফবিআই যে প্রতিবেদন ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে পেশ করেছে এবং বাংলাদেশকেও দিয়েছে তাতে আরসিবিসি ব্যাংকের সুস্পষ্ট সংশ্লিষ্টতার কথা জানানো হয়েছে। এসব তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই ঐ ব্যাংকের দায় প্রমাণ করতে বেগ পেতে হবে না বলে জানিছেন বাংলাদেশ ব্যাংক আইনজীবী।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রিজার্ভ চুরির অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনায় বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ সুদসহ ফেরত পাওয়ার আশা করছেন প্রতিষ্ঠানটি আইনজীবী আজমালুল হোসেন। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আশা করেন তিনি।

আজমালুল হোসেন জানান, সকল আলামতই বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে এবং আরসিবিসি ব্যাংকের বিপক্ষে। সুনির্দিষ্টভাবে তিনি বলেন, ১০৩ পৃষ্ঠাব্যাপী যে ৪০০ অনুচ্ছেদের অভিযোগ নিউইয়র্কের আদালতে দাখিল করা হয়েছে তার মধ্যে ২০০ অনুচ্ছেদই সরাসরি আরসিবিসি ব্যাংকের বিরুদ্ধে।

তিনি আরো বলেন, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত ঐ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার সিসিটিভি বন্ধ ছিল। ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার ব্যাংকটি বন্ধ ছিল এবং তখন সুইফট সার্ভার খোলা থাকার কথা। অথচ ছুটির দিনে ঐ ব্যাংকের কেউ একজন ঐ সার্ভার বন্ধ করে দেয়, যাতে করে বাংলাদেশ থেকে ফোনে সুইফট বার্তা সেখানে যেতে না পারে। এছাড়া, ফিলিপিনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরসিবিসি ব্যাংককে এরই মধ্যে একুশ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে। সম্প্রতি ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ৫৬ বছরেরও বেশি জেল এবং বিপুল অংকের জরিমানা করেছে ফিলিপিনের আদালত।

তিনি জানান, দীর্ঘ দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এফবিআই যে প্রতিবেদন ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে পেশ করেছে এবং বাংলাদেশকেও দিয়েছে তাতে আরসিবিসি ব্যাংকের সুস্পষ্ট সংশ্লিষ্টতার কথা জানানো হয়েছে। এসব তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই ঐ ব্যাংকের দায় প্রমাণ করতে বেগ পেতে হবে না বলে জানিছেন বাংলাদেশ ব্যাংক আইনজীবী।

বিডিসংবাদ/এএইচএস