ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

গাইবান্ধার ২২ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত অবৈধ : হাইকোর্ট

  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • / 146
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের গেজেটভুক্ত ২২ জন নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। ওই ২২ জন নৌ-কমান্ডো মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের দায়ের করা রিটে জারি করা রুল যথাযথ (এ্যাবসিলিউট) ঘোষণা করে এ রায় দেয়া হয়।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেন সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু। তিনি জানান, ২০০৩ সালে সরকার গঠিত সাত সদস্যের একটি যাচাই-বাছাই কমিটি ৪৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়ন করে। উক্ত কমিটির সুপারিশের আলোকে পরে ২০০৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রিট আবেদনকারী ২২ জন নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করে এবং স্বীকৃতি স্বরূপ রাষ্ট্রীয় ভাতা দিয়ে আসছে। কিন্তু ওই নৌ-কমান্ডো মুক্তিযোদ্ধাদের আবারো যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২২ জন রিট আবেদনকারীসহ ২৪ জন নৌ-কমান্ডো বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল (৩৫তম সভায়) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) একটি সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২২ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার রিট করে। রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৬ সালের ৯ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আবেদনকারীসহ ২৪ নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়েছে। পাশাপাশি সিদ্ধান্তও স্থগিত করে। ওই রুলের শুনানি শেষে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৩৫তম সভার সংশ্লিষ্ট ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করে আজ রায় দেয় হাইকোর্ট বিভাগ।

তৌফিক ইনাম টিপু জানান, এই রায়ে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাব-কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে তাদের গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো এখতিয়ার জামুকার নেই। এটি সরকার ও মন্ত্রণালয়ের বিষয়।

রিট আবেদনকারীরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামপুরা গ্রামের মোঃ আব্দুল হান্নান সরকার, রামচন্দ্রপুরের মোঃ বাহার উদ্দিন, রামপুরার মোঃ এন্তাজ আলী, মোঃ গোলাম মোস্তফা, মোঃ সাইদুর রহমান, মোঃ আব্দুল আজিজ শেখ, মোঃ ফয়জার রহমান, মোঃ শরীফ উদ্দিনের স্ত্রী সকিনা বেগম, জিন্নাত আলীর স্ত্রী মজিদা বেগম, আফতাব উদ্দিনের ছেলে মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী তাসলিমা বেগম, করিম বক্সের ছেলে মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী আয়েশা বেগম, আমিনুল ইসলাম, বিনয় কুমার সরকার, আব্দুল গাফফারের স্ত্রী হামিদা বেগম, আশরাফুল আজাদ, গোলাম হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম, শামসুল হক, মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ জুয়েল সরকার, বজলুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন প্রধানের স্ত্রী নুর বেগম ও মোঃ হারুন অর রশিদ।

সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গাইবান্ধার ২২ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত অবৈধ : হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের গেজেটভুক্ত ২২ জন নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। ওই ২২ জন নৌ-কমান্ডো মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের দায়ের করা রিটে জারি করা রুল যথাযথ (এ্যাবসিলিউট) ঘোষণা করে এ রায় দেয়া হয়।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেন সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু। তিনি জানান, ২০০৩ সালে সরকার গঠিত সাত সদস্যের একটি যাচাই-বাছাই কমিটি ৪৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়ন করে। উক্ত কমিটির সুপারিশের আলোকে পরে ২০০৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রিট আবেদনকারী ২২ জন নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করে এবং স্বীকৃতি স্বরূপ রাষ্ট্রীয় ভাতা দিয়ে আসছে। কিন্তু ওই নৌ-কমান্ডো মুক্তিযোদ্ধাদের আবারো যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২২ জন রিট আবেদনকারীসহ ২৪ জন নৌ-কমান্ডো বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল (৩৫তম সভায়) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) একটি সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২২ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার রিট করে। রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৬ সালের ৯ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আবেদনকারীসহ ২৪ নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়েছে। পাশাপাশি সিদ্ধান্তও স্থগিত করে। ওই রুলের শুনানি শেষে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৩৫তম সভার সংশ্লিষ্ট ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করে আজ রায় দেয় হাইকোর্ট বিভাগ।

তৌফিক ইনাম টিপু জানান, এই রায়ে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাব-কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে তাদের গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো এখতিয়ার জামুকার নেই। এটি সরকার ও মন্ত্রণালয়ের বিষয়।

রিট আবেদনকারীরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামপুরা গ্রামের মোঃ আব্দুল হান্নান সরকার, রামচন্দ্রপুরের মোঃ বাহার উদ্দিন, রামপুরার মোঃ এন্তাজ আলী, মোঃ গোলাম মোস্তফা, মোঃ সাইদুর রহমান, মোঃ আব্দুল আজিজ শেখ, মোঃ ফয়জার রহমান, মোঃ শরীফ উদ্দিনের স্ত্রী সকিনা বেগম, জিন্নাত আলীর স্ত্রী মজিদা বেগম, আফতাব উদ্দিনের ছেলে মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী তাসলিমা বেগম, করিম বক্সের ছেলে মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী আয়েশা বেগম, আমিনুল ইসলাম, বিনয় কুমার সরকার, আব্দুল গাফফারের স্ত্রী হামিদা বেগম, আশরাফুল আজাদ, গোলাম হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম, শামসুল হক, মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ জুয়েল সরকার, বজলুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন প্রধানের স্ত্রী নুর বেগম ও মোঃ হারুন অর রশিদ।

সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস