ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠানো অসম্ভব : ম্যাখোঁ

  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / 117
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুলে ম্যাখোঁ শুক্রবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্ররা কিয়েভে যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেও ‘আগামী সপ্তাহে’ পাঠানো সম্ভব হবে না। খবর এএফপি’র।
ব্রাসেলসে ইইউ’র এক শীর্ষ সম্মেলনের পর ম্যাখোঁ বলেন, ‘আমি বিষয়টা পুরোপুরি নাকচ করে দিচ্ছি না। তবে আজকের প্রয়োজনীয়তার সাথে এটি সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’ এই সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ বিধ্বস্ত পূর্বাঞ্চলে নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে। এদিকে জেলেনস্কি এই সপ্তাহে লন্ডন, প্যারিস এবং ব্রাসেলসে আরো উন্নত অস্ত্রের সন্ধানে এসেছেন।
ইউক্রেন পশ্চিমা যুদ্ধবিমান, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ভারী ট্যাঙ্ক ক্রয়ের একটি তালিকা তৈরি করেছে। তবে তাদের কামানের গোলার মতো আরো মৌলিক সরবরাহের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।
ব্রিটেন ইউক্রেনের পাইলটদের পশ্চিমা যুদ্ধবিমান চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এদিকে পোল্যান্ড এবং স্লোভাকিয়া যোদ্ধাদের কাছে মিগ-২৯ পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে যা কিয়েভ ইতোমধ্যে হাতে পেয়েছে এবং যুদ্ধে ব্যবহার করছে।
তবে ইউক্রেনের মিত্ররা এটা ভেবে শঙ্কিত যে, পশ্চিমাদের উন্নত যুদ্ধবিমান মোতায়েন মস্কোকে আরো উস্কে দেবে এবং ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে উন্মুক্ত সংর্ঘষের ঝুঁকি তৈরি করবে।
ম্যাখোঁ এবং ব্রাসেলসে অন্যান্য ইইউ নেতারা জেলেনস্কিকে একজন নায়ক হিসেবে অভিনন্দন জানান এবং বিজয় না হওয়া পর্যন্ত তারা ইউক্রেনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে তারা যুদ্ধবিমান পাওয়ার জন্য জেলেনেস্কির আবেদনের ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠানো অসম্ভব : ম্যাখোঁ

আপডেট সময় : ০৪:০৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুলে ম্যাখোঁ শুক্রবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্ররা কিয়েভে যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেও ‘আগামী সপ্তাহে’ পাঠানো সম্ভব হবে না। খবর এএফপি’র।
ব্রাসেলসে ইইউ’র এক শীর্ষ সম্মেলনের পর ম্যাখোঁ বলেন, ‘আমি বিষয়টা পুরোপুরি নাকচ করে দিচ্ছি না। তবে আজকের প্রয়োজনীয়তার সাথে এটি সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’ এই সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ বিধ্বস্ত পূর্বাঞ্চলে নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে। এদিকে জেলেনস্কি এই সপ্তাহে লন্ডন, প্যারিস এবং ব্রাসেলসে আরো উন্নত অস্ত্রের সন্ধানে এসেছেন।
ইউক্রেন পশ্চিমা যুদ্ধবিমান, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ভারী ট্যাঙ্ক ক্রয়ের একটি তালিকা তৈরি করেছে। তবে তাদের কামানের গোলার মতো আরো মৌলিক সরবরাহের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।
ব্রিটেন ইউক্রেনের পাইলটদের পশ্চিমা যুদ্ধবিমান চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এদিকে পোল্যান্ড এবং স্লোভাকিয়া যোদ্ধাদের কাছে মিগ-২৯ পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে যা কিয়েভ ইতোমধ্যে হাতে পেয়েছে এবং যুদ্ধে ব্যবহার করছে।
তবে ইউক্রেনের মিত্ররা এটা ভেবে শঙ্কিত যে, পশ্চিমাদের উন্নত যুদ্ধবিমান মোতায়েন মস্কোকে আরো উস্কে দেবে এবং ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে উন্মুক্ত সংর্ঘষের ঝুঁকি তৈরি করবে।
ম্যাখোঁ এবং ব্রাসেলসে অন্যান্য ইইউ নেতারা জেলেনস্কিকে একজন নায়ক হিসেবে অভিনন্দন জানান এবং বিজয় না হওয়া পর্যন্ত তারা ইউক্রেনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে তারা যুদ্ধবিমান পাওয়ার জন্য জেলেনেস্কির আবেদনের ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস