ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ভারত বেশি লাভবান হবে’

  • আপডেট সময় : ০১:২৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 276
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভারতের হস্তক্ষেপ করা বা আমাদের জাতীয় ইস্যু নিয়ে তাদের আগ্রাসী, অযৌক্তিক এবং দাদাগিরি মনোভাবের কারণে অনেকেই ভারতবিরোধী হয়ে যাবে। – সুলতানা কামালের এ মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বহু পাঠক।

“প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকই ভারতবিরোধী, কারণ ভারত বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী৷ যারাই ভারতপ্রেমী তারাই দেশবিরোধী। ফারাক্কা, তিস্তা, সীমান্ত হত্যা, রামপাল, বাণিজ্য ঘাটতি, প্রভুসুলভ আচোরণ, গণতন্ত্র বিনাশকারী, মাদক সরবরাহকারী, বাংলাদেশে মাদক পাচারের জন্যে সীমান্তে মাদক কারখানা স্থাপন ইত্যাদি কর্মকাণ্ড দেশের স্বার্থবিরোধী, তাই দেশপ্রেমিক নাগরিক মাত্রই ভারতবিরোধী।”

শুধু তাই নয়, ফেসবুকে আক্রমণাত্বক আরো কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন মোহাম্মদ আবু তাহের৷ লিখেছেন, ‘‘ফারাক্কা বাঁধ কে দিয়েছে? তিস্তার পানি কেন পাই নাই আমরা? সীমান্ত হত্যা কারা করে? রামপাল কারা করছে? সীমান্তে মাদকের কারখানা কারা স্থাপন করছে দেশকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে? দেশের গণতন্ত্রকে কারা বিনাশ করেছে? কারা বিনা টাকায় ট্রানজিট নিতে চায়? আমার দেশের টাকায় গড়া রাস্তা দিয়ে ভারতের গাড়ি যাবে বিনা টাকায়!!! মামার বাড়ির আবদার?”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা ঋতুর মতে, সুন্দরবনের পাশে এত বড় একটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করে একে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা কোনোভাবেই ঠিক হবে না৷ তাঁর মতে, সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নেই, কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিকল্প আছে।

“সকল দেশপ্রেমিক জনগণই ভারতবিরোধী, কারণ আমরা প্রতিনিয়তই ভারতের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছি।” এ মন্তব্য নয়ন শ্যামের।

আলমগীর হোসেন আলম মনে করেন, এটা অতি লাফা লাফির ফল।….আওয়ামী সরকারের মাধ্যমে ভারত নাকি তাদের ইচ্ছা মতো যা খুশি তাই করে চলেছে। তার মতামতে একমত পোষণ করেন মোহাম্মদ মোত্তালেব।

অপরদিকে পারভেজ টেনদলের দাবি, সুলতানা কামাল ভারতের ভিসা না পাওয়াতেই এমন মন্তব্য করেছেন।

অন্যদিকে জাহেদ আহমেদের কথায়, এখন প্রমাণ হয়েই গেছে যে “রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশের থেকে ভারত বেশি লাভবান হবে।”

হাসান ওয়াজেদ মজুমদার লিখেছেন, ‘‘আশা করছি এমরান সরকারও রামপালের বিপক্ষে অবস্থান নেবে।”

“বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ৮০ ভাগ মানুষ মনে-প্রাণে ভারতকে ঘৃণা করে বাংলাদেশে তাদের হস্তক্ষেপের কারণে।” এ মন্তব্য সাইফুল আমিনের৷

তবে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন জয়ন্ত কুমার দত্ত৷ তিনি প্রতিবাদ করে লিখেছেন, ‘‘আগ্রাসন ভারত কখনই করে না৷ আর ভারতবিরোধিতা বাংলাদেশিদের পূর্বজ পাকিস্তানিদের থেকে পাওয়া এটা জিনগত প্রাপ্তি।”

সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ভারত বেশি লাভবান হবে’

আপডেট সময় : ০১:২৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভারতের হস্তক্ষেপ করা বা আমাদের জাতীয় ইস্যু নিয়ে তাদের আগ্রাসী, অযৌক্তিক এবং দাদাগিরি মনোভাবের কারণে অনেকেই ভারতবিরোধী হয়ে যাবে। – সুলতানা কামালের এ মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বহু পাঠক।

“প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকই ভারতবিরোধী, কারণ ভারত বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী৷ যারাই ভারতপ্রেমী তারাই দেশবিরোধী। ফারাক্কা, তিস্তা, সীমান্ত হত্যা, রামপাল, বাণিজ্য ঘাটতি, প্রভুসুলভ আচোরণ, গণতন্ত্র বিনাশকারী, মাদক সরবরাহকারী, বাংলাদেশে মাদক পাচারের জন্যে সীমান্তে মাদক কারখানা স্থাপন ইত্যাদি কর্মকাণ্ড দেশের স্বার্থবিরোধী, তাই দেশপ্রেমিক নাগরিক মাত্রই ভারতবিরোধী।”

শুধু তাই নয়, ফেসবুকে আক্রমণাত্বক আরো কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন মোহাম্মদ আবু তাহের৷ লিখেছেন, ‘‘ফারাক্কা বাঁধ কে দিয়েছে? তিস্তার পানি কেন পাই নাই আমরা? সীমান্ত হত্যা কারা করে? রামপাল কারা করছে? সীমান্তে মাদকের কারখানা কারা স্থাপন করছে দেশকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে? দেশের গণতন্ত্রকে কারা বিনাশ করেছে? কারা বিনা টাকায় ট্রানজিট নিতে চায়? আমার দেশের টাকায় গড়া রাস্তা দিয়ে ভারতের গাড়ি যাবে বিনা টাকায়!!! মামার বাড়ির আবদার?”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা ঋতুর মতে, সুন্দরবনের পাশে এত বড় একটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করে একে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা কোনোভাবেই ঠিক হবে না৷ তাঁর মতে, সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নেই, কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিকল্প আছে।

“সকল দেশপ্রেমিক জনগণই ভারতবিরোধী, কারণ আমরা প্রতিনিয়তই ভারতের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছি।” এ মন্তব্য নয়ন শ্যামের।

আলমগীর হোসেন আলম মনে করেন, এটা অতি লাফা লাফির ফল।….আওয়ামী সরকারের মাধ্যমে ভারত নাকি তাদের ইচ্ছা মতো যা খুশি তাই করে চলেছে। তার মতামতে একমত পোষণ করেন মোহাম্মদ মোত্তালেব।

অপরদিকে পারভেজ টেনদলের দাবি, সুলতানা কামাল ভারতের ভিসা না পাওয়াতেই এমন মন্তব্য করেছেন।

অন্যদিকে জাহেদ আহমেদের কথায়, এখন প্রমাণ হয়েই গেছে যে “রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশের থেকে ভারত বেশি লাভবান হবে।”

হাসান ওয়াজেদ মজুমদার লিখেছেন, ‘‘আশা করছি এমরান সরকারও রামপালের বিপক্ষে অবস্থান নেবে।”

“বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ৮০ ভাগ মানুষ মনে-প্রাণে ভারতকে ঘৃণা করে বাংলাদেশে তাদের হস্তক্ষেপের কারণে।” এ মন্তব্য সাইফুল আমিনের৷

তবে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন জয়ন্ত কুমার দত্ত৷ তিনি প্রতিবাদ করে লিখেছেন, ‘‘আগ্রাসন ভারত কখনই করে না৷ আর ভারতবিরোধিতা বাংলাদেশিদের পূর্বজ পাকিস্তানিদের থেকে পাওয়া এটা জিনগত প্রাপ্তি।”

সূত্র: ডয়েচে ভেলে।