ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ঝিনাইদহে এবার ১২ বছর বরখাস্ত থাকা নকল নবীশকে অর্থের বিনিময়ে পুনর্বহাল

  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০১৭
  • / 283
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বারো বছর ধরে সাময়িক বরখাস্ত থাকা শরিফুল ইসলাম নামে একজন নকল নবীশকে পুনর্বাহাল করে বেপরোয়া আর্থিক বানিজ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঝিনাইদহের সাবেক ও বর্তমানে বাগেরহাট জেলা রেজিষ্টার বীর জ্যোতি চাকমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিকার চেয়ে ঝিনাইদহ জেলার নকল নবিশরা জেলা রেজিষ্টার আব্দুল মালেকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালে নারী কেলেংকারী ও শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ হরিণাকুন্ডু উপজেলার দখলপুর গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলামকে বরখাস্ত করা হয়। ফলে তিনি ২০১৬ সাল পর্যন্ত নকল নবিশের কর্যক্রম থেকে বিরত ছিলেন। তিনি এই দীর্ঘ সময়ে হরিণাকুন্ডুর চারাতলা সুলতানা মাধ্যমিক বিদ্যলয়ে শিক্ষকতাও করেন। পরে তিনি হরিণাকুন্ডু সব রেজিষ্ট্রি অিফিসে তার ভাইয়ের স্ট্যম্প ভেন্ডারের ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং দলিল লেখার লাইসেন্স করেন, যার লাইসেন্স নং ৭১।

অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের সাবেক জেলা রেজিষ্টার বীর জ্যোতি চাকমাকে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে ১২ বছর পর তিনি নকল নবিশ পদে পুর্নবহাল হয়েছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকার ঘুষ লেদদেন হয়েছে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। লিখিত অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে নকল নবিশ হিসেবে কর্মরত অবস্থায় শরিফুল ইসলাম দলিল লেখক হিসেবেও কাজ করে যাচ্ছেন, যা রেজিষ্ট্রেশন আইন পরিপস্থি।

২০১৬ সালের ১৮ মে শরিফুল ইসলাম ১৪৮১ নং দলিল নিজ হাতে সম্পাদন করেন বলে জানা গেছে। রেজিষ্ট্রেশন আইনে আরো বলা হয়েছে, কোন নকল নবীশ দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তার নকল রবীশ পদবী ও জ্যেষ্ঠতা বিলীন হয়ে যায়। অভিযোগ পত্রে জেলার প্রায় ১২৭ জন নকল নবীশ সাক্ষর করেছেন।

প্রাপ্ত তথ্যমতে জেলা রেজিষ্টার বীর জ্যোতি চাকমা হরিণাকুন্ডু অফিস থেকে হারিয়ে যাওয়া ৪টি দলিল দিন তারিখ ও দলিল নং উল্লেখ করে চাওয়ায় নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি দলিল সেরে রেখে কর্মচারীদের হয়রানী করা হচ্ছে ?

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঝিনাইদহে এবার ১২ বছর বরখাস্ত থাকা নকল নবীশকে অর্থের বিনিময়ে পুনর্বহাল

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০১৭

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বারো বছর ধরে সাময়িক বরখাস্ত থাকা শরিফুল ইসলাম নামে একজন নকল নবীশকে পুনর্বাহাল করে বেপরোয়া আর্থিক বানিজ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঝিনাইদহের সাবেক ও বর্তমানে বাগেরহাট জেলা রেজিষ্টার বীর জ্যোতি চাকমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিকার চেয়ে ঝিনাইদহ জেলার নকল নবিশরা জেলা রেজিষ্টার আব্দুল মালেকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালে নারী কেলেংকারী ও শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ হরিণাকুন্ডু উপজেলার দখলপুর গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলামকে বরখাস্ত করা হয়। ফলে তিনি ২০১৬ সাল পর্যন্ত নকল নবিশের কর্যক্রম থেকে বিরত ছিলেন। তিনি এই দীর্ঘ সময়ে হরিণাকুন্ডুর চারাতলা সুলতানা মাধ্যমিক বিদ্যলয়ে শিক্ষকতাও করেন। পরে তিনি হরিণাকুন্ডু সব রেজিষ্ট্রি অিফিসে তার ভাইয়ের স্ট্যম্প ভেন্ডারের ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং দলিল লেখার লাইসেন্স করেন, যার লাইসেন্স নং ৭১।

অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের সাবেক জেলা রেজিষ্টার বীর জ্যোতি চাকমাকে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে ১২ বছর পর তিনি নকল নবিশ পদে পুর্নবহাল হয়েছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকার ঘুষ লেদদেন হয়েছে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। লিখিত অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে নকল নবিশ হিসেবে কর্মরত অবস্থায় শরিফুল ইসলাম দলিল লেখক হিসেবেও কাজ করে যাচ্ছেন, যা রেজিষ্ট্রেশন আইন পরিপস্থি।

২০১৬ সালের ১৮ মে শরিফুল ইসলাম ১৪৮১ নং দলিল নিজ হাতে সম্পাদন করেন বলে জানা গেছে। রেজিষ্ট্রেশন আইনে আরো বলা হয়েছে, কোন নকল নবীশ দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তার নকল রবীশ পদবী ও জ্যেষ্ঠতা বিলীন হয়ে যায়। অভিযোগ পত্রে জেলার প্রায় ১২৭ জন নকল নবীশ সাক্ষর করেছেন।

প্রাপ্ত তথ্যমতে জেলা রেজিষ্টার বীর জ্যোতি চাকমা হরিণাকুন্ডু অফিস থেকে হারিয়ে যাওয়া ৪টি দলিল দিন তারিখ ও দলিল নং উল্লেখ করে চাওয়ায় নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি দলিল সেরে রেখে কর্মচারীদের হয়রানী করা হচ্ছে ?