ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

ইবোলা আতঙ্কে তিন দেশের যাত্রী প্রবেশ বন্ধ করল আমিরাত

  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 28
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আফ্রিকার তিনটি দেশ থেকে যাত্রী প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে আজ ৬ জুন থেকে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান। এসব দেশ থেকে আগত পর্যটক ও যাত্রীদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সরাসরি ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের জন্য নয়, অন্য দেশের মাধ্যমে ট্রানজিট নিয়েও যারা প্রবেশের চেষ্টা করবেন, তাদের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।

ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২১ দিনের একটি কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তিনটি দেশ ভ্রমণ করা বা সেসব দেশের ওপর দিয়ে যাতায়াত করা কেউ আমিরাতে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে অন্তত ২১ দিন ওই দেশগুলোর বাইরে অবস্থান করতে হবে। এই সময়সীমা ইবোলা ভাইরাসের সুপ্তিকাল বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে যাত্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ট্রানজিট ফ্লাইট এবং কার্গো পরিবহন চালু থাকবে। যেসব যাত্রী আমিরাতে না নেমে অন্য দেশে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি পণ্য পরিবহনও অব্যাহত থাকবে, তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

সূত্র: মিডলইস্ট অনলাইন
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইবোলা আতঙ্কে তিন দেশের যাত্রী প্রবেশ বন্ধ করল আমিরাত

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আফ্রিকার তিনটি দেশ থেকে যাত্রী প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে আজ ৬ জুন থেকে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান। এসব দেশ থেকে আগত পর্যটক ও যাত্রীদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সরাসরি ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের জন্য নয়, অন্য দেশের মাধ্যমে ট্রানজিট নিয়েও যারা প্রবেশের চেষ্টা করবেন, তাদের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।

ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২১ দিনের একটি কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তিনটি দেশ ভ্রমণ করা বা সেসব দেশের ওপর দিয়ে যাতায়াত করা কেউ আমিরাতে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে অন্তত ২১ দিন ওই দেশগুলোর বাইরে অবস্থান করতে হবে। এই সময়সীমা ইবোলা ভাইরাসের সুপ্তিকাল বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে যাত্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ট্রানজিট ফ্লাইট এবং কার্গো পরিবহন চালু থাকবে। যেসব যাত্রী আমিরাতে না নেমে অন্য দেশে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি পণ্য পরিবহনও অব্যাহত থাকবে, তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

সূত্র: মিডলইস্ট অনলাইন
বিডিসংবাদ/এএইচএস