ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট নিয়ে রোমাঞ্চিত তাসকিন জুলাই মাসে সেরার দৌড়ে তানজিদ পুলিশ প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে রাজাপক্ষের দলীয় নেতাকে গ্রেফতার ধানমন্ডিতে দুই প্রাইভেটকারের ওপর উপড়ে পড়ল গাছ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে ‘দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন’ দেখাচ্ছে: ইরান পাস করেনি অনেকেই, একাদশে খালি থাকবে ১৩ লাখ আসন ক্যাডেট কলেজগুলোর ঈর্ষণীয় ফলাফল, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮.২২ ভাগ শিক্ষার্থী সরকার তিন লাখ টাকার মধ্যে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে : শামা ওবায়েদ এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা : প্রধানমন্ত্রী

পাস করেনি অনেকেই, একাদশে খালি থাকবে ১৩ লাখ আসন

  • আপডেট সময় : ১১:১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় এবার একাদশ শ্রেণিতে সাড়ে ১৩ লাখেরও বেশি আসন খালি পড়ে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে আসন ফাঁকা থাকলেও ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আনছে না শিক্ষা প্রশাসন। আগের নিয়মেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে একাদশে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও কোনো ধরনের লটারি বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। প্রচলিত বিধান অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জিপিএ এবং তাদের দেওয়া পছন্দক্রম বিবেচনা করেই পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন বরাদ্দ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গত বছর এসব আসনের মধ্যে বিপুল পরিমাণ আসন খালি ছিল। তবে এবার পরীক্ষার্থী ও পাসের হার তুলনামূলক কম হওয়ায় খালি আসনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তথ্যমতে, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, সব উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তি হলেও দেশের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থেকে যাবে। কারিগরি বোর্ডসহ অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হলেও এই বিপুল সংখ্যক শূন্য আসনের চিত্রে খুব একটা পরিবর্তন আসবে না।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এবার আসন শূন্য থাকার হার বেশি হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো সংকট তৈরি হবে না। যথারীতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নির্ধারিত ফি দিয়ে শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই কেন্দ্রীয় অনলাইন প্রক্রিয়াতেই শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন করা হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পাস করেনি অনেকেই, একাদশে খালি থাকবে ১৩ লাখ আসন

আপডেট সময় : ১১:১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় এবার একাদশ শ্রেণিতে সাড়ে ১৩ লাখেরও বেশি আসন খালি পড়ে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে আসন ফাঁকা থাকলেও ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আনছে না শিক্ষা প্রশাসন। আগের নিয়মেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে একাদশে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও কোনো ধরনের লটারি বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। প্রচলিত বিধান অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জিপিএ এবং তাদের দেওয়া পছন্দক্রম বিবেচনা করেই পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন বরাদ্দ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গত বছর এসব আসনের মধ্যে বিপুল পরিমাণ আসন খালি ছিল। তবে এবার পরীক্ষার্থী ও পাসের হার তুলনামূলক কম হওয়ায় খালি আসনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তথ্যমতে, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, সব উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তি হলেও দেশের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থেকে যাবে। কারিগরি বোর্ডসহ অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হলেও এই বিপুল সংখ্যক শূন্য আসনের চিত্রে খুব একটা পরিবর্তন আসবে না।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এবার আসন শূন্য থাকার হার বেশি হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো সংকট তৈরি হবে না। যথারীতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নির্ধারিত ফি দিয়ে শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই কেন্দ্রীয় অনলাইন প্রক্রিয়াতেই শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন করা হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস