ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শরীয়তপুরে মাদক ও অনুমতিহীন কার্যক্রমের অভিযোগে ৫০ বছরের পুরোনো মেলা বন্ধ গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির বিভেদ ফ্যাসিবাদীদের সুযোগ করে দিতে পারে: প্রধানমন্ত্রী মঈন খান ও সালাহউদ্দিন আহমদের দায়িত্ব বাড়াল সরকার ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা: নির্বাচনের পরই মিলবে সমাধান কাগজে-কলমে মুনাফা দেখালেও বেবিচকের কাছে বিমানের বকেয়া প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা জাতীয় সংসদে আরও ৪টি স্থায়ী কমিটি গঠন: সম্পন্ন হলো ৫০টি কমিটির যাত্রা ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে বড় চাপে নেতানিয়াহু, ৭ অক্টোবরের সতর্কতা নিয়ে নতুন বিতর্ক মাগুরার শ্রীপুরে অবৈধ সার মজুত: ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও ২৮৮ বস্তা সার জব্দ র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের বিল সংসদে পাস চীনের কিংদাও বন্দরে কার্গো জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ২৫

সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রপাতিতে শুল্ক ছাড় ও হংকংয়ের সাথে বিনিয়োগ চুক্তির অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

  • আপডেট সময় : ০২:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোমবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা প্রদান। এই সুবিধা অনুযায়ী, প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন বা ছয় মাস পর্যন্ত এসব আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, সমুদয় রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। সরকার আশা করছে, এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতিজনিত জনদুর্ভোগ কমবে, শিল্প উৎপাদন সচল থাকবে এবং উৎপাদন ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বৈঠকে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ ও স্ট্যাম্প ব্যবহার সংক্রান্ত বিধিমালায় পরিবর্তনের প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি দশ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকার পরিবর্তে ৬৫ টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য রোধ এবং রাজস্ব ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট এগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। হংকং বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও উন্মুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে তাদের অবস্থান ষষ্ঠ। বর্তমানে বাংলাদেশের পোশাক ও টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতে হংকংয়ের বিনিয়োগ রয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য একটি কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে, যা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরে সহায়ক হবে।

চুক্তিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে দশ বছর। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের তিন বছর পর উভয় পক্ষ চাইলে তা সংশোধন করতে পারবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে। এই চুক্তি বিনিয়োগের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ​নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য (প্রতি দশ শলাকা) ‘৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব’-এর স্থলে ‘৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ পুনঃনির্ধারণ করে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার বিধিমালা সং। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে চুক্তি স্বাক্ষরের ৩ বছর পর উভয়পক্ষ চুক্তি সংশোধন করতে পারবে, এ সংক্রান্ত বিধান খসড়া চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চাকরির আরও তথ্য: এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতির ফলে জনজীবনে সৃষ্ট ভোগান্তি হ্রাস পাবে, শিল্প উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাওয়াসহ যন্ত্রপাতির ক্ষতি কম হবে, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হবে; দ্রুততম সময়ের মধ্যে নবায়নযোগ্য সৌর শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে। 6. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চুক্তিটি বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রপাতিতে শুল্ক ছাড় ও হংকংয়ের সাথে বিনিয়োগ চুক্তির অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

আপডেট সময় : ০২:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোমবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা প্রদান। এই সুবিধা অনুযায়ী, প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন বা ছয় মাস পর্যন্ত এসব আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, সমুদয় রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। সরকার আশা করছে, এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতিজনিত জনদুর্ভোগ কমবে, শিল্প উৎপাদন সচল থাকবে এবং উৎপাদন ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বৈঠকে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ ও স্ট্যাম্প ব্যবহার সংক্রান্ত বিধিমালায় পরিবর্তনের প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি দশ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকার পরিবর্তে ৬৫ টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য রোধ এবং রাজস্ব ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট এগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। হংকং বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও উন্মুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে তাদের অবস্থান ষষ্ঠ। বর্তমানে বাংলাদেশের পোশাক ও টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতে হংকংয়ের বিনিয়োগ রয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য একটি কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে, যা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরে সহায়ক হবে।

চুক্তিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে দশ বছর। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের তিন বছর পর উভয় পক্ষ চাইলে তা সংশোধন করতে পারবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে। এই চুক্তি বিনিয়োগের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ​নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য (প্রতি দশ শলাকা) ‘৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব’-এর স্থলে ‘৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ পুনঃনির্ধারণ করে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার বিধিমালা সং। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে চুক্তি স্বাক্ষরের ৩ বছর পর উভয়পক্ষ চুক্তি সংশোধন করতে পারবে, এ সংক্রান্ত বিধান খসড়া চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চাকরির আরও তথ্য: এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতির ফলে জনজীবনে সৃষ্ট ভোগান্তি হ্রাস পাবে, শিল্প উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাওয়াসহ যন্ত্রপাতির ক্ষতি কম হবে, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হবে; দ্রুততম সময়ের মধ্যে নবায়নযোগ্য সৌর শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে। 6. প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চুক্তিটি বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।