ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় সংসদে আরও ৪টি স্থায়ী কমিটি গঠন: সম্পন্ন হলো ৫০টি কমিটির যাত্রা ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে বড় চাপে নেতানিয়াহু, ৭ অক্টোবরের সতর্কতা নিয়ে নতুন বিতর্ক মাগুরার শ্রীপুরে অবৈধ সার মজুত: ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও ২৮৮ বস্তা সার জব্দ র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের বিল সংসদে পাস চীনের কিংদাও বন্দরে কার্গো জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ২৫ মিয়ামিতে অ্যামাজনের কার্গো বিমান দুর্ঘটনা: উদ্ধার হলো ব্ল্যাক বক্স আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের সময় থাকতে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার হুঁশিয়ারি মার্কিন সেনাদের দিলেন ইরানি কর্মকর্তা ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন, তফসিল ঘোষণা

২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে বড় চাপে নেতানিয়াহু, ৭ অক্টোবরের সতর্কতা নিয়ে নতুন বিতর্ক

  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ভয়াবহ হামলার প্রায় ১০ দিন আগেই এ বিষয়ে তাঁকে সতর্ক করেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ-এ প্রকাশিত একটি বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হামাসের তৎকালীন নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির বিষয়ে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুর সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট আলোচনা করেছিলেন। সেই সময় সতর্ক করে বলা হয়েছিল যে, এই হামলা ব্যাপক প্রাণহানি ঘটাতে পারে এবং পুরো অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। তবে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, তারা হারেৎজের এই প্রতিবেদনটি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে সক্ষম হয়নি। এদিকে, নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে তিনি এমন কোনো সতর্কবার্তা পাননি। এমনকি সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বা জল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

নির্বাচনের ঠিক আগে এই বিতর্ক নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলা এবং পরবর্তী আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে সৃষ্ট জনঅসন্তোষে তাঁর লিকুদ পার্টির সমর্থন ধারাবাহিকভাবে কমছে। সাম্প্রতিক একটি জরিপের পূর্বাভাসে দেখা গেছে, আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার পার্টি ২৩টি আসন পেতে পারে, যেখানে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পাচ্ছে ২০টি আসন। তবে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছাতে পারছে না। একই জরিপে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকটকে ৩৮ শতাংশ এবং নেতানিয়াহুকে ৩৫ শতাংশ মানুষ বেশি যোগ্য বলে মনে করছেন।

ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের ৩১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, ৬৮ শতাংশ ইহুদি ইসরায়েলি ভোটারের কাছে আসন্ন নির্বাচনে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৭ অক্টোবরের ঘটনাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভোটারদের মনস্তত্ত্ব এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ নেতানিয়াহুর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই বিতর্ক এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনকে ঘিরে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সতর্কবার্তায় উদ্বিগ্ন না হয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে সম্ভাব্য হামলা পশ্চিম তীর থেকে আসতে পারে এবং ইসরায়েল যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এই ফোনালাপ বা সতর্কবার্তার বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেতানিয়াহুর কার্যালয় অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে বড় চাপে নেতানিয়াহু, ৭ অক্টোবরের সতর্কতা নিয়ে নতুন বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ভয়াবহ হামলার প্রায় ১০ দিন আগেই এ বিষয়ে তাঁকে সতর্ক করেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ-এ প্রকাশিত একটি বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হামাসের তৎকালীন নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির বিষয়ে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুর সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট আলোচনা করেছিলেন। সেই সময় সতর্ক করে বলা হয়েছিল যে, এই হামলা ব্যাপক প্রাণহানি ঘটাতে পারে এবং পুরো অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। তবে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, তারা হারেৎজের এই প্রতিবেদনটি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে সক্ষম হয়নি। এদিকে, নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে তিনি এমন কোনো সতর্কবার্তা পাননি। এমনকি সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বা জল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

নির্বাচনের ঠিক আগে এই বিতর্ক নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলা এবং পরবর্তী আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে সৃষ্ট জনঅসন্তোষে তাঁর লিকুদ পার্টির সমর্থন ধারাবাহিকভাবে কমছে। সাম্প্রতিক একটি জরিপের পূর্বাভাসে দেখা গেছে, আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার পার্টি ২৩টি আসন পেতে পারে, যেখানে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পাচ্ছে ২০টি আসন। তবে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছাতে পারছে না। একই জরিপে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকটকে ৩৮ শতাংশ এবং নেতানিয়াহুকে ৩৫ শতাংশ মানুষ বেশি যোগ্য বলে মনে করছেন।

ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের ৩১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, ৬৮ শতাংশ ইহুদি ইসরায়েলি ভোটারের কাছে আসন্ন নির্বাচনে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৭ অক্টোবরের ঘটনাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভোটারদের মনস্তত্ত্ব এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ নেতানিয়াহুর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই বিতর্ক এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনকে ঘিরে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সতর্কবার্তায় উদ্বিগ্ন না হয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে সম্ভাব্য হামলা পশ্চিম তীর থেকে আসতে পারে এবং ইসরায়েল যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এই ফোনালাপ বা সতর্কবার্তার বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেতানিয়াহুর কার্যালয় অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।