সরকারি অফিসে জবাবদিহি বাড়াতে ডিজিটাল হাজিরার নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 3
দীর্ঘ প্রায় দুই বছর পর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হলো সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় সাত মাস পর, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় সরকারি কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনা এবং কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সবশেষ ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের শুরুর দিকে সচিব সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল; এরপর দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর কোনো সচিব সভা না হওয়ায় এই বৈঠকটি প্রশাসনিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
সভায় উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সচিব জানান, বৈঠকে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে সচিবরা পরামর্শ দিয়েছেন। জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারি ভবন ও স্থাপনায় সৌর প্যানেল স্থাপন, বেসরকারি খাতকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে সৌরশক্তির অংশ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি কার্যকর করার নির্দেশনা এসেছে এই সভা থেকে।
এবারের সচিব সভার আলোচ্যসূচিতে মূলত চারটি প্রধান বিষয় স্থান পেয়েছিল। যার মধ্যে ছিল সরকারের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিক বিষয়াবলি, ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ অনুমোদন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে অধিকতর কল্যাণমুখী ও কার্যকর করার কৌশল। এছাড়া সভায় সরকারি কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও দুর্নীতি দমনে বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়। সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প যেমন ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক বিতরণ এবং খাল খনন কর্মসূচি যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয়, সে বিষয়ে সব সচিবকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের সরকারি নীতিগত সিদ্ধান্ত ও উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনে আরও সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ছাড়া জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক বিষয় সচিবরা উপস্থাপন করলে তা নিয়েও আলোচনার সুযোগ রাখা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার ও বিস্তৃতি কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাব যাতে দেশের অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ খাতে বড় ধরনের চাপ তৈরি না করে, সে জন্য আমদানিনির্ভর জ্বালানির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব কর্মসূচিতে অর্থ ব্যয় ও উপকারভোগী নির্বাচনসহ পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।






















