ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাত্র আন্দোলনে মৃত্যু: শেখ হাসিনাসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা মেঘ হয়ে ঝরে পড়ার আকুতি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরির হিড়িক, সেচ নিয়ে শঙ্কা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে রোমহর্ষক সাক্ষ্য সাবেক সেনা কর্মকর্তার চীন ও ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের গ্রীষ্মে রেকর্ড যাত্রী পরিবহন এমিরেটসের, শীতের বুকিংয়েও জোর সম্ভাবনা জাতিসংঘ অধিবেশনে মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র শ্রীরামপুরে জনসভার অনুমতি পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল বিদেশি পণ্য ও সম্মানী নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল

  • আপডেট সময় : ০১:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রেখে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মার্কিন দূতাবাস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালামসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কার্যকর রয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ সাংবিধানিক শাসনেরই প্রতিফলন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১৭৮৭ সালে প্রণীত মার্কিন সংবিধানের সাথে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের গণতান্ত্রিক কাঠামোর গভীর মিল বিদ্যমান। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট যে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা পদ্ধতি অনুসরণ করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও অনুরূপ এখতিয়ার চর্চা করে আসছে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেকোনো ধরনের স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সবসময় অনুপ্রেরণা গ্রহণ করে।

অতীতের রাজনৈতিক নিপীড়নের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী জানান, বিগত দিনে বিএনপির প্রায় ১০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়েছিলেন, যার মধ্যে ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমেই দায়ের করা হয়েছিল। এদিকে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই হওয়ার পেছনের কারণগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অব্যাহত বিতর্ক, ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা, ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংবিধানে নতুন সংশোধনী যুক্ত করার অধিকারই দেশটির গণতন্ত্রকে মজবুত করেছে। রাষ্ট্রদূত আরও যোগ করেন যে, গত দুই শতাধিক বছর ধরে মার্কিন সংবিধান বিশ্বের নানা প্রান্তের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রেরণা জোগাতে ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র মিশন থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল

আপডেট সময় : ০১:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রেখে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মার্কিন দূতাবাস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালামসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কার্যকর রয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ সাংবিধানিক শাসনেরই প্রতিফলন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১৭৮৭ সালে প্রণীত মার্কিন সংবিধানের সাথে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের গণতান্ত্রিক কাঠামোর গভীর মিল বিদ্যমান। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট যে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা পদ্ধতি অনুসরণ করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও অনুরূপ এখতিয়ার চর্চা করে আসছে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেকোনো ধরনের স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সবসময় অনুপ্রেরণা গ্রহণ করে।

অতীতের রাজনৈতিক নিপীড়নের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী জানান, বিগত দিনে বিএনপির প্রায় ১০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়েছিলেন, যার মধ্যে ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমেই দায়ের করা হয়েছিল। এদিকে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই হওয়ার পেছনের কারণগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অব্যাহত বিতর্ক, ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা, ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সংবিধানে নতুন সংশোধনী যুক্ত করার অধিকারই দেশটির গণতন্ত্রকে মজবুত করেছে। রাষ্ট্রদূত আরও যোগ করেন যে, গত দুই শতাধিক বছর ধরে মার্কিন সংবিধান বিশ্বের নানা প্রান্তের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রেরণা জোগাতে ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র মিশন থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।