আগামী বছর ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা
- আপডেট সময় : ১০:৫৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 25
ঢাকা থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে সরকার। আগামী বছরের মধ্যে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) বিমানবন্দরে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে জানানো হয়, এই রুট চালুর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা মূল্যায়নের ক্যাটাগরি-১ মর্যাদা অর্জন করা অপরিহার্য।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির যাতায়াত সহজ করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে বিশ্বমানের লিগ্যাসি এয়ারলাইনস হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে। ইতিমধ্যে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং মন্ত্রী এসব উড়োজাহাজ দ্রুত সরবরাহের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যাতে আন্তর্জাতিক রুটে বিমানের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো যায়।
বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া নানামুখী পরিকল্পনার কথা রাষ্ট্রদূতকে জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, আকাশপথের যোগাযোগ উন্নত করতে বর্তমানে এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান। বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে এবং বগুড়ায় নতুন একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি ঢাকা–নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পর্যটন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কথাও জানান।
পর্যটন শিল্পের প্রসারে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটকে আন্তর্জাতিক মানের গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা সরেজমিনে দেখার জন্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের আহ্বান জানান তিনি। সব মিলিয়ে এই সফর ও বৈঠক দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিষয়গুলো জানানো হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।




















