ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কুমিল্লায় কিশোর শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় একজন আটক

  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লায় নিখোঁজের একদিন পর ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোটবাড়ী এলাকা থেকে তুহিন নামের এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে তাকে হেফাজতে নিয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

নিখোঁজের পর থেকে অপ্রতিমের সন্ধানে কোটবাড়ী ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু হয়। শনিবার সকালে পাওয়া একটি ভিডিও ফুটেজে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে অপ্রতিমকে এক কিশোরের সঙ্গে দেখা যায়। ওই কিশোরের মাথায় একটি ক্যাপ ছিল এবং তার বয়স অপ্রতিমের চেয়ে বেশি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম এম শরীফুল করীম জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্থানীয় এক কিশোরের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে, যা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়। অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর শুক্রবার থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকরা তার পরিবারের পাশে থেকে উদ্ধারে সহায়তা করেছিলেন।

নিহত অপ্রতিম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার পরিবারের ভাষ্যমতে, শুক্রবার বন্ধুদের সাথে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে সে বাসা থেকে বের হয়েছিল। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘটনার দিন শনিবার বেলা ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতিমের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা মায়ের আইফোনটি এখনো পাওয়া যায়নি। এটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে কোনো হত্যাকাণ্ড কি না, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের জন্য অপ্রতিমের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করতে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কুমিল্লা জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি জানার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, ডিনসহ শিক্ষক-কর্মকর্তারা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং অপ্রতিমের মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুমিল্লায় কিশোর শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় একজন আটক

আপডেট সময় : ০৯:১৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লায় নিখোঁজের একদিন পর ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোটবাড়ী এলাকা থেকে তুহিন নামের এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে তাকে হেফাজতে নিয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

নিখোঁজের পর থেকে অপ্রতিমের সন্ধানে কোটবাড়ী ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু হয়। শনিবার সকালে পাওয়া একটি ভিডিও ফুটেজে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে অপ্রতিমকে এক কিশোরের সঙ্গে দেখা যায়। ওই কিশোরের মাথায় একটি ক্যাপ ছিল এবং তার বয়স অপ্রতিমের চেয়ে বেশি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম এম শরীফুল করীম জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্থানীয় এক কিশোরের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে, যা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়। অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর শুক্রবার থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকরা তার পরিবারের পাশে থেকে উদ্ধারে সহায়তা করেছিলেন।

নিহত অপ্রতিম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার পরিবারের ভাষ্যমতে, শুক্রবার বন্ধুদের সাথে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে সে বাসা থেকে বের হয়েছিল। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘটনার দিন শনিবার বেলা ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতিমের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা মায়ের আইফোনটি এখনো পাওয়া যায়নি। এটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে কোনো হত্যাকাণ্ড কি না, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের জন্য অপ্রতিমের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করতে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কুমিল্লা জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি জানার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, ডিনসহ শিক্ষক-কর্মকর্তারা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং অপ্রতিমের মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।