ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দাদির মৃত্যুর আগেই অভিজিৎ বলেছিলেন: পরিবারের কষ্টই বেশি সিনিয়র সাংবাদিক আমির খসরু আর নেই বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস আজ: সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান, মানসিক সুস্থতায় প্রয়োজন সহমর্মিতা ও কার্যকর উদ্যোগ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে গণগ্রেফতার হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত সহস্রাধিক ফ্লাইদুবাইয়ের ককপিটে হামলার তদন্তে আত্মঘাতী পরিকল্পনার তথ্য আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় হিফজ বিভাগে প্রথম বাংলাদেশের হিরা আহত শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার খরচ বহন করবে সরকার: শ্রমমন্ত্রী এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষার সুযোগ ভাবছে দিল্লিতে বিক্ষোভের সময় মমতা, কেজরিওয়ালসহ একাধিক নেতা আটক

শাহজালাল বিমানবন্দরে ট্রলি সংকট নিরসনে নতুন ২০০ ট্রলি

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 3
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে নতুন করে ২০০টি ট্রলি যুক্ত করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি আরও ১৫০টি ট্রলি শিগগিরই যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানান, গত ৩ অক্টোবর কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ২০০টি ট্রলি ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকেও ২০০টি ট্রলি পাওয়া যাবে, যার মধ্যে ১৫০টি শাহজালাল এবং ৫০টি সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এই নতুন সংযোজনের ফলে বর্তমানে শাহজালালে মোট ট্রলির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৯০টিতে। ১৫০টি ট্রলি যুক্ত হওয়ার পর এই সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৫৪০টিতে পৌঁছাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন ট্রলি যুক্ত হলে বিমানবন্দরে আর তেমন সংকট থাকবে না। কখনো কখনো একটি ট্রলি পাওয়ার জন্য যাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার পরিস্থিতিও তৈরি হতো।

প্রায় এক বছর ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে ট্রলি নিয়ে যাত্রীরা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছিলেন। বিশেষ করে ইমিগ্রেশন পার হয়ে লাগেজ সংগ্রহের সময় ট্রলির অভাব প্রকট হয়ে উঠত, যা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিত। পরিস্থিতি এক পর্যায়ে এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে বিমানবন্দরের ভেতরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। সে সময় সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দর থেকে ২৫০টি ট্রলি আনা হয়েছিল। এর আগে হজ মৌসুমের সময় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পর্যাপ্ত ট্রলি নিশ্চিত করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিল। পরবর্তীতে ৫০০টি নতুন ট্রলি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত না হওয়ায় সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বিশেষ করে ইমিগ্রেশন শেষে লাগেজ নিয়ে বের হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় ট্রলি পেতে ভোগান্তিতে পড়তেন অনেকে। পরে ৫০০টি ট্রলি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলেও তা অনুমোদন না পাওয়ায় সংকট আরও প্রকট হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ট্রলি সংকট নিয়ে যাত্রীদের ক্ষোভ প্রকাশের ভিডিও ভাইরাল হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন ট্রলি যুক্ত হওয়ার ফলে সংকট অনেকটা কেটে যাবে বলে কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। তবে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ সতর্ক করেছেন যে, একসঙ্গে একাধিক ফ্লাইট অবতরণ করলে যাত্রীদের চাপের মুখে আবারও সাময়িক ট্রলির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই ক্রমবর্ধমান যাত্রীসংখ্যা এবং ফ্লাইটের চাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ট্রলি সরবরাহের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা। হজযাত্রীদের ফিরতি সময়ে ট্রলির সংকট বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ট্রলি সংকট নিরসনে নতুন ২০০ ট্রলি

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে নতুন করে ২০০টি ট্রলি যুক্ত করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি আরও ১৫০টি ট্রলি শিগগিরই যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানান, গত ৩ অক্টোবর কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ২০০টি ট্রলি ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকেও ২০০টি ট্রলি পাওয়া যাবে, যার মধ্যে ১৫০টি শাহজালাল এবং ৫০টি সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এই নতুন সংযোজনের ফলে বর্তমানে শাহজালালে মোট ট্রলির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৯০টিতে। ১৫০টি ট্রলি যুক্ত হওয়ার পর এই সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৫৪০টিতে পৌঁছাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন ট্রলি যুক্ত হলে বিমানবন্দরে আর তেমন সংকট থাকবে না। কখনো কখনো একটি ট্রলি পাওয়ার জন্য যাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার পরিস্থিতিও তৈরি হতো।

প্রায় এক বছর ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে ট্রলি নিয়ে যাত্রীরা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছিলেন। বিশেষ করে ইমিগ্রেশন পার হয়ে লাগেজ সংগ্রহের সময় ট্রলির অভাব প্রকট হয়ে উঠত, যা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিত। পরিস্থিতি এক পর্যায়ে এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে বিমানবন্দরের ভেতরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। সে সময় সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দর থেকে ২৫০টি ট্রলি আনা হয়েছিল। এর আগে হজ মৌসুমের সময় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পর্যাপ্ত ট্রলি নিশ্চিত করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিল। পরবর্তীতে ৫০০টি নতুন ট্রলি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত না হওয়ায় সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বিশেষ করে ইমিগ্রেশন শেষে লাগেজ নিয়ে বের হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় ট্রলি পেতে ভোগান্তিতে পড়তেন অনেকে। পরে ৫০০টি ট্রলি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলেও তা অনুমোদন না পাওয়ায় সংকট আরও প্রকট হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ট্রলি সংকট নিয়ে যাত্রীদের ক্ষোভ প্রকাশের ভিডিও ভাইরাল হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন ট্রলি যুক্ত হওয়ার ফলে সংকট অনেকটা কেটে যাবে বলে কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। তবে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ সতর্ক করেছেন যে, একসঙ্গে একাধিক ফ্লাইট অবতরণ করলে যাত্রীদের চাপের মুখে আবারও সাময়িক ট্রলির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই ক্রমবর্ধমান যাত্রীসংখ্যা এবং ফ্লাইটের চাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ট্রলি সরবরাহের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা। হজযাত্রীদের ফিরতি সময়ে ট্রলির সংকট বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানানো হয়।