ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালালে এক সপ্তাহে ১১ অভিযান: জব্দ বিপুল অবৈধ পণ্য জুলাইকে ধারণ না করায় বিরোধীদলের সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেন যুদ্ধে কেন বিতর্কিত ইলন মাস্কের স্টারশিল্ড সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধীদল সহযোগিতা করছে না: সালাহউদ্দিন আহমদ জুলাই বিপ্লবের চেতনা বিরোধী দল ধারণ করে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী: জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত ভারতীয় বিমানের জন্য আকাশসীমা ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা বাড়াল পাকিস্তান ফ্রান্সে বিক্ষোভের জেরে ২৪০০ জন গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে বিয়ের কেনাকাটার দিনে তরুণীর অস্বাভাবিক মৃত্যু উপনিবেশোত্তর রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সংকট

শাহজালালে এক সপ্তাহে ১১ অভিযান: জব্দ বিপুল অবৈধ পণ্য

  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১১ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত এক সপ্তাহে ১১টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, মদ, সিগারেট, ই-সিগারেট, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ ও বাণিজ্যিক পণ্য জব্দ করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, কেবল জব্দকৃত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকারের বাজারমূল্য প্রায় ৯৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা। রোববার (১৮ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে এসব বিষয় জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন।

জব্দ করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে ৫৮৯ লিটার মদ বা মদজাতীয় পানীয়, ২ হাজার ৯২৩ কার্টন সিগারেট এবং ৩৫০টি ই-সিগারেট। এছাড়া ২৮৬ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম, ৩১৫ কেজি ওষুধ এবং ৯২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব পণ্যের বাইরে যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত বাণিজ্যিক পণ্য আনার দায়ে ১ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৫৬ টাকা শুল্ক-কর আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দরের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি রোধ, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এনবিআর নিয়মিতভাবে নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে। ব্যক্তিগত ব্যাগেজের আড়ালে বাণিজ্যিক পণ্য আনার প্রবণতা ঠেকাতে কাস্টমস কর্মকর্তারা নিয়মিত তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে আমদানি নিষিদ্ধ প্রসাধনী এবং অনুমোদনহীন সামগ্রীর প্রবেশ রোধে কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ পণ্য প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আদায় আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্পষ্ট করেছে যে, সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমসের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে এবং আইনানুযায়ী শুল্ক আদায় নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালালে এক সপ্তাহে ১১ অভিযান: জব্দ বিপুল অবৈধ পণ্য

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১১ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত এক সপ্তাহে ১১টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, মদ, সিগারেট, ই-সিগারেট, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ ও বাণিজ্যিক পণ্য জব্দ করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, কেবল জব্দকৃত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকারের বাজারমূল্য প্রায় ৯৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা। রোববার (১৮ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে এসব বিষয় জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন।

জব্দ করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে ৫৮৯ লিটার মদ বা মদজাতীয় পানীয়, ২ হাজার ৯২৩ কার্টন সিগারেট এবং ৩৫০টি ই-সিগারেট। এছাড়া ২৮৬ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম, ৩১৫ কেজি ওষুধ এবং ৯২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব পণ্যের বাইরে যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত বাণিজ্যিক পণ্য আনার দায়ে ১ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৫৬ টাকা শুল্ক-কর আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দরের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি রোধ, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এনবিআর নিয়মিতভাবে নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে। ব্যক্তিগত ব্যাগেজের আড়ালে বাণিজ্যিক পণ্য আনার প্রবণতা ঠেকাতে কাস্টমস কর্মকর্তারা নিয়মিত তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে আমদানি নিষিদ্ধ প্রসাধনী এবং অনুমোদনহীন সামগ্রীর প্রবেশ রোধে কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ পণ্য প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব আদায় আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড স্পষ্ট করেছে যে, সরকারি রাজস্ব সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমসের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে এবং আইনানুযায়ী শুল্ক আদায় নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি।