ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

৯৮তম জন্মদিনে শ্রদ্ধায় স্মরণ নাগরিক কবি শামসুর রাহমান

  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান কারিগর শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন আজ। ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করা এই কবি শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছেন এই ঢাকা শহরেই। তাঁর ডাকনাম ছিল বাচ্চু। বাবা মোখলেসুর রাহমান চৌধুরী ও মা আমেনা বেগমের সন্তান এই কবি পরবর্তীকালে লেখক সত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে নিজের নাম থেকে পৈতৃক উপাধি ‘চৌধুরী’ ছেঁটে ফেলেন।

নাগরিক জীবনের জটিলতা, মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা এবং বাঙালির অকুতোভয় সংগ্রামের চিত্র তাঁর কবিতায় অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। ১৯৬০ সালে ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। দীর্ঘ সাহিত্য জীবনে তিনি ৬৬টি কাব্যগ্রন্থ, চারটি উপন্যাস, একটি প্রবন্ধগ্রন্থ, একটি ছড়ার বই এবং ছয়টি অনুবাদগ্রন্থ উপহার দিয়ে গেছেন। তাঁর অসামান্য এই অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

দীর্ঘদিন বাংলা কবিতার পাঠক ও বোদ্ধাদের ঋদ্ধ করে ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজও তাঁর লেখনী নতুন প্রজন্মের পাঠকদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে। নাগরিক জীবনের আনন্দ, বেদনা ও যাপিত জীবনের সত্যকে কাব্যে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম হয়ে আছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

৯৮তম জন্মদিনে শ্রদ্ধায় স্মরণ নাগরিক কবি শামসুর রাহমান

আপডেট সময় : ১১:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান কারিগর শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন আজ। ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করা এই কবি শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছেন এই ঢাকা শহরেই। তাঁর ডাকনাম ছিল বাচ্চু। বাবা মোখলেসুর রাহমান চৌধুরী ও মা আমেনা বেগমের সন্তান এই কবি পরবর্তীকালে লেখক সত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে নিজের নাম থেকে পৈতৃক উপাধি ‘চৌধুরী’ ছেঁটে ফেলেন।

নাগরিক জীবনের জটিলতা, মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা এবং বাঙালির অকুতোভয় সংগ্রামের চিত্র তাঁর কবিতায় অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। ১৯৬০ সালে ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। দীর্ঘ সাহিত্য জীবনে তিনি ৬৬টি কাব্যগ্রন্থ, চারটি উপন্যাস, একটি প্রবন্ধগ্রন্থ, একটি ছড়ার বই এবং ছয়টি অনুবাদগ্রন্থ উপহার দিয়ে গেছেন। তাঁর অসামান্য এই অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

দীর্ঘদিন বাংলা কবিতার পাঠক ও বোদ্ধাদের ঋদ্ধ করে ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজও তাঁর লেখনী নতুন প্রজন্মের পাঠকদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে। নাগরিক জীবনের আনন্দ, বেদনা ও যাপিত জীবনের সত্যকে কাব্যে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম হয়ে আছেন।