ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে হোটেলে ফের আগুন

  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে অবস্থিত ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টার দিকে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপদ থেকে তারা রক্ষা পেয়েছেন এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ অগ্নিকাণ্ডে পার্কিংয়ে থাকা জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস ও হোটেল কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জেনারেটরের শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের দাবি করেছেন যে, তাদের প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল। কর্মীদের দ্রুত তৎপরতার কারণেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে এবং সব পর্যটক নিরাপদ আছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে দ্রুত সবাইকে বের করে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার ইনানী এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর মাত্র ছয় দিনের মাথায় এই ঘটনা ঘটল।

কক্সবাজারের মতো পর্যটন এলাকায় একের পর এক এমন ঘটনায় সেখানকার হোটেলগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের জীবন রক্ষায় হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও জেনারেটরের নিরাপত্তা যাচাই এবং জরুরি বহির্গমন পথের নিশ্চয়তা জরুরি হয়ে পড়েছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের মতো পরিস্থিতিতে পর্যটকদের দ্রুত সরিয়ে নিতে কর্মীদের যথাযথ প্রস্তুতির দাবিও জোরালো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। সেই ঘটনার ছয় দিনের মাথায় কক্সবাজারের আরেকটি আবাসিক হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় পর্যটনকেন্দ্রের হোটেলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে হোটেলে ফের আগুন

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে অবস্থিত ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টার দিকে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপদ থেকে তারা রক্ষা পেয়েছেন এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ অগ্নিকাণ্ডে পার্কিংয়ে থাকা জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস ও হোটেল কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জেনারেটরের শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের দাবি করেছেন যে, তাদের প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল। কর্মীদের দ্রুত তৎপরতার কারণেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে এবং সব পর্যটক নিরাপদ আছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে দ্রুত সবাইকে বের করে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার ইনানী এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর মাত্র ছয় দিনের মাথায় এই ঘটনা ঘটল।

কক্সবাজারের মতো পর্যটন এলাকায় একের পর এক এমন ঘটনায় সেখানকার হোটেলগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের জীবন রক্ষায় হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও জেনারেটরের নিরাপত্তা যাচাই এবং জরুরি বহির্গমন পথের নিশ্চয়তা জরুরি হয়ে পড়েছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের মতো পরিস্থিতিতে পর্যটকদের দ্রুত সরিয়ে নিতে কর্মীদের যথাযথ প্রস্তুতির দাবিও জোরালো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত হোটেলগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। সেই ঘটনার ছয় দিনের মাথায় কক্সবাজারের আরেকটি আবাসিক হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় পর্যটনকেন্দ্রের হোটেলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।