ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ১৬

  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের তিব্বত অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া এ ঘটনায় আহতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। প্রতিবেদনে বলা হয়, রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি তিব্বতের একটি পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানে।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকা।

তবে কামদো ও নিংচি শহরেও এর তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে ওই অঞ্চলে অন্তত তিন শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া ভূমিধসের কারণে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলগুলোর পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিব্বত চীনের অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত একটি অঞ্চল হওয়ায় বিদেশি গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বেশ সীমিত। এর আগে ২০২৩ সালে চীনের গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি, দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধস, বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত অঞ্চলে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ ছিলেন। এদিকে, দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধস, বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত ও নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটে। এ অঞ্চলে বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ১৬

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

চীনের তিব্বত অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া এ ঘটনায় আহতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। প্রতিবেদনে বলা হয়, রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি তিব্বতের একটি পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানে।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকা।

তবে কামদো ও নিংচি শহরেও এর তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে ওই অঞ্চলে অন্তত তিন শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া ভূমিধসের কারণে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলগুলোর পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিব্বত চীনের অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত একটি অঞ্চল হওয়ায় বিদেশি গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বেশ সীমিত। এর আগে ২০২৩ সালে চীনের গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি, দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধস, বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত অঞ্চলে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ ছিলেন। এদিকে, দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধস, বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত ও নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটে। এ অঞ্চলে বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে।