ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউরোপে ভুয়া বোমা হামলার হুমকিতে ব্যাহত ৩০ ফ্লাইট জামালগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২ রাজধানীর ক্লিনিকে ইনকিউবেটরের আগুনে নবজাতকের শরীর ঝলসে যাওয়ার অভিযোগ দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার যেকোনো মূল্যে রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী রান্নার অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে সিসার ঝুঁকি: মিলছে না সমাধান সেবায় রূপান্তরই মূল লক্ষ্য, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় ফ্লাই দুবাইয়ের দুই রুটে ফ্লাইট স্থগিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে বায়োফার্মার এমডির সৌজন্য সাক্ষাৎ ওয়েলিংটনে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের জয় ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তারেকের জামিন বাতিল, গ্রেফতারি পরোয়ানা

  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৭
  • / 302
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন বাতিল করে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার এ পরোয়ানা জারি করেন।

এ মামলায় গত ১২ জানুয়ারি আদালত খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সব আসামিকে আজ  (বৃহস্পতিবার) হাজিরের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে বলেছিলেন, আসামিরা হাজির না হলে তাদের জামিন বাতিল করা হবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আজ আসামিদের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দেয়া কথা ছিল।

কিন্তু হরতালের কারণে খালেদা জিয়া আদালতে আসতে পারেননি জানিয়ে তার পক্ষের আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান, মোহাম্মদ আলী, সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ সময় আবেদন করেন।

খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করে আদালত আগামী ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় পরবর্তী দিন ধার্য করেন। ওইদিন হাজির না হলে খালেদার জামিন বাতিল করা হবে।

একই মামলায় তারেক রহমান উপস্থিত না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপনে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। পরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, তার তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তারেকের জামিন বাতিল, গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৭

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন বাতিল করে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার এ পরোয়ানা জারি করেন।

এ মামলায় গত ১২ জানুয়ারি আদালত খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সব আসামিকে আজ  (বৃহস্পতিবার) হাজিরের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে বলেছিলেন, আসামিরা হাজির না হলে তাদের জামিন বাতিল করা হবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আজ আসামিদের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দেয়া কথা ছিল।

কিন্তু হরতালের কারণে খালেদা জিয়া আদালতে আসতে পারেননি জানিয়ে তার পক্ষের আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান, মোহাম্মদ আলী, সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ সময় আবেদন করেন।

খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করে আদালত আগামী ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় পরবর্তী দিন ধার্য করেন। ওইদিন হাজির না হলে খালেদার জামিন বাতিল করা হবে।

একই মামলায় তারেক রহমান উপস্থিত না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপনে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। পরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, তার তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।