ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ইউনেস্কোর ‘বিপন্ন’ তালিকা থেকে রক্ষা পেল

  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / 19
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বড় পর্যটন আকর্ষণ গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ জাতিসংঘের ‘ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আপাতত রক্ষা পেয়েছে। তবে, প্রবাল প্রাচীরের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ব্যাপক প্রবাল ব্লিচিং নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনেস্কো।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল বরাবর বিস্তৃত ২,৩০০ কিলোমিটার (১,৪২৬ মাইল) দীর্ঘ এই প্রবালপ্রাচীরের বিশ্ব ঐতিহ্য মর্যাদা বজায় রাখার বিষয়ে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো)-র খসড়া সিদ্ধান্তকে শনিবার ক্যানবেরা স্বাগত জানিয়েছে।

২০২১ সাল থেকে ইউনেস্কো প্রতিবছর এই প্রবাল প্রাচীর পর্যবেক্ষণ করছে। ওই বছর তারা সতর্ক করেছিল যে এটি ভবিষ্যতে ‘ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
জাতিসংঘের সংস্থাটি শুক্রবার প্যারিসে প্রকাশিত খসড়া প্রতিবেদনে জানায়, অস্ট্রেলিয়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পানির গুণমান উন্নয়ন, টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং ভূমি পরিষ্কার নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তবে, ২০২৪-২৫ সালে প্রবাল প্রাচীর জুড়ে শক্ত প্রবালের আচ্ছাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। উচ্চ সমুদ্র তাপমাত্রার কারণে ২০১৬ সালের পর এটি ষষ্ঠ বড় প্রবাল ব্লিচিং ঘটনার শিকার হয়েছে।

এছাড়া, চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়া, ভূমি থেকে দূষিত পানির প্রবাহ, উপকূলীয় উন্নয়ন এবং ‘ক্রাউন-অফ-থর্নস’ নামের স্টারফিশের আক্রমণও এই প্রবাল প্রাচীরের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।

ইউনেস্কো বলেছে, ‘প্রবাল প্রাচীরের সহনশীলতা এখনো দৃশ্যমান হলেও, এমন পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধার ও টিকে থাকার সক্ষমতা ক্রমশ কমে যাচ্ছে এবং এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়।’
অস্ট্রেলিয়া গত বছর পরিবেশ আইন কঠোর করে প্রবাল অঞ্চলে বনভূমি উজাড় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে। তবে ইউনেস্কো আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, বিশেষ করে ড্রেজিং এবং অতিরিক্ত মাছ ধরার ক্ষেত্রে।

অস্ট্রেলিয়ান মেরিন কনজারভেশন সোসাইটির ক্যাম্পেইন ম্যানেজার লিসা শিন্ডলার বলেন, এখনো বড় ঘাটতি রয়ে গেছে।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি প্রতি বছর অর্থনীতিতে ৯ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৬.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) অবদান রাখে এবং প্রায় ৭৭,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এটিকে রক্ষা করার জন্য আমাদের আরও কিছু করতে হবে। তাই, এটি রক্ষায় ইউনেস্কো না বললেও আরও পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

অস্ট্রেলিয়াকে ২০২৮ সালে আবারও অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ইউনেস্কোর ‘বিপন্ন’ তালিকা থেকে রক্ষা পেল

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বড় পর্যটন আকর্ষণ গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ জাতিসংঘের ‘ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আপাতত রক্ষা পেয়েছে। তবে, প্রবাল প্রাচীরের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ব্যাপক প্রবাল ব্লিচিং নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনেস্কো।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল বরাবর বিস্তৃত ২,৩০০ কিলোমিটার (১,৪২৬ মাইল) দীর্ঘ এই প্রবালপ্রাচীরের বিশ্ব ঐতিহ্য মর্যাদা বজায় রাখার বিষয়ে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো)-র খসড়া সিদ্ধান্তকে শনিবার ক্যানবেরা স্বাগত জানিয়েছে।

২০২১ সাল থেকে ইউনেস্কো প্রতিবছর এই প্রবাল প্রাচীর পর্যবেক্ষণ করছে। ওই বছর তারা সতর্ক করেছিল যে এটি ভবিষ্যতে ‘ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
জাতিসংঘের সংস্থাটি শুক্রবার প্যারিসে প্রকাশিত খসড়া প্রতিবেদনে জানায়, অস্ট্রেলিয়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পানির গুণমান উন্নয়ন, টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং ভূমি পরিষ্কার নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তবে, ২০২৪-২৫ সালে প্রবাল প্রাচীর জুড়ে শক্ত প্রবালের আচ্ছাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। উচ্চ সমুদ্র তাপমাত্রার কারণে ২০১৬ সালের পর এটি ষষ্ঠ বড় প্রবাল ব্লিচিং ঘটনার শিকার হয়েছে।

এছাড়া, চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়া, ভূমি থেকে দূষিত পানির প্রবাহ, উপকূলীয় উন্নয়ন এবং ‘ক্রাউন-অফ-থর্নস’ নামের স্টারফিশের আক্রমণও এই প্রবাল প্রাচীরের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।

ইউনেস্কো বলেছে, ‘প্রবাল প্রাচীরের সহনশীলতা এখনো দৃশ্যমান হলেও, এমন পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধার ও টিকে থাকার সক্ষমতা ক্রমশ কমে যাচ্ছে এবং এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়।’
অস্ট্রেলিয়া গত বছর পরিবেশ আইন কঠোর করে প্রবাল অঞ্চলে বনভূমি উজাড় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে। তবে ইউনেস্কো আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, বিশেষ করে ড্রেজিং এবং অতিরিক্ত মাছ ধরার ক্ষেত্রে।

অস্ট্রেলিয়ান মেরিন কনজারভেশন সোসাইটির ক্যাম্পেইন ম্যানেজার লিসা শিন্ডলার বলেন, এখনো বড় ঘাটতি রয়ে গেছে।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি প্রতি বছর অর্থনীতিতে ৯ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৬.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) অবদান রাখে এবং প্রায় ৭৭,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এটিকে রক্ষা করার জন্য আমাদের আরও কিছু করতে হবে। তাই, এটি রক্ষায় ইউনেস্কো না বললেও আরও পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

অস্ট্রেলিয়াকে ২০২৮ সালে আবারও অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস