ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ দেশে সার উৎপাদন বাড়াতে তিনটি নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা চ্যালেঞ্জের মুখেও এমিরেটস গ্রুপের ১.১ বিলিয়ন ডলার মুনাফা নেতানিয়াহুর চেয়ে জনপ্রিয় জোহরান মামদানি, বলছে জিবিএওর জরিপ ইরানের ওপর নতুন সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুটানকে হারিয়ে জয় দিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের সাঁথিয়ায় ভাগ্নিকে নিরাপত্তা ঘটনায়: মামা আটক

কক্সবাজার ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে নিয়ে যান-পিপলস ফোরামের স্মারকলিপি

  • আপডেট সময় : ১২:১৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭
  • / 272
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ কক্সবাজার জেলা ব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নতুন ও পুরাতন রোহিঙ্গাদের উখিয়া-টেকনাফে সরকার নির্ধারিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে বায়োমেট্ট্রিকের আওতায় তালিকাভূক্ত করার দাবীতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ১৭ অক্টোবর দুপুরে কক্সবাজার পিপলস ফোরামের সভাপতি দৈনিক রূপালী সৈকতের সম্পাদক ফজলুল কাদের চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক দৈনিক সকালের কক্সবাজারের সম্পাদক ফরহাদ ইকবালের নেতৃত্বে এই স্মারকলিপি দেয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সকালের কক্সবাজারের নির্বাহী সম্পাদক মহসীন শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়েস কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী এম ইব্রাহিম খলিল মামুন, বন ও পরিবেশ সংরক্ষন পরিষদের সভাপতি মাসুদউর রহমান, প্রচার সম্পাদক দৈনিক কক্সবাজার ৭১ এর নির্বাহী সম্পাদক এইচএম নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক দৈনিক দৈনন্দিনের পরিচালনা সম্পাদক শফিউল আলম, শিক্ষক নেতা মুজিবুল হক প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মিয়ানমার সরকারের নজিরবিহীন নির্যাতন, খুন, ধর্ষন ইত্যাদির কারণে মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গারা দীর্ঘ দিন ধরে বাংলাদেশে এসে কিছু ক্যাম্পে এবং অনেকেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় স্থায়ী ও অস্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছেন। অনেক প্রভাবশালী তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে এবং আশ্রয় দিচ্ছে। এতে স্থানীয়রা কর্মসংস্থান থেকে যেমন বঞ্চিত হচ্ছে তেমনিই আইনশৃঙ্খলারও চরম অবনতি হচ্ছে। জেলায় চুরি, ডাকাতি, খুন, পাহাড় কাটা, গাছকাটা, অস্ত্র ও মাদক সরবরাহসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে এসব রোহিঙ্গারা। এর প্রেক্ষিতে পুরাত ন ও নতুন আসা সকল রোহিঙ্গাদের একই স্থানে ক্যাম্পে নিয়ে আসা জরুরী হয়ে পড়ছে। তাদেরও বায়োমেট্ট্রিকের আওতায় এনে তালিকাভূক্ত করা প্রয়োজন।

এই সময় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। এটি আমাদের কর্ম পরিধিরও আওতাভূক্ত। যত দ্রুত সম্ভব তাদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে গিয়ে বায়োমেট্ট্রিকের আওতাভূক্ত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজার ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে নিয়ে যান-পিপলস ফোরামের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ১২:১৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ কক্সবাজার জেলা ব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নতুন ও পুরাতন রোহিঙ্গাদের উখিয়া-টেকনাফে সরকার নির্ধারিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে বায়োমেট্ট্রিকের আওতায় তালিকাভূক্ত করার দাবীতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ১৭ অক্টোবর দুপুরে কক্সবাজার পিপলস ফোরামের সভাপতি দৈনিক রূপালী সৈকতের সম্পাদক ফজলুল কাদের চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক দৈনিক সকালের কক্সবাজারের সম্পাদক ফরহাদ ইকবালের নেতৃত্বে এই স্মারকলিপি দেয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সকালের কক্সবাজারের নির্বাহী সম্পাদক মহসীন শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়েস কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী এম ইব্রাহিম খলিল মামুন, বন ও পরিবেশ সংরক্ষন পরিষদের সভাপতি মাসুদউর রহমান, প্রচার সম্পাদক দৈনিক কক্সবাজার ৭১ এর নির্বাহী সম্পাদক এইচএম নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক দৈনিক দৈনন্দিনের পরিচালনা সম্পাদক শফিউল আলম, শিক্ষক নেতা মুজিবুল হক প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মিয়ানমার সরকারের নজিরবিহীন নির্যাতন, খুন, ধর্ষন ইত্যাদির কারণে মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গারা দীর্ঘ দিন ধরে বাংলাদেশে এসে কিছু ক্যাম্পে এবং অনেকেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় স্থায়ী ও অস্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছেন। অনেক প্রভাবশালী তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে এবং আশ্রয় দিচ্ছে। এতে স্থানীয়রা কর্মসংস্থান থেকে যেমন বঞ্চিত হচ্ছে তেমনিই আইনশৃঙ্খলারও চরম অবনতি হচ্ছে। জেলায় চুরি, ডাকাতি, খুন, পাহাড় কাটা, গাছকাটা, অস্ত্র ও মাদক সরবরাহসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে এসব রোহিঙ্গারা। এর প্রেক্ষিতে পুরাত ন ও নতুন আসা সকল রোহিঙ্গাদের একই স্থানে ক্যাম্পে নিয়ে আসা জরুরী হয়ে পড়ছে। তাদেরও বায়োমেট্ট্রিকের আওতায় এনে তালিকাভূক্ত করা প্রয়োজন।

এই সময় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। এটি আমাদের কর্ম পরিধিরও আওতাভূক্ত। যত দ্রুত সম্ভব তাদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে গিয়ে বায়োমেট্ট্রিকের আওতাভূক্ত করা।