ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেন আন্দোলনে পোশাকশ্রমিকরা, কী তাদের প্রধান দাবি? বরিশালে ৬ রুটে বাস চলাচল বন্ধ: চরম ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা আন্দোলনের নামে সহিংসতায় ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার শপথ নেবেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান গাজীপুরে ন্যূনতম মজুরির দাবিতে চতুর্থ দিনেও শ্রমিকদের বিক্ষোভ ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’: চেন্নাইয়ে ১১ ফ্লাইট বাতিল, জারি সতর্কতা রাজবাড়ীতে মানবপাচারের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দক্ষ জনশক্তি গড়ায় প্রযুক্তিশিক্ষার ওপর জোর দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক ফ্লোরিডায় ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহত ৯

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল পোশাকশিল্পাঞ্চল, বন্ধ ৫২৯ কারখানা

কেন আন্দোলনে পোশাকশ্রমিকরা, কী তাদের প্রধান দাবি?

  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডিসংবাদ

দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিকদের আন্দোলনে গত রোববার (১ নভেম্বর) দেশের অন্তত ৫২৯টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এতে প্রায় ৯ লাখ ৮৭ হাজার শ্রমিক কর্মস্থলে যেতে পারেননি বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালেও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। পল্লী বিদ্যুৎ, মৌচাক, কোনাবাড়ী, নলজানি ও লক্ষ্মীপুরা এলাকায় শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নেন। পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় কিছু এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। রাজধানীর মিরপুরেও শ্রমিকদের বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

কেন এই আন্দোলন?

শ্রমিকদের প্রধান দাবি মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ। বর্তমানে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা, যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর। শ্রমিকদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, যাতায়াত, চিকিৎসা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়লেও তাঁদের আয় সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে বর্তমান বেতনে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

মজুরি বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি রয়েছে। সেগুলো হলো—শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করার প্রথা বন্ধ এবং চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের পুনর্বহাল। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকদের অন্যায্যভাবে ছাঁটাই করা এবং কালো তালিকাভুক্ত করার ঘটনাও অসন্তোষ বাড়াচ্ছে।

আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে শিল্পাঞ্চলে

গত কয়েক দিনে মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন, কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রোববার কয়েকটি স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ১ নভেম্বর ঢাকা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৫২৯টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের পোশাকশিল্পাঞ্চলে একই ধরনের উৎপাদন বিঘ্নের খবর পাওয়া যায়নি।

মজুরি বোর্ড গঠন, আলোচনায় সরকার

শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে রোববার সরকার ছয় সদস্যের একটি নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে। এতে শ্রমিক, মালিক ও নিরপেক্ষ প্রতিনিধিরা রয়েছেন। বোর্ডের দায়িত্ব হবে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি কাঠামো পর্যালোচনা করে নতুন মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করা।

সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাক কারখানার মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, শ্রমিকদের দাবি নিয়ে আলোচনা এবং কারখানার উৎপাদন সচল রাখার বিষয়ে কথা হয়। সরকার শ্রমিকদের আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায় এবং কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংকটে দেশের রপ্তানি খাত

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাকশিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন এবং দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এ শিল্প থেকে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী শ্রমিক অসন্তোষ ও কারখানা বন্ধ থাকলে উৎপাদন, রপ্তানি চালান এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে সময়মতো পণ্য সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

অন্যদিকে, পোশাকশিল্প মালিকদের বক্তব্য, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট ও রপ্তানি আদেশের অনিশ্চয়তার কারণে শিল্পটি চাপের মধ্যে রয়েছে। তাই নতুন মজুরি নির্ধারণে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং শিল্পের সক্ষমতা—দুই বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলছেন তাঁরা।

সব মিলিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত সচল রাখার চ্যালেঞ্জ—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই এখন সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা। নতুন মজুরি বোর্ডের সুপারিশ এবং শ্রমিক-মালিক আলোচনার মধ্য দিয়ে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই।

তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি স্টার · বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) · জাগো নিউজ · রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল পোশাকশিল্পাঞ্চল, বন্ধ ৫২৯ কারখানা

কেন আন্দোলনে পোশাকশ্রমিকরা, কী তাদের প্রধান দাবি?

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডিসংবাদ

দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিকদের আন্দোলনে গত রোববার (১ নভেম্বর) দেশের অন্তত ৫২৯টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এতে প্রায় ৯ লাখ ৮৭ হাজার শ্রমিক কর্মস্থলে যেতে পারেননি বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালেও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। পল্লী বিদ্যুৎ, মৌচাক, কোনাবাড়ী, নলজানি ও লক্ষ্মীপুরা এলাকায় শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নেন। পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় কিছু এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। রাজধানীর মিরপুরেও শ্রমিকদের বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

কেন এই আন্দোলন?

শ্রমিকদের প্রধান দাবি মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ। বর্তমানে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা, যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর। শ্রমিকদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, যাতায়াত, চিকিৎসা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়লেও তাঁদের আয় সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে বর্তমান বেতনে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

মজুরি বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি রয়েছে। সেগুলো হলো—শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করার প্রথা বন্ধ এবং চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের পুনর্বহাল। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকদের অন্যায্যভাবে ছাঁটাই করা এবং কালো তালিকাভুক্ত করার ঘটনাও অসন্তোষ বাড়াচ্ছে।

আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে শিল্পাঞ্চলে

গত কয়েক দিনে মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন, কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রোববার কয়েকটি স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ১ নভেম্বর ঢাকা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৫২৯টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের পোশাকশিল্পাঞ্চলে একই ধরনের উৎপাদন বিঘ্নের খবর পাওয়া যায়নি।

মজুরি বোর্ড গঠন, আলোচনায় সরকার

শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে রোববার সরকার ছয় সদস্যের একটি নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে। এতে শ্রমিক, মালিক ও নিরপেক্ষ প্রতিনিধিরা রয়েছেন। বোর্ডের দায়িত্ব হবে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি কাঠামো পর্যালোচনা করে নতুন মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করা।

সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাক কারখানার মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, শ্রমিকদের দাবি নিয়ে আলোচনা এবং কারখানার উৎপাদন সচল রাখার বিষয়ে কথা হয়। সরকার শ্রমিকদের আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায় এবং কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংকটে দেশের রপ্তানি খাত

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাকশিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন এবং দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এ শিল্প থেকে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী শ্রমিক অসন্তোষ ও কারখানা বন্ধ থাকলে উৎপাদন, রপ্তানি চালান এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে সময়মতো পণ্য সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

অন্যদিকে, পোশাকশিল্প মালিকদের বক্তব্য, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট ও রপ্তানি আদেশের অনিশ্চয়তার কারণে শিল্পটি চাপের মধ্যে রয়েছে। তাই নতুন মজুরি নির্ধারণে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং শিল্পের সক্ষমতা—দুই বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলছেন তাঁরা।

সব মিলিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত সচল রাখার চ্যালেঞ্জ—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই এখন সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা। নতুন মজুরি বোর্ডের সুপারিশ এবং শ্রমিক-মালিক আলোচনার মধ্য দিয়ে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই।

তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি স্টার · বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) · জাগো নিউজ · রয়টার্স