ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআই দিয়ে মিথ্যা কনটেন্ট তৈরি ও ছড়ানোকে অপরাধ বললেন শাহজালালে ৪ কেজি কুশসহ ভারতীয় নাগরিক আটক অবিবাহিতদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি ও মৃত্যুর হার বেশি তথ্য ফাঁসকারীদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত: ট্রাম্প মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজে জড়িত দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ৪ জেলে কারাগারে নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭০ খাল উদ্ধারের দাবি

  • আপডেট সময় : ০৭:৫৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৭
  • / 623
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে ১৯৬৯ সালের ‘ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যানে’ থাকা চট্টগ্রাম নগরীর ৭০টি খাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে একটি নাগরিক সংগঠন।

শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানায় ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর নদী ও খাল উদ্ধার নাগরিক আন্দোলন’।
সংগঠনটির দাবি, ৭০টি খাল উদ্ধারের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে এগুলো ছয় থেকে সাত ফুট গভীরতায় খনন করে উভয় তীরে ইটের দেয়াল দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক আন্দোলনের কর্মী আলীউর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রাম শহরের ১৯৬৯ সালের ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান ও আরএস সিট অনুযায়ী খাল রয়েছে ৭০টি। আর এসব খালের মোট দৈর্ঘ্য হবে ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র কালুরঘাট ব্রিজ থেকে কর্ণফুলীর মোহনা পর্যন্ত ৩৪টি খাল নদীতে মিশেছে। এর মধ্যে ১২টি খালের দুই-তৃতীয়াংশ সম্পূর্ণভাবে বেদখল হয়ে আছে।

সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সবসময় নগরীর দৃশ্যমান ৩৪ বা ৩৭টি খাল বেদখল বা ভরাটের কথা বলে থাকে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বেদখল হয়ে যাওয়া খালগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ এবং ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী দখলদারদের উচ্ছেদ করে প্রকৃত অবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানায় এই নাগরিক আন্দোলন।
একইসাথে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে পলিথিনসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ জারির দাবি জানিয়েছে তারা।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের এক সমীক্ষার বরাত দিয়ে সংগঠনটি বলছে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে টানা দেড় ঘন্টা বৃষ্টিপাত হলেই ৩৮ দশমিক এক মিলিমিটার পানি ওঠে। বৃষ্টিতে পানির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪ কোটি ৫৮ লাখ ঘনফুট।

নগরীর ৩৭টি ছোট-বড় খালের পানি ধারণক্ষমতা ১০ কোটি ঘনফুট। বাড়তি চার কোটি ৫৮ লাখ ঘনফুট পানি নিয়েই নগরের জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।

এসব পানি যথাযথ নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হলে জলাবদ্ধতা কমে আসবে উল্লেখ করে তারা বলছেন, এজন্য বেদখল হয়ে যাওয়া খাল পুনরুদ্ধারেরর পাশাপাশি কর্ণফুলী ও সাগরের মোহনায় খালের মুখে স্লুুইস গেইট বসাতে হবে।

জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য খাল রক্ষায় সংগঠনটি চট্টগ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে নগর পরিকল্পনাবিদ আলী আশরাফ, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭০ খাল উদ্ধারের দাবি

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে ১৯৬৯ সালের ‘ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যানে’ থাকা চট্টগ্রাম নগরীর ৭০টি খাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে একটি নাগরিক সংগঠন।

শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানায় ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর নদী ও খাল উদ্ধার নাগরিক আন্দোলন’।
সংগঠনটির দাবি, ৭০টি খাল উদ্ধারের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে এগুলো ছয় থেকে সাত ফুট গভীরতায় খনন করে উভয় তীরে ইটের দেয়াল দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক আন্দোলনের কর্মী আলীউর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রাম শহরের ১৯৬৯ সালের ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান ও আরএস সিট অনুযায়ী খাল রয়েছে ৭০টি। আর এসব খালের মোট দৈর্ঘ্য হবে ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র কালুরঘাট ব্রিজ থেকে কর্ণফুলীর মোহনা পর্যন্ত ৩৪টি খাল নদীতে মিশেছে। এর মধ্যে ১২টি খালের দুই-তৃতীয়াংশ সম্পূর্ণভাবে বেদখল হয়ে আছে।

সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সবসময় নগরীর দৃশ্যমান ৩৪ বা ৩৭টি খাল বেদখল বা ভরাটের কথা বলে থাকে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বেদখল হয়ে যাওয়া খালগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ এবং ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী দখলদারদের উচ্ছেদ করে প্রকৃত অবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানায় এই নাগরিক আন্দোলন।
একইসাথে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে পলিথিনসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ জারির দাবি জানিয়েছে তারা।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের এক সমীক্ষার বরাত দিয়ে সংগঠনটি বলছে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে টানা দেড় ঘন্টা বৃষ্টিপাত হলেই ৩৮ দশমিক এক মিলিমিটার পানি ওঠে। বৃষ্টিতে পানির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪ কোটি ৫৮ লাখ ঘনফুট।

নগরীর ৩৭টি ছোট-বড় খালের পানি ধারণক্ষমতা ১০ কোটি ঘনফুট। বাড়তি চার কোটি ৫৮ লাখ ঘনফুট পানি নিয়েই নগরের জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।

এসব পানি যথাযথ নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হলে জলাবদ্ধতা কমে আসবে উল্লেখ করে তারা বলছেন, এজন্য বেদখল হয়ে যাওয়া খাল পুনরুদ্ধারেরর পাশাপাশি কর্ণফুলী ও সাগরের মোহনায় খালের মুখে স্লুুইস গেইট বসাতে হবে।

জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য খাল রক্ষায় সংগঠনটি চট্টগ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে নগর পরিকল্পনাবিদ আলী আশরাফ, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া উপস্থিত ছিলেন।