ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

টি-২০ থেকে অবসর নিতে বাধ্য করা হবে কোহলিকে!

  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / 293
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

টি-২০ বিশ্বকাপের পরেই কি সেই ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে বাধ্য করা হবে ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে? ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্মকর্তার সাম্প্রতিক মন্তব্যে এমনই জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরেই দল একটা রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে যাবে। দলে যেমন নতুন ক্রিকেটার আসবে, তেমনই অভিজ্ঞ কিছু ক্রিকেটারকে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেয়ার পরামর্শ দেয়া হতে পারে। ওই তালিকায় কোহলির পাশাপাশি রয়েছেন রবীন্দ্র জাডেজাও। জাডেজা এমনিতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন। ফলে এই ফরম্যাটে আর কোনো দিন ভারতের হয়ে তাকে খেলতে দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্ন ওঠছে।

বোর্ড চায়, দলের সেরা কিছু ক্রিকেটারকে টেস্ট এবং এক দিনের ক্রিকেটের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে। কোহলি যাতে ২০২৩-এ এক দিনের বিশ্বকাপ খেলতে পারেন, তার সব রকম চেষ্টা করা হবে। ওই কারণেই টেস্টের পাশাপাশি তাকে এক দিনের ক্রিকেটে মনোযোগ দেয়ার কথা বলা হতে পারে। অনুরোধ করা হতে পারে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেয়ার। কারণ অদূর ভবিষ্যতে বড় মাপের কোনো টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা নেই।

এক ওয়েবসাইটে বোর্ডকর্তা বলেছেন, ‘এটা নতুন কোনো ব্যাপার নয়। প্রতিটি বড় প্রতিযোগিতার পরেই একটা বদল আসে। গত বছর বিশ্বকাপের পরেই মোহম্মদ শামিকে বলা হয়েছিল দু’টি ফরম্যাটে নজর দিতে। বিরাটের বয়স কমছে না। যে সংখ্যক ম্যাচ ভারত খেলে, তাতে ওর ওয়ার্কলোড নিয়ে আমাদের মনোযোগ দিতেই হবে। আমাদের মতে, একটা বদল দরকার। জাডেজাকে দেখুন, বার বার চোট পাচ্ছে। বিশ্বকাপ হয়ে যাক, এর পর দলে বদল নিয়ে আমরা ভাবনাচিন্তা করব।’

কোহলি নিজে তিন ফরম্যাটে খেলতে চান। এখনো কোনো ফরম্যাট থেকে অবসর নেয়ার ইঙ্গিত দেননি। তবে আধুনিক সময়ে অনেক ক্রিকেটারই রয়েছেন, যারা কোনো একটি ফরম্যাট থেকে অবসর নিচ্ছেন। সাম্প্রতিকতম উদাহরণ বেন স্টোকস, যিনি আর এক দিনের ক্রিকেট খেলবেন না ঠিক করেছেন। কোহলিকে অনুরোধ করা হলেও রোহিতকে এখনই কিছু বলা হবে না। কারণ, তিনি তিন ফরম্যাটেই অধিনায়ক।

বোর্ডকর্তার বক্তব্য, ‘রোহিত অধিনায়ক হওয়ার পরেই ওকে বলে দেয়া হয়েছিল যে ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ও অধিনায়ক। তার পর আলোচনা হতে পারে। এটা মাথায় রাখতে হবে যে ওর বয়স ৩৬ হয়ে গেছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পাশাপাশি ভারতকে তিন ফরম্যাটে নেতৃত্ব দেয়া ওর পক্ষেও কঠিন। কোহলি এখনো অবসরের ব্যাপারে কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। কিন্তু কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আমাদের কঠোর হতে হবে।’

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টি-২০ থেকে অবসর নিতে বাধ্য করা হবে কোহলিকে!

আপডেট সময় : ০৩:০৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

টি-২০ বিশ্বকাপের পরেই কি সেই ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে বাধ্য করা হবে ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে? ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্মকর্তার সাম্প্রতিক মন্তব্যে এমনই জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরেই দল একটা রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে যাবে। দলে যেমন নতুন ক্রিকেটার আসবে, তেমনই অভিজ্ঞ কিছু ক্রিকেটারকে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেয়ার পরামর্শ দেয়া হতে পারে। ওই তালিকায় কোহলির পাশাপাশি রয়েছেন রবীন্দ্র জাডেজাও। জাডেজা এমনিতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন। ফলে এই ফরম্যাটে আর কোনো দিন ভারতের হয়ে তাকে খেলতে দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্ন ওঠছে।

বোর্ড চায়, দলের সেরা কিছু ক্রিকেটারকে টেস্ট এবং এক দিনের ক্রিকেটের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে। কোহলি যাতে ২০২৩-এ এক দিনের বিশ্বকাপ খেলতে পারেন, তার সব রকম চেষ্টা করা হবে। ওই কারণেই টেস্টের পাশাপাশি তাকে এক দিনের ক্রিকেটে মনোযোগ দেয়ার কথা বলা হতে পারে। অনুরোধ করা হতে পারে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেয়ার। কারণ অদূর ভবিষ্যতে বড় মাপের কোনো টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা নেই।

এক ওয়েবসাইটে বোর্ডকর্তা বলেছেন, ‘এটা নতুন কোনো ব্যাপার নয়। প্রতিটি বড় প্রতিযোগিতার পরেই একটা বদল আসে। গত বছর বিশ্বকাপের পরেই মোহম্মদ শামিকে বলা হয়েছিল দু’টি ফরম্যাটে নজর দিতে। বিরাটের বয়স কমছে না। যে সংখ্যক ম্যাচ ভারত খেলে, তাতে ওর ওয়ার্কলোড নিয়ে আমাদের মনোযোগ দিতেই হবে। আমাদের মতে, একটা বদল দরকার। জাডেজাকে দেখুন, বার বার চোট পাচ্ছে। বিশ্বকাপ হয়ে যাক, এর পর দলে বদল নিয়ে আমরা ভাবনাচিন্তা করব।’

কোহলি নিজে তিন ফরম্যাটে খেলতে চান। এখনো কোনো ফরম্যাট থেকে অবসর নেয়ার ইঙ্গিত দেননি। তবে আধুনিক সময়ে অনেক ক্রিকেটারই রয়েছেন, যারা কোনো একটি ফরম্যাট থেকে অবসর নিচ্ছেন। সাম্প্রতিকতম উদাহরণ বেন স্টোকস, যিনি আর এক দিনের ক্রিকেট খেলবেন না ঠিক করেছেন। কোহলিকে অনুরোধ করা হলেও রোহিতকে এখনই কিছু বলা হবে না। কারণ, তিনি তিন ফরম্যাটেই অধিনায়ক।

বোর্ডকর্তার বক্তব্য, ‘রোহিত অধিনায়ক হওয়ার পরেই ওকে বলে দেয়া হয়েছিল যে ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ও অধিনায়ক। তার পর আলোচনা হতে পারে। এটা মাথায় রাখতে হবে যে ওর বয়স ৩৬ হয়ে গেছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পাশাপাশি ভারতকে তিন ফরম্যাটে নেতৃত্ব দেয়া ওর পক্ষেও কঠিন। কোহলি এখনো অবসরের ব্যাপারে কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। কিন্তু কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আমাদের কঠোর হতে হবে।’

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

বিডিসংবাদ/এএইচএস