ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আপা আসার সুযোগ নেই, এলেও ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত: নাহিদ ইসলাম গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা থামাতে চাইছে বিদেশের অপশক্তি: রুহুল কবির রিজভী মুম্বাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট সূচি থেকে বাদ পশ্চিম এশিয়ার ১২ এয়ারলাইনস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের ৭ বাংলাদেশি নিহত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাওহিদ হৃদয়ের রেকর্ডময় ডাবল সেঞ্চুরিতে লিড শ্রীপুরে আলোচনা সভা: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ইরানের পরমাণু তথ্য দিলে ২ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সংকটে চীনের তিন শীর্ষ উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা জামালপুরে ট্রাকচাপায় এক পরিবারের তিন সদস্যসহ নিহত ৪

ডলারের অভিন্ন দাম : রেমিট্যান্সের জন্য সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা ও রফতানি আয়ের জন্য ৯৯ টাকা

  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / 247
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের পর এবার অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) মার্কিন ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অভিন্ন দাম ঘোষণা করেছে।

ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্সের জন্য ডলারের বিনিময় হার সোমবার থেকে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা হবে। আর রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ব্যবসায়ীরা পাবেন সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা। আর আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স ও রফতানির বিনিময় হারের গড় নির্ধারণ করে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হবে।

বাফেদার চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আফজাল করিম রোববার এবিবি নেতৃবৃন্দের সাথে এক বৈঠকের পর ডলারের অভিন্ন দাম ঘোষণা করেন।

প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিনের ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার আবার অস্থির হয়ে উঠেছে।

রোববার মার্কিন ডলার খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১৪ থেকে ১১৪ দশমিক ৫ টাকায়, যেখানে ব্যাংকগুলো এলসির জন্য ডলার বিক্রি করেছে ১০১ থেকে ১০৬ টাকায়। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক ৯৫ টাকায় ডলার বিক্রি করেছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অর্থনৈতিক গোয়েন্দারা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অবৈধ ডলারের স্টক থেকে মুনাফা অর্জনের জন্য একটি সিন্ডিকেট আবারো বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা ও গুলশান এলাকায় প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকায়।

আমদানি পর্যায়ে প্রতি ডলার ১০১ থেকে ১০৬ টাকা নিচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। আর নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৬ থেকে ১০৮ টাকায়।

এর আগে চলতি বছরের ১০ ও ১১ আগস্ট খোলা বাজারে ডলারের দর ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

মানি এক্সচেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ কে এম ইসমাইল হক বলেন, ‘দাম খুব একটা বাড়েনি। রোববার আমরা ডলার কিনছি ১০৬ টাকায় এবং বিক্রি করছি ১০৭ দশমিক ৫।’

১১৩ টাকা থেকে ১১৪ টাকায় বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা মানুষ বেশি দামে ডলার বিক্রি করেন না।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডলারের দাম নির্ধারণ করবে ব্যাংকগুলো। রেমিট্যান্স, রফতানি আয় ও আমদানি বিল নিষ্পত্তিসহ প্রতিটি লেনদেনে ডলারের দাম আলাদা হবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো বিভিন্ন সেগমেন্টে একই দামে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করবে। আর প্রতি ডলারে ট্রেডিংয়ে সর্বোচ্চ লাভ হবে এক টাকা।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ডলারের অভিন্ন দাম : রেমিট্যান্সের জন্য সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা ও রফতানি আয়ের জন্য ৯৯ টাকা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের পর এবার অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) মার্কিন ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অভিন্ন দাম ঘোষণা করেছে।

ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্সের জন্য ডলারের বিনিময় হার সোমবার থেকে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা হবে। আর রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ব্যবসায়ীরা পাবেন সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা। আর আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স ও রফতানির বিনিময় হারের গড় নির্ধারণ করে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হবে।

বাফেদার চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আফজাল করিম রোববার এবিবি নেতৃবৃন্দের সাথে এক বৈঠকের পর ডলারের অভিন্ন দাম ঘোষণা করেন।

প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিনের ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার আবার অস্থির হয়ে উঠেছে।

রোববার মার্কিন ডলার খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১৪ থেকে ১১৪ দশমিক ৫ টাকায়, যেখানে ব্যাংকগুলো এলসির জন্য ডলার বিক্রি করেছে ১০১ থেকে ১০৬ টাকায়। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক ৯৫ টাকায় ডলার বিক্রি করেছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অর্থনৈতিক গোয়েন্দারা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অবৈধ ডলারের স্টক থেকে মুনাফা অর্জনের জন্য একটি সিন্ডিকেট আবারো বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা ও গুলশান এলাকায় প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকায়।

আমদানি পর্যায়ে প্রতি ডলার ১০১ থেকে ১০৬ টাকা নিচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। আর নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৬ থেকে ১০৮ টাকায়।

এর আগে চলতি বছরের ১০ ও ১১ আগস্ট খোলা বাজারে ডলারের দর ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

মানি এক্সচেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ কে এম ইসমাইল হক বলেন, ‘দাম খুব একটা বাড়েনি। রোববার আমরা ডলার কিনছি ১০৬ টাকায় এবং বিক্রি করছি ১০৭ দশমিক ৫।’

১১৩ টাকা থেকে ১১৪ টাকায় বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা মানুষ বেশি দামে ডলার বিক্রি করেন না।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডলারের দাম নির্ধারণ করবে ব্যাংকগুলো। রেমিট্যান্স, রফতানি আয় ও আমদানি বিল নিষ্পত্তিসহ প্রতিটি লেনদেনে ডলারের দাম আলাদা হবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো বিভিন্ন সেগমেন্টে একই দামে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করবে। আর প্রতি ডলারে ট্রেডিংয়ে সর্বোচ্চ লাভ হবে এক টাকা।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস