ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

ডলারের অভিন্ন দাম : রেমিট্যান্সের জন্য সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা ও রফতানি আয়ের জন্য ৯৯ টাকা

  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / 221
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের পর এবার অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) মার্কিন ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অভিন্ন দাম ঘোষণা করেছে।

ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্সের জন্য ডলারের বিনিময় হার সোমবার থেকে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা হবে। আর রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ব্যবসায়ীরা পাবেন সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা। আর আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স ও রফতানির বিনিময় হারের গড় নির্ধারণ করে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হবে।

বাফেদার চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আফজাল করিম রোববার এবিবি নেতৃবৃন্দের সাথে এক বৈঠকের পর ডলারের অভিন্ন দাম ঘোষণা করেন।

প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিনের ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার আবার অস্থির হয়ে উঠেছে।

রোববার মার্কিন ডলার খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১৪ থেকে ১১৪ দশমিক ৫ টাকায়, যেখানে ব্যাংকগুলো এলসির জন্য ডলার বিক্রি করেছে ১০১ থেকে ১০৬ টাকায়। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক ৯৫ টাকায় ডলার বিক্রি করেছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অর্থনৈতিক গোয়েন্দারা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অবৈধ ডলারের স্টক থেকে মুনাফা অর্জনের জন্য একটি সিন্ডিকেট আবারো বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা ও গুলশান এলাকায় প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকায়।

আমদানি পর্যায়ে প্রতি ডলার ১০১ থেকে ১০৬ টাকা নিচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। আর নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৬ থেকে ১০৮ টাকায়।

এর আগে চলতি বছরের ১০ ও ১১ আগস্ট খোলা বাজারে ডলারের দর ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

মানি এক্সচেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ কে এম ইসমাইল হক বলেন, ‘দাম খুব একটা বাড়েনি। রোববার আমরা ডলার কিনছি ১০৬ টাকায় এবং বিক্রি করছি ১০৭ দশমিক ৫।’

১১৩ টাকা থেকে ১১৪ টাকায় বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা মানুষ বেশি দামে ডলার বিক্রি করেন না।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডলারের দাম নির্ধারণ করবে ব্যাংকগুলো। রেমিট্যান্স, রফতানি আয় ও আমদানি বিল নিষ্পত্তিসহ প্রতিটি লেনদেনে ডলারের দাম আলাদা হবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো বিভিন্ন সেগমেন্টে একই দামে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করবে। আর প্রতি ডলারে ট্রেডিংয়ে সর্বোচ্চ লাভ হবে এক টাকা।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ডলারের অভিন্ন দাম : রেমিট্যান্সের জন্য সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা ও রফতানি আয়ের জন্য ৯৯ টাকা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের পর এবার অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) মার্কিন ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অভিন্ন দাম ঘোষণা করেছে।

ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্সের জন্য ডলারের বিনিময় হার সোমবার থেকে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা হবে। আর রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ব্যবসায়ীরা পাবেন সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা। আর আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স ও রফতানির বিনিময় হারের গড় নির্ধারণ করে বিনিময় হার নির্ধারণ করা হবে।

বাফেদার চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আফজাল করিম রোববার এবিবি নেতৃবৃন্দের সাথে এক বৈঠকের পর ডলারের অভিন্ন দাম ঘোষণা করেন।

প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিনের ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার আবার অস্থির হয়ে উঠেছে।

রোববার মার্কিন ডলার খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১৪ থেকে ১১৪ দশমিক ৫ টাকায়, যেখানে ব্যাংকগুলো এলসির জন্য ডলার বিক্রি করেছে ১০১ থেকে ১০৬ টাকায়। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক ৯৫ টাকায় ডলার বিক্রি করেছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অর্থনৈতিক গোয়েন্দারা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অবৈধ ডলারের স্টক থেকে মুনাফা অর্জনের জন্য একটি সিন্ডিকেট আবারো বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা ও গুলশান এলাকায় প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকায়।

আমদানি পর্যায়ে প্রতি ডলার ১০১ থেকে ১০৬ টাকা নিচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। আর নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৬ থেকে ১০৮ টাকায়।

এর আগে চলতি বছরের ১০ ও ১১ আগস্ট খোলা বাজারে ডলারের দর ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

মানি এক্সচেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ কে এম ইসমাইল হক বলেন, ‘দাম খুব একটা বাড়েনি। রোববার আমরা ডলার কিনছি ১০৬ টাকায় এবং বিক্রি করছি ১০৭ দশমিক ৫।’

১১৩ টাকা থেকে ১১৪ টাকায় বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা মানুষ বেশি দামে ডলার বিক্রি করেন না।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডলারের দাম নির্ধারণ করবে ব্যাংকগুলো। রেমিট্যান্স, রফতানি আয় ও আমদানি বিল নিষ্পত্তিসহ প্রতিটি লেনদেনে ডলারের দাম আলাদা হবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো বিভিন্ন সেগমেন্টে একই দামে ডলার ক্রয়-বিক্রয় করবে। আর প্রতি ডলারে ট্রেডিংয়ে সর্বোচ্চ লাভ হবে এক টাকা।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস