ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গোল্ডেন বুটে অবদান রাখে?

  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • / 17
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

চলতি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি কার ঘরে যাচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনার শেষ নেই। তবে শিরোপার পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’-এর দিকেও। সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, হ্যারি কেইন কিংবা জুড বেলিংহ্যামদের মতো তারকাদের সামনে এখনো সুযোগ রয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি নিজের করে নেওয়ার। কারণ ফুটবল বিশ্বের নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও গোল্ডেন বুটের মূল লড়াইয়ে যোগ হয়।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে চলা এই টুর্নামেন্টের শেষ দুটি ম্যাচের আগে সাতজন খেলোয়াড় পাঁচ বা তার বেশি গোল করে রেসে টিকে আছেন। আগামী শনিবারের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। আর এর ঠিক পরের দিন রবিবারের মেগা ফাইনালে ট্রফির লড়াইয়ে নামবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।

বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী, আটটি করে গোল নিয়ে তালিকার যৌথ শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে এমবাপের চেয়ে একটি অ্যাসিস্ট বেশি থাকায় টাইব্রেকার নিয়মে আপাতত এগিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন জাদুকর মেসি। তাদের ঠিক পেছনেই সাত গোল নিয়ে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড, কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে তার দেশ বিদায় নেওয়ায় গোলসংখ্যা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই তার। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের গোলসংখ্যা ছয় এবং ফ্রান্সের দেম্বেলে ও স্পেনের ওইয়ারজাবাল করেছেন পাঁচটি করে গোল।

শনিবারের ম্যাচে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড তাদের সেরা একাদশ মাঠে নামাবে কি না, তার ওপর অনেকখানি নির্ভর করছে গোল্ডেন বুটের ভাগ্য। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অবশ্য তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোল দিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নজির কম নয়। এর আগে সাতজন গোল্ডেন বুট বিজয়ী এই ম্যাচে গোল করার গৌরব অর্জন করেছেন, যার মধ্যে চারজন ফুটবলার তো এই ম্যাচের গোলের কল্যাণেই পুরস্কারটি নিজের করে নিতে পেরেছিলেন।

২০১০ সালে জার্মানির থমাস মুলার, ১৯৯৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার ডাভর সুকের, ১৯৯০ সালে ইতালির সালভাতোরে শিলাচি এবং ১৯৩৮ সালে ব্রাজিলের লিওনিদাস এই তালিকার অন্যতম উদাহরণ, যাদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল সান্ত্বনার এই ম্যাচটি। এ ছাড়া পোল্যান্ডের গ্রেগর্জ লাতো, পর্তুগালের কিংবদন্তি ইউসেবিও এবং ফ্রান্সের জ্যঁ ফন্তেইনও এই ম্যাচে গোল করেছিলেন, তবে ওই গোলগুলো না পেলেও তারা নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়েই গোল্ডেন বুট জিততেন।

সূত্র: বিবিসি
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গোল্ডেন বুটে অবদান রাখে?

আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

চলতি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি কার ঘরে যাচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনার শেষ নেই। তবে শিরোপার পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’-এর দিকেও। সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, হ্যারি কেইন কিংবা জুড বেলিংহ্যামদের মতো তারকাদের সামনে এখনো সুযোগ রয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি নিজের করে নেওয়ার। কারণ ফুটবল বিশ্বের নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও গোল্ডেন বুটের মূল লড়াইয়ে যোগ হয়।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে চলা এই টুর্নামেন্টের শেষ দুটি ম্যাচের আগে সাতজন খেলোয়াড় পাঁচ বা তার বেশি গোল করে রেসে টিকে আছেন। আগামী শনিবারের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। আর এর ঠিক পরের দিন রবিবারের মেগা ফাইনালে ট্রফির লড়াইয়ে নামবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।

বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী, আটটি করে গোল নিয়ে তালিকার যৌথ শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে এমবাপের চেয়ে একটি অ্যাসিস্ট বেশি থাকায় টাইব্রেকার নিয়মে আপাতত এগিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন জাদুকর মেসি। তাদের ঠিক পেছনেই সাত গোল নিয়ে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড, কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে তার দেশ বিদায় নেওয়ায় গোলসংখ্যা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই তার। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের গোলসংখ্যা ছয় এবং ফ্রান্সের দেম্বেলে ও স্পেনের ওইয়ারজাবাল করেছেন পাঁচটি করে গোল।

শনিবারের ম্যাচে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড তাদের সেরা একাদশ মাঠে নামাবে কি না, তার ওপর অনেকখানি নির্ভর করছে গোল্ডেন বুটের ভাগ্য। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অবশ্য তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোল দিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নজির কম নয়। এর আগে সাতজন গোল্ডেন বুট বিজয়ী এই ম্যাচে গোল করার গৌরব অর্জন করেছেন, যার মধ্যে চারজন ফুটবলার তো এই ম্যাচের গোলের কল্যাণেই পুরস্কারটি নিজের করে নিতে পেরেছিলেন।

২০১০ সালে জার্মানির থমাস মুলার, ১৯৯৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার ডাভর সুকের, ১৯৯০ সালে ইতালির সালভাতোরে শিলাচি এবং ১৯৩৮ সালে ব্রাজিলের লিওনিদাস এই তালিকার অন্যতম উদাহরণ, যাদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল সান্ত্বনার এই ম্যাচটি। এ ছাড়া পোল্যান্ডের গ্রেগর্জ লাতো, পর্তুগালের কিংবদন্তি ইউসেবিও এবং ফ্রান্সের জ্যঁ ফন্তেইনও এই ম্যাচে গোল করেছিলেন, তবে ওই গোলগুলো না পেলেও তারা নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়েই গোল্ডেন বুট জিততেন।

সূত্র: বিবিসি
বিডিসংবাদ/এএইচএস