ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইনালে খেলতে না পারায় পুরো দল হতাশ : কেন

  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • / 11
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ার পর ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন বলেছেন, এই পরাজয়ে তিনিসহ সতীর্থ এবং সমর্থকরা সবাই গভীরভাবে হতাশ।

অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের শিরোপা জয়ের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালেন খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু লিওনেল মেসির অনুপ্রেরণায় ম্যাচে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা।

মেসির পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে লটারো মার্টিনেজ জয়সূচক গোলটি করেন।

ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেন ম্যাচ শেষে বিবিসিকে বলেন, “ছেলেদের জন্য খুব কষ্ট লাগছে, সবার জন্যই কষ্ট লাগছে- দল, কোচিং স্টাফ, সমর্থক- সবার জন্য।”

তিনি বলেন, “ম্যাচের বেশিরভাগ সময় আমরা ভালো খেলেছি। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর মনে হলো আমরা শুধু সেই লিড ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এই পর্যায়ে সেটা যথেষ্ট নয়। খুবই হতাশ লাগছে, কারণ এখানে পৌঁছাতে আমরা ভীষণ পরিশ্রম করেছি। ছেলেরা নিজেদের শেষ শক্তিটুকুও উজাড় করে দিয়েছে।

টুর্নামেন্টে ছয় গোল করা বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড বলেন, গর্ডনের গোলের পর আর্জেন্টিনার একের পর এক আক্রমণ সামাল দিতে হিমশিম খেয়েছে ইংল্যান্ড।

তিনি বলেন, “গোল করার পর হয়তো তারা আরও বেশি খেলোয়াড় নিয়ে আক্রমণে উঠেছিল, কিংবা আমরা একজনের বিপরীতে একজনকে সামাল দিতে পারিনি। এরপর একের পর এক আক্রমনে আমরা এলোমেলো হয়ে পড়েছিলাম। ছেলেরা নিজেদের শরীর দিয়ে শট আটকে দিয়েছে, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট ছিল না।”

কেন জানান, গর্ডনের গোলের পর শুধু রক্ষণ সামলানোর পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যাওয়ার পর দলের বার্তা ছিল আবার আক্রমণে যাওয়া এবং আরেকটি গোল করার চেষ্টা করা। কিন্তু তারা যখন দুই গোল করে ফেলল, তখন আমরা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গতি ও নিয়ন্ত্রণ কোনটাই আর ফিরে পাইনি।”
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফাইনালে খেলতে না পারায় পুরো দল হতাশ : কেন

আপডেট সময় : ০২:২৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ার পর ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন বলেছেন, এই পরাজয়ে তিনিসহ সতীর্থ এবং সমর্থকরা সবাই গভীরভাবে হতাশ।

অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের শিরোপা জয়ের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালেন খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু লিওনেল মেসির অনুপ্রেরণায় ম্যাচে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা।

মেসির পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে লটারো মার্টিনেজ জয়সূচক গোলটি করেন।

ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেন ম্যাচ শেষে বিবিসিকে বলেন, “ছেলেদের জন্য খুব কষ্ট লাগছে, সবার জন্যই কষ্ট লাগছে- দল, কোচিং স্টাফ, সমর্থক- সবার জন্য।”

তিনি বলেন, “ম্যাচের বেশিরভাগ সময় আমরা ভালো খেলেছি। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর মনে হলো আমরা শুধু সেই লিড ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এই পর্যায়ে সেটা যথেষ্ট নয়। খুবই হতাশ লাগছে, কারণ এখানে পৌঁছাতে আমরা ভীষণ পরিশ্রম করেছি। ছেলেরা নিজেদের শেষ শক্তিটুকুও উজাড় করে দিয়েছে।

টুর্নামেন্টে ছয় গোল করা বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড বলেন, গর্ডনের গোলের পর আর্জেন্টিনার একের পর এক আক্রমণ সামাল দিতে হিমশিম খেয়েছে ইংল্যান্ড।

তিনি বলেন, “গোল করার পর হয়তো তারা আরও বেশি খেলোয়াড় নিয়ে আক্রমণে উঠেছিল, কিংবা আমরা একজনের বিপরীতে একজনকে সামাল দিতে পারিনি। এরপর একের পর এক আক্রমনে আমরা এলোমেলো হয়ে পড়েছিলাম। ছেলেরা নিজেদের শরীর দিয়ে শট আটকে দিয়েছে, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট ছিল না।”

কেন জানান, গর্ডনের গোলের পর শুধু রক্ষণ সামলানোর পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যাওয়ার পর দলের বার্তা ছিল আবার আক্রমণে যাওয়া এবং আরেকটি গোল করার চেষ্টা করা। কিন্তু তারা যখন দুই গোল করে ফেলল, তখন আমরা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গতি ও নিয়ন্ত্রণ কোনটাই আর ফিরে পাইনি।”
বিডিসংবাদ/এএইচএস