ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভুটানকে হারিয়ে জয় দিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের সাঁথিয়ায় ভাগ্নিকে নিরাপত্তা ঘটনায়: মামা আটক ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলায় আহত আরও এক ভারতীয়র প্রয়াণ ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনায় ২৫ মাসে ২২৫ মৃত্যুর ঘটনা: অপরাধের স্বর্গরাজ্যে আতঙ্কিত জনজীবন শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যে বিএনপি নেতার ছেলেকে মৃত্যুর ঘটনায় বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যু

বিপরীত মেরুতে দাঁড়িয়ে মাহমুদউল্লাহ-লিটন দাস

  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 169
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

২০২৩ বিশ্বকাপে দারুণ করার পরও বছরের শুরুতে হঠাৎ রব উঠে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ওয়ানডে দল থেকে বাদ দিতে। কেউ কেউ তো বলছিল তিনি খেলছেন সিনিয়র কোটাতে। অবশ্য এমন মন্তব্যের কারণও ছিল। সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছিলো না তার।

বছরের প্রথম ওয়ানডেতে ৩৭ বলে ৩৭ রান করলেও পরের চার ম্যাচে ২০ বলে করেন ৬ রান। অবশেষে আফগানিস্তান সিরিজের শেষ ম্যাচে এসে হুশ ফেরে তার। এরপর যা করছেন, তা চোখের সামনেই সবার।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওই ম্যাচে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও আক্ষেপ নিয়ে ফেরেন ৯৮ বলে ৯৮ করে। সেই ক্ষুধা যেন মেটাচ্ছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। দল ভালো না করলেও প্রতি ম্যাচেই হেসেছে তার ব্যাট। এসেছে রান।

সিরিজের তিন ম্যাচেই তিনটা ফিফটি হাঁকিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। প্রথম ম্যাচে ৪৪ বলে ঠিক ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় ম্যাচে দলের প্রয়োজনে হাল ধরেন। ১১৫ রানে ৭ উইকেট হারানো দলকে দুই শ’ পার করেন ৯২ বলে ৬২ রানে।

তবে বৃহস্পতিবার আসল ঝড় তোলেন। সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ দল যখন ধবলধোলাই এড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে, তখন সবচেয়ে বড় ইনিংসটাই খেলেন মাহমুদউল্লাহ। ৬৩ বলে করেন ৮৪* রান।

সব মিলিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১৯৬ গড়ে ৯৮ দশমিক ৪৯ স্ট্রাইকরেটে ১৯৬ রান করেছেন প্রায় ৩৯ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহ। যেন বুড়ো হাড়ের ভেল্কি দেখাচ্ছেন তিনি।

অন্যদিকে ব্যতিক্রম লিটন দাস। সর্বশেষ আফগানিস্তান সিরিজ যদিও চোটের কারণে খেলা হয়নি তার, তবে এ বছরে যতগুলো ওয়ানডে খেলেছেন, কোনোটাতেই স্পর্শ করতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘর!

এ বছর তিনি পাঁচটি ওয়ানডে খেলেছেন। যেখানে তিনটিতেই মেরেছেন ডাক। বাকি দুই ম্যাচে একটিতে ২ এবং আরেকটিতে করেছেন ৪ রান। ফলাফল স্বরূপ ২০২৪ সালটা লিটন দাস ভুলেই যেতে চাইবেন।

বছরের শুরুতে লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে টানা ডাক মেরে সিরিজের মাঝপথেই বাদ পড়েন লিটন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে ২৬ বলে ৬ রান করলেও শেষ ম্যাচে ফের রানের খাতা খুলতে পারেননি। যা এ বছরে লিটনের তৃতীয় ডাক।

এটি ছিল লিটনের ক্যারিয়ারে ১৫তম ডাক। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে দ্রুত এতো ডাক মারার রেকর্ড আর কারো নেই।

লিটনের খারাপ সময় চলছে অবশ্য বহু আগে থেকেই। ওয়ানডেতে সবশেষ দুই অঙ্কের রান করেছিলেন গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। শেষ ৭ ম্যাচে ৩৯ বলে সর্ব সাকুল্যেই করেছেন ১১ রান। আর সবশেষ ওয়ানডেতে ফিফটি তিনি পেয়েছিলেন ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে, বিশ্বকাপে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিপরীত মেরুতে দাঁড়িয়ে মাহমুদউল্লাহ-লিটন দাস

আপডেট সময় : ০১:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

২০২৩ বিশ্বকাপে দারুণ করার পরও বছরের শুরুতে হঠাৎ রব উঠে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ওয়ানডে দল থেকে বাদ দিতে। কেউ কেউ তো বলছিল তিনি খেলছেন সিনিয়র কোটাতে। অবশ্য এমন মন্তব্যের কারণও ছিল। সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছিলো না তার।

বছরের প্রথম ওয়ানডেতে ৩৭ বলে ৩৭ রান করলেও পরের চার ম্যাচে ২০ বলে করেন ৬ রান। অবশেষে আফগানিস্তান সিরিজের শেষ ম্যাচে এসে হুশ ফেরে তার। এরপর যা করছেন, তা চোখের সামনেই সবার।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওই ম্যাচে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও আক্ষেপ নিয়ে ফেরেন ৯৮ বলে ৯৮ করে। সেই ক্ষুধা যেন মেটাচ্ছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। দল ভালো না করলেও প্রতি ম্যাচেই হেসেছে তার ব্যাট। এসেছে রান।

সিরিজের তিন ম্যাচেই তিনটা ফিফটি হাঁকিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। প্রথম ম্যাচে ৪৪ বলে ঠিক ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় ম্যাচে দলের প্রয়োজনে হাল ধরেন। ১১৫ রানে ৭ উইকেট হারানো দলকে দুই শ’ পার করেন ৯২ বলে ৬২ রানে।

তবে বৃহস্পতিবার আসল ঝড় তোলেন। সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ দল যখন ধবলধোলাই এড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে, তখন সবচেয়ে বড় ইনিংসটাই খেলেন মাহমুদউল্লাহ। ৬৩ বলে করেন ৮৪* রান।

সব মিলিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১৯৬ গড়ে ৯৮ দশমিক ৪৯ স্ট্রাইকরেটে ১৯৬ রান করেছেন প্রায় ৩৯ বছর বয়সী মাহমুদউল্লাহ। যেন বুড়ো হাড়ের ভেল্কি দেখাচ্ছেন তিনি।

অন্যদিকে ব্যতিক্রম লিটন দাস। সর্বশেষ আফগানিস্তান সিরিজ যদিও চোটের কারণে খেলা হয়নি তার, তবে এ বছরে যতগুলো ওয়ানডে খেলেছেন, কোনোটাতেই স্পর্শ করতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘর!

এ বছর তিনি পাঁচটি ওয়ানডে খেলেছেন। যেখানে তিনটিতেই মেরেছেন ডাক। বাকি দুই ম্যাচে একটিতে ২ এবং আরেকটিতে করেছেন ৪ রান। ফলাফল স্বরূপ ২০২৪ সালটা লিটন দাস ভুলেই যেতে চাইবেন।

বছরের শুরুতে লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে টানা ডাক মেরে সিরিজের মাঝপথেই বাদ পড়েন লিটন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে ২৬ বলে ৬ রান করলেও শেষ ম্যাচে ফের রানের খাতা খুলতে পারেননি। যা এ বছরে লিটনের তৃতীয় ডাক।

এটি ছিল লিটনের ক্যারিয়ারে ১৫তম ডাক। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে দ্রুত এতো ডাক মারার রেকর্ড আর কারো নেই।

লিটনের খারাপ সময় চলছে অবশ্য বহু আগে থেকেই। ওয়ানডেতে সবশেষ দুই অঙ্কের রান করেছিলেন গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। শেষ ৭ ম্যাচে ৩৯ বলে সর্ব সাকুল্যেই করেছেন ১১ রান। আর সবশেষ ওয়ানডেতে ফিফটি তিনি পেয়েছিলেন ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে, বিশ্বকাপে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস