ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদিতে বিমানবন্দর বন্ধ: ঢাকা থেকে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল রাষ্ট্রসংস্কার প্রক্রিয়া ক্ষমতার রাজনীতিতে জিম্মি: টিআইবি সৌদি ফ্লাইট সংকট: কর্মস্থলে ফিরতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রবাসী কর্মীরা দিল্লিতে ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন তরুণ ভোটাররা দিল্লিতে ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে আটক অভিজিৎ দীপকে শ্রীপুরে পরিত্যক্ত বোতল কুড়িয়ে বিপত্তি সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সৌদিতে হামলার ঘটনায় আটকে পড়া পাবনার ৫০ যাত্রী দেশে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় আহত ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক

মেক্সিকোয় ৪৩ ছাত্র নিখোঁজের ঘটনায় সাবেক প্রসিকিউটর গ্রেফতার

  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২
  • / 191
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মেক্সিকোয় আলোচিত ৪৩ ছাত্র নিখোঁজের ঘটনায় সাবেক এক শীর্ষ প্রসিকিউটরকে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের এই ঘটনায় নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মুরিলো কারাম এই মামলার সাথে জড়িত এখন পর্যন্ত সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি, যাকে ওই ছাত্রদের গুম, নির্যাতন এবং এই ঘটনায় ন্যায়বিচারে বাধা দেয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেক্সিকো সিটিতে বসবাসকারী এক সময়ের প্রভাবশালী ইনস্টিটিউশনাল রেভোলিউশনারি পার্টির (পিআরআই) সাবেক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব মুরিলোকে তার বাড়ির বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হয়।

মেক্সিকোর শীর্ষ মানবাধিকার কর্মী আলেজান্দ্রো এনসিনাস ছাত্রদের নিখোঁজ হওয়াকে ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করার একদিন পরে মুরিলোর গ্রেফতার করা হয়।

মুরিলো ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

নিখোঁজ ওই ৪৩ ছাত্র দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের গুয়েরেরো রাজ্যের আয়তজিনাপা রুরাল টিচার’স কলেজে পড়াশোনা করত। তারা বাসে করে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাচ্ছিলো।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, পথিমধ্যে দুর্নীতিবাজ পুলিশরা তাদের আটক করে এবং মাদককারবারিদের হাতে তুলে দেয় এই যে বলে যে, ৪৩ জন তাদের প্রতিপক্ষ দলের। তবে তাদের পরিণতি কী হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে এখনো অনেক বিতর্ক আছে।

২০১৫ সালের সরকারী প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদককারবারিরা ওই ৪৩ ছাত্রকে হত্যা করে পুড়িয়ে নর্দমায় ফেলে দিয়েছে। তবে এই রিপোর্ট প্রত্যাখান করেছিল নিখোঁজ ছাত্রদের পরিবার, নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ এবং জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের অফিস।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সরকারী এই তদন্তের সমালোচনা করেছেন।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মুরিলো কারামকে ২০১৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এনরিক পেনা নিয়েতোর সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত ঘটনার ‘ঐতিহাসিক সত্য’ সংস্করণের মূল গল্পকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে নিখোঁজ ছাত্রদের স্বজনরা এই কথিত সত্য প্রত্যাখান করেছিল।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর ২০১৮ সালে তার নির্বাচনের পরপরই এই ঘটনার তদন্ত পুনরায় চালু করেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মেক্সিকোয় ৪৩ ছাত্র নিখোঁজের ঘটনায় সাবেক প্রসিকিউটর গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:৩০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মেক্সিকোয় আলোচিত ৪৩ ছাত্র নিখোঁজের ঘটনায় সাবেক এক শীর্ষ প্রসিকিউটরকে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের এই ঘটনায় নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মুরিলো কারাম এই মামলার সাথে জড়িত এখন পর্যন্ত সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি, যাকে ওই ছাত্রদের গুম, নির্যাতন এবং এই ঘটনায় ন্যায়বিচারে বাধা দেয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেক্সিকো সিটিতে বসবাসকারী এক সময়ের প্রভাবশালী ইনস্টিটিউশনাল রেভোলিউশনারি পার্টির (পিআরআই) সাবেক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব মুরিলোকে তার বাড়ির বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হয়।

মেক্সিকোর শীর্ষ মানবাধিকার কর্মী আলেজান্দ্রো এনসিনাস ছাত্রদের নিখোঁজ হওয়াকে ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করার একদিন পরে মুরিলোর গ্রেফতার করা হয়।

মুরিলো ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

নিখোঁজ ওই ৪৩ ছাত্র দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের গুয়েরেরো রাজ্যের আয়তজিনাপা রুরাল টিচার’স কলেজে পড়াশোনা করত। তারা বাসে করে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাচ্ছিলো।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, পথিমধ্যে দুর্নীতিবাজ পুলিশরা তাদের আটক করে এবং মাদককারবারিদের হাতে তুলে দেয় এই যে বলে যে, ৪৩ জন তাদের প্রতিপক্ষ দলের। তবে তাদের পরিণতি কী হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে এখনো অনেক বিতর্ক আছে।

২০১৫ সালের সরকারী প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদককারবারিরা ওই ৪৩ ছাত্রকে হত্যা করে পুড়িয়ে নর্দমায় ফেলে দিয়েছে। তবে এই রিপোর্ট প্রত্যাখান করেছিল নিখোঁজ ছাত্রদের পরিবার, নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ এবং জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের অফিস।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সরকারী এই তদন্তের সমালোচনা করেছেন।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মুরিলো কারামকে ২০১৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এনরিক পেনা নিয়েতোর সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত ঘটনার ‘ঐতিহাসিক সত্য’ সংস্করণের মূল গল্পকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে নিখোঁজ ছাত্রদের স্বজনরা এই কথিত সত্য প্রত্যাখান করেছিল।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর ২০১৮ সালে তার নির্বাচনের পরপরই এই ঘটনার তদন্ত পুনরায় চালু করেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস