লটারি বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ
- আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে লটারি পদ্ধতি বাতিল করে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ‘মুভমেন্ট ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড গুড গভর্নেন্স ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ এই রিটটি দায়ের করেন। রিটে শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (মাউশি) এবং মাউশির উপ-সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের বিচারপতি এস. এম মনিরুজ্জামান ও এস. এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের বেঞ্চে এই আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
ভর্তির নিয়ম পরিবর্তন ও প্রজ্ঞাপন
আদালত ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম চালু করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি সরকার লটারি পদ্ধতি বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১৬ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই সিদ্ধান্ত জানান এবং ওই দিনই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারি বহাল থাকলেও দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি নেওয়া হবে পরীক্ষার মাধ্যমে।
আইনজীবীর যুক্তি ও আশঙ্কা
ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিটকারীর আইনজীবী জাহিদ তালুকদার জানান, কোনো ধরনের পর্যাপ্ত গবেষণা, তথ্য-উপাত্ত বা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই একতরফাভাবে সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। স্কুল পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে কোমলমতি শিশুদের ওপর বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
- ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হলে কোচিং বাণিজ্য ও দুর্নীতি বৃদ্ধির শঙ্কা রয়েছে।
- দরিদ্র পরিবারের শিশুরা আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে।
- এর ফলে সমাজে বৈষম্য ও অসমতা আরও তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।




















