ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

সোনাগাজীতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় আবদুল আউয়াল মিন্টু সহ ১৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেট সময় : ১১:১১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২
  • / 347
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধিঃ

ফেনীর সোনাগাজীতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুকে প্রধান আসামি করে ৪৭জনের নাম উল্লেখ করে (বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের) এবং অজ্ঞাতনামা ১২০-১৩০জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন পুলিশ।

সোনাগাজী মডেল থানার এসআই সৌরজিৎ বডুয়া ও মাঈন উদ্দিন বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। রিপন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে এ দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত; সোমবার বিকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালে বিএনপি কর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে দুই পুলিশ কর্মকর্তা সহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ৬০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেছে। আহতরা হলেন, সহকারি পুলিশ সুপার (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) সার্কেল মাশকুর রহমান, সোনাগাজী মডেল থানার এসআই আরিফুল করিম দোলন, যুবদল নেতা নুর আলম ভূঞা, আবুল হাসেম, নুর করিম, বেলায়েত হোসেন, কামরুল ইসলাম, ওমর ফারুক ও নুর হোসেন প্রমুখ। পুলিশ জানায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জ্বালানী তেল, পরিবহন ভাড়াসহ সকল দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশ কর্তৃক গুলি করে ছাত্রনেতা নূরে আলম ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম হত্যার প্রতিবাদে ২৯ আগস্ট সোমবার বিকালে সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে। সোনাগাজী জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন এনায়েত শপিং কমপ্লেক্সেের সামনে আহূত সমাবেশ বানচাল করতে পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগ শোক সভা ও দোয়া মাহফিলের ডাক দেয়। কার্যত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সকাল থেকে আ.লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা সোনাগাজী জিরোপয়েন্ট দখলে নিয়ে লাঠিশোঠা হাতে মিছিল করতে থাকে।

এ ছাড়াও ডাকবাংলা ও মতিগঞ্জ নামক স্থানে পাহারা বসিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা প্রদান করেন। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পুলিশের অনুরেধে সঙ্ঘাত এড়াতে বিএনপি স্থান পরিবর্তন করে ভৈরব রাস্তা নামক স্থানে সমাবেশের আয়োজন করেন। সমাবেশ শুরুর কিছু সময় পর প্রধান সড়কে একটি কোস্টগার্ডের খালি গাড়ি দেখে পুলিশের গাড়ি মনে করে ৩০-৪০জন উৎশৃঙ্খল নেতাকর্মী গাড়িটি ধাওয়া করে। আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের সামনে দায়ীত্বে থাকা পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। পুলিশ এসময় প্রায় ৬০ রাউন্ড গুলি করে।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান মামলা রুজুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সোনাগাজীতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় আবদুল আউয়াল মিন্টু সহ ১৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১১:১১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট ২০২২

সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধিঃ

ফেনীর সোনাগাজীতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুকে প্রধান আসামি করে ৪৭জনের নাম উল্লেখ করে (বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের) এবং অজ্ঞাতনামা ১২০-১৩০জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন পুলিশ।

সোনাগাজী মডেল থানার এসআই সৌরজিৎ বডুয়া ও মাঈন উদ্দিন বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। রিপন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে এ দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত; সোমবার বিকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালে বিএনপি কর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে দুই পুলিশ কর্মকর্তা সহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ৬০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেছে। আহতরা হলেন, সহকারি পুলিশ সুপার (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) সার্কেল মাশকুর রহমান, সোনাগাজী মডেল থানার এসআই আরিফুল করিম দোলন, যুবদল নেতা নুর আলম ভূঞা, আবুল হাসেম, নুর করিম, বেলায়েত হোসেন, কামরুল ইসলাম, ওমর ফারুক ও নুর হোসেন প্রমুখ। পুলিশ জানায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জ্বালানী তেল, পরিবহন ভাড়াসহ সকল দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশ কর্তৃক গুলি করে ছাত্রনেতা নূরে আলম ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম হত্যার প্রতিবাদে ২৯ আগস্ট সোমবার বিকালে সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে। সোনাগাজী জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন এনায়েত শপিং কমপ্লেক্সেের সামনে আহূত সমাবেশ বানচাল করতে পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগ শোক সভা ও দোয়া মাহফিলের ডাক দেয়। কার্যত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সকাল থেকে আ.লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা সোনাগাজী জিরোপয়েন্ট দখলে নিয়ে লাঠিশোঠা হাতে মিছিল করতে থাকে।

এ ছাড়াও ডাকবাংলা ও মতিগঞ্জ নামক স্থানে পাহারা বসিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা প্রদান করেন। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পুলিশের অনুরেধে সঙ্ঘাত এড়াতে বিএনপি স্থান পরিবর্তন করে ভৈরব রাস্তা নামক স্থানে সমাবেশের আয়োজন করেন। সমাবেশ শুরুর কিছু সময় পর প্রধান সড়কে একটি কোস্টগার্ডের খালি গাড়ি দেখে পুলিশের গাড়ি মনে করে ৩০-৪০জন উৎশৃঙ্খল নেতাকর্মী গাড়িটি ধাওয়া করে। আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের সামনে দায়ীত্বে থাকা পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। পুলিশ এসময় প্রায় ৬০ রাউন্ড গুলি করে।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান মামলা রুজুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।