৬০ দিনে ৪-৫ বিলিয়ন ডলারের বিমান ইজারা নেবে ইউএস-বাংলা
- আপডেট সময় : ০৩:১৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 1
দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তাদের বহর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের নতুন উড়োজাহাজ ইজারা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। ঢাকার কুর্মিটোলার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক এক নীতি সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ইউএস-বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন।
সম্মেলনে আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই বড় বিনিয়োগের আদেশ চূড়ান্ত করা হবে। তবে চুক্তির আওতায় ঠিক কতটি উড়োজাহাজ নেওয়া হবে কিংবা কোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে তা সংগ্রহ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এয়ারবাস না কি বোয়িং—কোন পক্ষ থেকে এই উড়োজাহাজগুলো আসবে, তা বর্তমানে গোপন রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান চলাচল খাতে এটি হবে একটি বিশাল বিনিয়োগ।
এর আগে গত ২৯ জুলাই ‘বিয়ন্ড উইথ বোয়িং’ অনুষ্ঠানে প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ইউএস-বাংলা। ওই পরিকল্পনায় ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ ইজারা নেওয়ার কথা রয়েছে, যার মধ্যে ১৫টি বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ এই ২১টি উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটির বহরে ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যা দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে বৃহত্তম।
দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত এই নীতি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেনসহ খাত সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এভিয়েশন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ভবিষ্যতে উড়োজাহাজের সঠিক সংখ্যা ও রুটের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, এই পর্যায়ে উড়োজাহাজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা সম্ভব নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটে নিজেদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য রয়েছে বেসরকারি এয়ারলাইনটির।



















