পরিমিত ঘুমিয়েও ঘুম-ঘুম ভাব, ভাবুন তো অসুস্থ নাকি আপনি!
- আপডেট সময় : ০৮:২২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৮
- / 432
বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ রোজ সকালে সঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠবেন এমনকি অ্যালার্ম সেট করেছিলেন, তবে ভাগ্যের দোহাই দিয়ে ঘুম কাতুরে মনকে না মানাতে পেরে অন্তিম ঘুমের দেশে চলে যান। এদিকে অ্যালার্মের পর অ্যালার্ম বেজেই চলছে।
যা চলছে প্রতিদিন অনবরত, চাইলেও নিস্তার পাওয়ার উপায় নেই অবস্থা। আপনি সেই কাতারের মানুষ। সকাল ন’টার সময় আপনি অ্যালার্ম দিয়ে রেখেছেন৷ ইতিমধ্যেই সাত-আটঘণ্টা ঘুমিয়েছেন আপনি৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছা করছে না৷ জোর করে ঘুম থেকে উঠতে হচ্ছে আপনাকে৷ বাড়ির বড়রা বলতেই পারেন, এটি অলসতার লক্ষণ৷ কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন অন্য কথা৷ তাদের মতে, আপনার শরীরে বাসা বেঁধে রয়েছে কোন জটিল রোগ৷
চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় শারীরিক এই অবস্থার নাম ডাইসেনিয়া৷ ক্লিনোম্যানিয়া বলেও পরিচিতি রয়েছে এই রোগটির৷ চিকিৎসকদের মতে, এই উপসর্গ দেখা দিলেও কোনো সময়ই ঘুম সম্পূর্ণ হয় না৷ সাত-ঘণ্টা ঘুমানোর পরও ক্লান্তিভাব দেখা দিতে পারে৷ ঘুম থেকে সময় মতো উঠতে পারেন না বলে, উদ্বিগ্নতাতেও ভোগেন এই রোগীরা৷ তার ফলে স্বাভাবিকভাবে বহুবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার সমস্যাতেও ভোগেন তাঁরা৷ দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় ভোগার ফলে খিটখিটে হয়ে যান অনেকেই৷ চিকিৎসা বিজ্ঞান যথেষ্ট এগোলেও, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার মতো কোনো ওষুধই এখনো পাওয়া যায় না বলেই জানান চিকিৎসকরা৷ তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে, এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলেও মত চিকিৎসকদের৷
নিয়মগুলি হলো :
- প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমোতে যান৷ ঘুমোতে যাওয়ার আগে গান শুনুন৷ তবে শোওয়ার ঘরে কোনো শব্দ যাতে না ঢোকে সেদিকে খেয়াল রাখুন৷ প্রয়োজনে সব আলোই বন্ধ রাখুন৷ একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠারও অভ্যাস করুন৷
- অনেকেই পোষ্য বিড়াল, কুকুরকে নিয়ে রাতে ঘুমোতে যান৷ সেই অভ্যাস থাকলে কিন্তু বাড়তে পারে ঘুমঘোর না কাটার সমস্যা৷ তাই আজ থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পোষ্যকে দূরে সরিয়ে রাখুন৷
- প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করুন৷ যোগাভ্যাসের মাধ্যমে দুশ্চিন্তা মুক্ত হতে পারেন আপনি৷
- আপনার ডায়েটে কি কফি জাতীয় সামগ্রী রয়েছে? তবে তা এখনই খাওয়া বন্ধ করুন৷ ভাল ঘুমের জন্য তার পরিবর্তে আপনার ডায়েটে থাক দুধ চা কিংবা গ্রিন টি৷
- মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন৷ ধূমপানও কিন্তু আপনার রাতের ঘুম কাড়ার জন্য যথেষ্ট৷ তাই তাও এড়িয়ে যাওয়াই ভালো৷


























