শাহিনা আক্তারকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি চায় খাগড়াছড়িবাসী
- আপডেট সময় : ০৪:১৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯
- / 386
আল-মামুন,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: অবহেলিত পার্বত্য জনপদের উজ্জ্বল নক্ষত্র কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও খাগড়াছড়ি মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা শাহিনা আক্তারকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি চায় খাগড়াছড়িবাসী।
পাহাড়ে নারীদের ক্ষমতায়ন,কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবনমান উন্নয়নসহ অসাম্প্রদায়িক চেতনা উজ্জীবিত এ আওয়ামীলীগের এ নেত্রীকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি চান পাহাড়ী জনপদের সাধারণ মানুষ। পাহাড়ের সকল ভাষাভাষীর মানুষের সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে নারীর অধিকার,কর্মসংস্থান সৃষ্টি,শিক্ষার প্রসারসহ পার্বত্য নারীদের এগিয়ে নিতে যার রয়েছে অনেক অবদান।
তাই সাধারণ মানুষের দাবী, সাধারণ গণমানুষের পাশে থাকতে কেন্দ্রীয় মহিলা লীগের সদস্য ও খাগড়াছড়ি মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদক শাহিনা আক্তারের বিকল্প নেই। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে পাহাড়ে বাড়বে নারী নেতৃত্ব, প্রসার গঠবে সমাজিক-অর্থনৈতিক ভাবে কর্মসংস্থান,নারী শিক্ষাসহ ৩ পাহাড়ের নারীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন,জীবনমান বৃদ্ধিতে নারীদের থাকবে অবারিত সুযোগ।
বিশ্লেষকদের মতে, পাহাড়ে নারীদের আত্মসমাজিক উন্নয়ন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রসার গঠেছে শিক্ষা ক্ষেত্রেও তবে তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় যোগ্য নারী নেতৃত্বের আসতে পারে ভিন্ন পরিবর্তন। সে জন্য পাহাড়ে নারীদের উদ্যোগী ও নারীর ক্ষমতায়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য সচেতন মহলের।
শাহিনা আক্তর বলেন, আমি চাই পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের অংশ গ্রহণে পার্বত্য জেলায় পাল্টে যাবে নারীদের ভাগ্য ও জীবনমান। শিক্ষা,কর্মসংস্থান সৃষ্টি,সমাজিক অগ্রাধিকার,নেতৃত্বের যোগ্যতা সৃষ্টিসহ সকল জনগোষ্টি ও সম্প্রদায়ের নারীদের সমান সুযোগের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ন সহাবস্থান সৃষ্টিতে কাজ করবেন তিনি।
এছাড়াও তিনি পাহাড়ে নারী শিক্ষায়নে বিশেষ ভূমিকা রেখে অবহেলিত,বঞ্চিত,নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের জন্য উদ্যোগ নেবেন বলে জানান। এছাড়াও সমাজের নানামূখী সমস্যার অবসান গঠিয়ে তিনি সমাজিক অবক্ষয় দুর করে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার কথা জানান।
এ সময় তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গতবার রাঙ্গামাটির সংরক্ষিত আসনের বাঙ্গালী এমপি ও এবার পার্বত্য জেলার তিন আসনে উপজাতীয় সংসদ সদস্যের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিত্ব করেছেন, এবার খাগড়াছড়ি থেকে তাকে সুযোগ দিলে নৌকার সুনাম অক্ষুন্ন রেখে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন।


























