ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

যৌনকর্মী হিসেবে ভাড়া এনে টাকায় না মেলায় হত্যা

  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯
  • / 166
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের কলসি দীঘির পাড় এলাকার ‘হাজী নুরুল হক সওদাগরের বাড়ি’ থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ভবন মালিকের ছেলেসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- ওই ভবনের মালিক আলী আকবরের ছেলে ফারুক (৩৬) এবং তার দুই বন্ধু রাশেদ (৩৬) ও আলমগীর (৩৫)। মঙ্গল ও বুধবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ফারুক ওই ভবনের তৃতীয় তলায় থাকেন। তার বাবা-মা থাকেন নিচতলার ফ্ল্যাটে।


গ্রেপ্তারের পর তাদের মধ্যে একজন বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জানিয়ে
বন্দর থানার ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, “যৌনকর্মী হিসেবে ওই নারীকে ভাড়া করেছিল তারা। টাকা নিয়ে গন্ডগোল হওয়ায় তারা তাকে হত্যা করে।” তবে নিহত ওই নারীর নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর বলে পুলিশের ধারণা। গত সোমবার সকালে ‘হাজী নুরুল হক সওদাগরের বাড়ি’ নামের ভবনের ছাদে ওঠার সিঁড়ি থেকে ওই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, “রোববার রাতে ফারুকের স্ত্রী গিয়েছিলেন বাবার বাড়িতে। ফারুক বাসায় একাই ছিলেন।“ফারুকের বন্ধু রাশেদ রাতে ওই নারীকে (যার লাশ পাওয়া গেছে) নিয়ে রাতে ফারুকের বাসায় যায়। পরে সেখানে আলমগীরও যায়। তিনজনের সাথে সহবাসের বিনিময়ে যে অঙ্কের টাকা ওই নারী দাবি করে, তা নিয়ে ঝগড়া হয় বলে তারা জানিয়েছে। ঝগড়ার জেরে ওই নারীকে তারা শ্বাসরোধে হত্যা করে।”


ওসি বলেন, হত্যার পর তারা ওই নারীর লাশ তিন তলা থেকে ছাদে যাওয়ার সিঁড়িতে ফেলে রাখে। “ফারুকের ঘরে তরøাশি চালানোর সময় একটি বালিশে আমরা রক্তের দাগ দেখতে পাই। হয়ত শ্বাসরোধের ফলে নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরিয়েছিল। এতে সন্দেহ হওয়ায় ফারুককে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ওই নারীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।”
বুধবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. মহিউদ্দিন মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে ফারুক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানান ওসি।


এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার বাকি দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই মামলায় দুই দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যৌনকর্মী হিসেবে ভাড়া এনে টাকায় না মেলায় হত্যা

আপডেট সময় : ০৭:০৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের কলসি দীঘির পাড় এলাকার ‘হাজী নুরুল হক সওদাগরের বাড়ি’ থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ভবন মালিকের ছেলেসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- ওই ভবনের মালিক আলী আকবরের ছেলে ফারুক (৩৬) এবং তার দুই বন্ধু রাশেদ (৩৬) ও আলমগীর (৩৫)। মঙ্গল ও বুধবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ফারুক ওই ভবনের তৃতীয় তলায় থাকেন। তার বাবা-মা থাকেন নিচতলার ফ্ল্যাটে।


গ্রেপ্তারের পর তাদের মধ্যে একজন বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জানিয়ে
বন্দর থানার ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, “যৌনকর্মী হিসেবে ওই নারীকে ভাড়া করেছিল তারা। টাকা নিয়ে গন্ডগোল হওয়ায় তারা তাকে হত্যা করে।” তবে নিহত ওই নারীর নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর বলে পুলিশের ধারণা। গত সোমবার সকালে ‘হাজী নুরুল হক সওদাগরের বাড়ি’ নামের ভবনের ছাদে ওঠার সিঁড়ি থেকে ওই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, “রোববার রাতে ফারুকের স্ত্রী গিয়েছিলেন বাবার বাড়িতে। ফারুক বাসায় একাই ছিলেন।“ফারুকের বন্ধু রাশেদ রাতে ওই নারীকে (যার লাশ পাওয়া গেছে) নিয়ে রাতে ফারুকের বাসায় যায়। পরে সেখানে আলমগীরও যায়। তিনজনের সাথে সহবাসের বিনিময়ে যে অঙ্কের টাকা ওই নারী দাবি করে, তা নিয়ে ঝগড়া হয় বলে তারা জানিয়েছে। ঝগড়ার জেরে ওই নারীকে তারা শ্বাসরোধে হত্যা করে।”


ওসি বলেন, হত্যার পর তারা ওই নারীর লাশ তিন তলা থেকে ছাদে যাওয়ার সিঁড়িতে ফেলে রাখে। “ফারুকের ঘরে তরøাশি চালানোর সময় একটি বালিশে আমরা রক্তের দাগ দেখতে পাই। হয়ত শ্বাসরোধের ফলে নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরিয়েছিল। এতে সন্দেহ হওয়ায় ফারুককে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ওই নারীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।”
বুধবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. মহিউদ্দিন মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে ফারুক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানান ওসি।


এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার বাকি দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই মামলায় দুই দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।