ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

‘দেশ ধ্বংসকারীদের প্রতিহত করার দায়িত্ব তোমাদের’

  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০
  • / 180

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অষ্টাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দ্বিতীয় দিনে উত্তরীয় পরিহিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষা ডেস্কঃ

দেশকে যারা ধ্বংসের কিণারে নিয়ে যাচ্ছে, তাদেরকে প্রতিহত করার দায়িত্ব তরুণ শিক্ষার্থীদের বলে মন্তব্য করেছেন দেশবরেণ্য সাংবাদিক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ আবুল মকসুদ। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অষ্টাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী উৎসব আয়োজনের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন। সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ নদী দখল করে, পরিবেশ ধ্বংস করে, ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে দেশকে ধংসের কিণারে নিয়ে যাচ্ছে। তাদেরকে যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। আর এ দায়িত্ব মূলত তরুণ শিক্ষার্থীদের।’
তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের উপরই নির্ভর করছে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি।’ এ সময় তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বর্ষিয়ান এ গবেষক বলেন, ‘বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তো বটেই, বিশ্বের অন্তত ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কাজে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস মনে রেখেই বলছি, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস দেখে আমি অভিভূত, বিস্মিত, আনন্দিত।’ এমন নয়নাভিরাম ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার পরিবেশ যেখানে রয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একদিন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার থেকে শুরু করে দেশের শ্রেষ্ঠ শিল্পী, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ বেরিয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম মাহবুব-উল-হক মজুমদার, স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক এ এম এম হামিদুর রহমান, সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন, শুধু উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানের ক্যাম্পাস তৈরি করলেই হবে না, বিশ্বমানের শিক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই এ দুটি বিষয়ের সমন্বয় করে আসছে। যার ফলে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাশ করে কেউ বেকার নেই। তারা ছড়িয়ে পড়েছে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত সব প্রতিষ্ঠানে। অনেকেই হয়েছে উদ্যোক্তা।
ড. মো. সবুর খান বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়তে পারে সেই উদ্দেশ্যেই ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে এ পর্যন্ত ৪০ হাজার ল্যাপটপ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে।
গতকাল বুধার (২২ জানুয়ারি) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের মুখাকৃতির ১০০টি ঘুড়ি উড়িয়ে চার দিনব্যাপী এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিল গার্ড অব অনার, বাস র‌্যালী, আলোচনা অনুষ্ঠান, বৃক্ষরোপন, বনভোজন, পিঠা উৎসব, প্রদর্শনী, সেলিব্রেটি শো, খেলাধূলা, ফান ইভেন্টস, সাইকেল র‌্যালি, মানবলোগো ইত্যাদি। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছে বর্নিল সাজে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্র্সিটি আশুলিয়ায় ১৫০ একর জায়গার উপর সর্বাধূনিক সুবিধা সম্বলিত আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছেলে ও মেয়েদের পৃথক আবাসিক সুবিধাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে করেছে ২০১১ সাল থেকে। এখানে কোলাহলমুক্ত ছায়া সুনিবিঢ় শান্ত সবুজ পরিবেশে আধূনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত খেলার মাঠ, অডিটরিয়াম ছেলে ও মেয়েদের পৃথক আবাসিক হল, সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম, বাস্কেটবল গ্রাউন্ড, টেনিস কোর্ট সহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘দেশ ধ্বংসকারীদের প্রতিহত করার দায়িত্ব তোমাদের’

আপডেট সময় : ১২:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

শিক্ষা ডেস্কঃ

দেশকে যারা ধ্বংসের কিণারে নিয়ে যাচ্ছে, তাদেরকে প্রতিহত করার দায়িত্ব তরুণ শিক্ষার্থীদের বলে মন্তব্য করেছেন দেশবরেণ্য সাংবাদিক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ আবুল মকসুদ। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অষ্টাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী উৎসব আয়োজনের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কথা বলেন। সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ নদী দখল করে, পরিবেশ ধ্বংস করে, ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে দেশকে ধংসের কিণারে নিয়ে যাচ্ছে। তাদেরকে যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। আর এ দায়িত্ব মূলত তরুণ শিক্ষার্থীদের।’
তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের উপরই নির্ভর করছে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি।’ এ সময় তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বর্ষিয়ান এ গবেষক বলেন, ‘বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তো বটেই, বিশ্বের অন্তত ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কাজে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস মনে রেখেই বলছি, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস দেখে আমি অভিভূত, বিস্মিত, আনন্দিত।’ এমন নয়নাভিরাম ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার পরিবেশ যেখানে রয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একদিন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার থেকে শুরু করে দেশের শ্রেষ্ঠ শিল্পী, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ বেরিয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম মাহবুব-উল-হক মজুমদার, স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক এ এম এম হামিদুর রহমান, সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন, শুধু উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানের ক্যাম্পাস তৈরি করলেই হবে না, বিশ্বমানের শিক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই এ দুটি বিষয়ের সমন্বয় করে আসছে। যার ফলে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাশ করে কেউ বেকার নেই। তারা ছড়িয়ে পড়েছে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত সব প্রতিষ্ঠানে। অনেকেই হয়েছে উদ্যোক্তা।
ড. মো. সবুর খান বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়তে পারে সেই উদ্দেশ্যেই ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে এ পর্যন্ত ৪০ হাজার ল্যাপটপ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে।
গতকাল বুধার (২২ জানুয়ারি) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের মুখাকৃতির ১০০টি ঘুড়ি উড়িয়ে চার দিনব্যাপী এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিল গার্ড অব অনার, বাস র‌্যালী, আলোচনা অনুষ্ঠান, বৃক্ষরোপন, বনভোজন, পিঠা উৎসব, প্রদর্শনী, সেলিব্রেটি শো, খেলাধূলা, ফান ইভেন্টস, সাইকেল র‌্যালি, মানবলোগো ইত্যাদি। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছে বর্নিল সাজে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্র্সিটি আশুলিয়ায় ১৫০ একর জায়গার উপর সর্বাধূনিক সুবিধা সম্বলিত আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছেলে ও মেয়েদের পৃথক আবাসিক সুবিধাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে করেছে ২০১১ সাল থেকে। এখানে কোলাহলমুক্ত ছায়া সুনিবিঢ় শান্ত সবুজ পরিবেশে আধূনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত খেলার মাঠ, অডিটরিয়াম ছেলে ও মেয়েদের পৃথক আবাসিক হল, সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম, বাস্কেটবল গ্রাউন্ড, টেনিস কোর্ট সহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন রয়েছে।