ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

জাতিসঙ্ঘের সতর্কতা : ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অনাহারের ঝুঁকিতে

  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / 168
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাতিসঙ্ঘের খাদ্য প্রধান বৃহস্পতিবার সতর্ক করেছেন যে, বিশ্ব ‘অভূতপূর্ব মাত্রার একটি বৈশ্বিক জরুরি অবস্থার’ মুখোমুখি হচ্ছে। যেখানে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অনাহারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং সাত কোটি মানুষকে ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে অনাহারের কাছাকাছি অবস্থায় যেতে হচ্ছে।

জাতিসঙ্ঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে বলেছেন, ৮২টি দেশে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন, যা ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারী শুরু হওয়ার আগের সংখ্যার চেয়ে আড়াই-গুণ বেশি।

তিনি বলেন, এটি অবিশ্বাস্যভাবে উদ্বেগজনক যে ৪৫টি দেশের পাঁচ কোটি মানুষ তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে এবং দুর্ভিক্ষ দরজায় কড়া নাড়ছে।

ক্রমবর্ধমান সঙ্ঘাত, মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং ইউক্রেনে যুদ্ধের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘পূর্বে যা ছিল তা হচ্ছে ক্ষুধার ঢেউ, আর এখন হচ্ছে ক্ষুধার সুনামি।’

বিসলি জানান, ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া তার প্রতিবেশী দেশকে আক্রমণ করার পর থেকে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের ক্রমবর্ধমান খরচ সাত কোটি মানুষকে অনাহারের কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জাতিসঙ্ঘের সতর্কতা : ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অনাহারের ঝুঁকিতে

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাতিসঙ্ঘের খাদ্য প্রধান বৃহস্পতিবার সতর্ক করেছেন যে, বিশ্ব ‘অভূতপূর্ব মাত্রার একটি বৈশ্বিক জরুরি অবস্থার’ মুখোমুখি হচ্ছে। যেখানে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অনাহারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং সাত কোটি মানুষকে ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে অনাহারের কাছাকাছি অবস্থায় যেতে হচ্ছে।

জাতিসঙ্ঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে বলেছেন, ৮২টি দেশে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন, যা ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারী শুরু হওয়ার আগের সংখ্যার চেয়ে আড়াই-গুণ বেশি।

তিনি বলেন, এটি অবিশ্বাস্যভাবে উদ্বেগজনক যে ৪৫টি দেশের পাঁচ কোটি মানুষ তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে এবং দুর্ভিক্ষ দরজায় কড়া নাড়ছে।

ক্রমবর্ধমান সঙ্ঘাত, মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং ইউক্রেনে যুদ্ধের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘পূর্বে যা ছিল তা হচ্ছে ক্ষুধার ঢেউ, আর এখন হচ্ছে ক্ষুধার সুনামি।’

বিসলি জানান, ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া তার প্রতিবেশী দেশকে আক্রমণ করার পর থেকে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের ক্রমবর্ধমান খরচ সাত কোটি মানুষকে অনাহারের কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস