ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কোরআন ধর্মগ্রন্থ, গীতা নয় : কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / 147
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

একদিকে যেখানে হিজাব নিয়ে ভারতের কর্নাটক রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে তুমুল বিতর্ক চলছে বেশ কয়েক মাস ধরে, সেখানেই রাজ্যটির সরকার সম্প্রতি পাঠ্যক্রমে ভগবদ গীতা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে স্বভাবতই জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে এই দক্ষিণী রাজ্যে। এ প্রেক্ষিতে সেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ দাবি করেন, ভগবদ গীতা কোনো ধর্মগ্রন্থ নয়। তাই ‘নীতি শিক্ষা’র পাঠে গীতার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তিনি কোনো বিতর্ক দেখতে পারছেন না।

বিসি নাগেশ দাবি করেন, গীতা কোনো ধর্মগ্রন্থ নয় এবং এটি কোনো ধর্মের প্রচার করে না। তবে কোরআন ধর্মের প্রচার করে এবং সেটি ধর্মগ্রন্থ।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ভগবদ গীতা শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দিয়ে অনুপ্রাণিত করে। তার দাবি, স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় অনেককেই অনুপ্রাণিত করেছিল গীতা।

এর আগে সোমবার নাগেশ জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি রাজ্য সরকারি স্কুলে ভগবদ গীতা পড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে। তিনি বলেছিলেন, ‘একটি কমিটি ইতোমধ্যে এটি (পাঠ্যক্রমে গীতার অন্তর্ভুক্তি) নিয়ে কাজ করছে এবং আমাদের পরিকল্পনা, এই বছরের ডিসেম্বর থেকেই তা বাস্তবায়ন করা হবে। যদিও এটি পাঠ্যক্রমের অংশ হবে না। এবং এর উপর ভিত্তি করে কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না।’

এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই নিজেই জানিয়েছিলেন যে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে গীতা পড়ানোর পরিকল্পনা করছে তার সরকার।

এদিকে এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা ও রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া বলেন, ‘ছাত্রদের স্কুলে ভগবগ গীতা, কোরআন বা বাইবেল শেখানো যেতেই পারে কিন্তু সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত স্কুলে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা। এটাই প্রাথমিক নীতিবাক্য হওয়া উচিত। স্কুলে নৈতিক শিক্ষা হিসেবে পবিত্র গ্রন্থ পড়ানো নিয়ে আমাদের দলের কোনো আপত্তি নেই।’

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কোরআন ধর্মগ্রন্থ, গীতা নয় : কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

একদিকে যেখানে হিজাব নিয়ে ভারতের কর্নাটক রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে তুমুল বিতর্ক চলছে বেশ কয়েক মাস ধরে, সেখানেই রাজ্যটির সরকার সম্প্রতি পাঠ্যক্রমে ভগবদ গীতা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে স্বভাবতই জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে এই দক্ষিণী রাজ্যে। এ প্রেক্ষিতে সেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ দাবি করেন, ভগবদ গীতা কোনো ধর্মগ্রন্থ নয়। তাই ‘নীতি শিক্ষা’র পাঠে গীতার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তিনি কোনো বিতর্ক দেখতে পারছেন না।

বিসি নাগেশ দাবি করেন, গীতা কোনো ধর্মগ্রন্থ নয় এবং এটি কোনো ধর্মের প্রচার করে না। তবে কোরআন ধর্মের প্রচার করে এবং সেটি ধর্মগ্রন্থ।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ভগবদ গীতা শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দিয়ে অনুপ্রাণিত করে। তার দাবি, স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় অনেককেই অনুপ্রাণিত করেছিল গীতা।

এর আগে সোমবার নাগেশ জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি রাজ্য সরকারি স্কুলে ভগবদ গীতা পড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে। তিনি বলেছিলেন, ‘একটি কমিটি ইতোমধ্যে এটি (পাঠ্যক্রমে গীতার অন্তর্ভুক্তি) নিয়ে কাজ করছে এবং আমাদের পরিকল্পনা, এই বছরের ডিসেম্বর থেকেই তা বাস্তবায়ন করা হবে। যদিও এটি পাঠ্যক্রমের অংশ হবে না। এবং এর উপর ভিত্তি করে কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না।’

এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই নিজেই জানিয়েছিলেন যে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে গীতা পড়ানোর পরিকল্পনা করছে তার সরকার।

এদিকে এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা ও রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া বলেন, ‘ছাত্রদের স্কুলে ভগবগ গীতা, কোরআন বা বাইবেল শেখানো যেতেই পারে কিন্তু সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত স্কুলে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা। এটাই প্রাথমিক নীতিবাক্য হওয়া উচিত। স্কুলে নৈতিক শিক্ষা হিসেবে পবিত্র গ্রন্থ পড়ানো নিয়ে আমাদের দলের কোনো আপত্তি নেই।’

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

বিডিসংবাদ/এএইচএস