ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

প্রাথমিক বৃত্তিতে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের বিধান বাতিলে লিগ্যাল নোটিশ

  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২২
  • / 205
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় প্রত্যেক স্কুলের ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের সুযোগের বিধান বাতিল করতে সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির পল্লব।

‘ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের’ পক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির বাসসকে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী বৃত্তি প্রদানের মেধা যাচাইয়ের জন্য অনুষ্ঠিত পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ প্রধান শিক্ষক মনোনয়ন দিবেন। বাকি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে- যা মোটেই আইন এবং সংবিধানসম্মত নয়।

তিনি বলেন, এ বিধানটি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের অন্তরায়, বৈষম্যমূলক, নিপীড়নমূলক এবং শিক্ষার্থীদের অধিকারের পরিপন্থী। এ ধরনের অযাচিত এবং অযৌক্তিক মানদণ্ড নির্ধারণ করায় সারাদেশের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ শিক্ষা কার্যক্রমে অনুৎসাহিত হবে- যা জাতির জন্য মোটেই কাম্য নয়।

এ আইনজীবী আরো বলেন, এ ধরনের মানদণ্ড নির্ধারণের ফলে প্রকৃত মেধাবীদের বৃত্তি প্রদানের মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। এছাড়াও পূর্ব ঘোষণা বা নোটিশ প্রদান ছাড়া এই ধরনের সংরক্ষণমূলক বিধান যুক্ত করা বেআইনি এবং অযৌক্তিক। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দিতে যেসব শিক্ষার্থী আগ্রহী হবে তাদের সবাইকে সুযোগ করে দেয়া প্রয়োজন। তবেই প্রকৃত মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ১২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের বিধান বাতিল করে আগ্রহী সব শিক্ষার্থীর জন্য আসন্ন বৃত্তি পরীক্ষা উন্মুক্ত করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রাথমিক বৃত্তিতে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের বিধান বাতিলে লিগ্যাল নোটিশ

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় প্রত্যেক স্কুলের ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের সুযোগের বিধান বাতিল করতে সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির পল্লব।

‘ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের’ পক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির বাসসকে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী বৃত্তি প্রদানের মেধা যাচাইয়ের জন্য অনুষ্ঠিত পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ প্রধান শিক্ষক মনোনয়ন দিবেন। বাকি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে- যা মোটেই আইন এবং সংবিধানসম্মত নয়।

তিনি বলেন, এ বিধানটি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের অন্তরায়, বৈষম্যমূলক, নিপীড়নমূলক এবং শিক্ষার্থীদের অধিকারের পরিপন্থী। এ ধরনের অযাচিত এবং অযৌক্তিক মানদণ্ড নির্ধারণ করায় সারাদেশের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ শিক্ষা কার্যক্রমে অনুৎসাহিত হবে- যা জাতির জন্য মোটেই কাম্য নয়।

এ আইনজীবী আরো বলেন, এ ধরনের মানদণ্ড নির্ধারণের ফলে প্রকৃত মেধাবীদের বৃত্তি প্রদানের মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। এছাড়াও পূর্ব ঘোষণা বা নোটিশ প্রদান ছাড়া এই ধরনের সংরক্ষণমূলক বিধান যুক্ত করা বেআইনি এবং অযৌক্তিক। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দিতে যেসব শিক্ষার্থী আগ্রহী হবে তাদের সবাইকে সুযোগ করে দেয়া প্রয়োজন। তবেই প্রকৃত মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ১২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের বিধান বাতিল করে আগ্রহী সব শিক্ষার্থীর জন্য আসন্ন বৃত্তি পরীক্ষা উন্মুক্ত করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সূত্র : বাসস

বিডিসংবাদ/এএইচএস