ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

‘পরকিয়ার জেরে এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার’

  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 340
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহে এসআই আকরাম হত্যার সঙ্গে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এসপি বাবুল আক্তার সরাসরি জড়িত। এসআই আকরামের পরিবারের দাবি, বনানী বশির বহ্নির সঙ্গে পরকিয়ার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার স্বামী এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত এসআই আকরামের বোন এ অভিযোগ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বোন রেহানা খাতুন, ফেরদৌস আরা, জান্নাত আরা পরভিন রিনি, শাহনাজা পারভিন রিপা ও শামিমা নাসরিন মুক্তি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে আকরাম হত্যা মামলার বাদি বোন জান্নাতারা পারভীন রিনি অভিযোগ করেন, আমাদের একমাত্র ভাইয়ের বিয়ে হয় ২০০৫ সালের ১৩ জানুয়ারী ঝিনাইদহ সদরের মগরখালী গ্রামের বসির উদ্দিন বাদশা’র মেয়ে বনানী বসির বহ্নির সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়। রিনি অভিযোগ করেন বিয়ের আগে থেকেই বহ্নির সঙ্গে বাবুল আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পর তা পরকিয়াতে রূপ নেয়।

তিনি জানান,  এ বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আকরাম ও বহ্নির মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। তারই জের ধরে গত ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে হোন্ডা যোগে যমুনা সেতু হয়ে ঝিনাইদহে বাড়িতে আসার পথে শৈলকুপার বড়দাহ নামক স্থানে মহাসড়কে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক আহত করে। পরে তাকে প্রথমে ঝিনাইদহ ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। পরের দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৭ দিন পর ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি মারা যান আকরাম। এ ব্যাপারে তার স্ত্রী বহ্নি বাদি হয়ে শৈলকুপা থানায় সড়ক দূর্ঘটনাজনিত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

রিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ১৪ জুন থেকে ২০১৫ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত বাবুল আক্তার মিশনে ছিল। এসময় তিনি ৩ বার দেশে এসে চট্রগ্রামে না থেকে মাগুরা ও ঢাকায় বহ্নির সঙ্গে সময় কাটান এবং পরিকল্পিতভাবে এসআই আকরামকে হত্যা করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমরা এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে সংশ্লিষ্ট থানার তৎকালীন ওসি হাশেম খান তা গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে সে সময়কার ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের কাছে গেলে তিনি তাচ্ছিল্য করে আমাদের ৫ বোনকে অফিস থেকে বের করে দেন। পরে বাধ্য হয়ে আমরা ঝিনাইদহের আদালতে  পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার, বহ্নি ও তার ফুফাতো ভাই সাদিমুল ইসলাম মুনকে আসামি করে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে একটি মামলা দায়ের করি।

তারা এসআই আকরাম আকরাম হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক সঠিক বিচার দাবি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘পরকিয়ার জেরে এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার’

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ঝিনাইদহে এসআই আকরাম হত্যার সঙ্গে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এসপি বাবুল আক্তার সরাসরি জড়িত। এসআই আকরামের পরিবারের দাবি, বনানী বশির বহ্নির সঙ্গে পরকিয়ার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার স্বামী এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত এসআই আকরামের বোন এ অভিযোগ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বোন রেহানা খাতুন, ফেরদৌস আরা, জান্নাত আরা পরভিন রিনি, শাহনাজা পারভিন রিপা ও শামিমা নাসরিন মুক্তি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে আকরাম হত্যা মামলার বাদি বোন জান্নাতারা পারভীন রিনি অভিযোগ করেন, আমাদের একমাত্র ভাইয়ের বিয়ে হয় ২০০৫ সালের ১৩ জানুয়ারী ঝিনাইদহ সদরের মগরখালী গ্রামের বসির উদ্দিন বাদশা’র মেয়ে বনানী বসির বহ্নির সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়। রিনি অভিযোগ করেন বিয়ের আগে থেকেই বহ্নির সঙ্গে বাবুল আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পর তা পরকিয়াতে রূপ নেয়।

তিনি জানান,  এ বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আকরাম ও বহ্নির মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। তারই জের ধরে গত ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে হোন্ডা যোগে যমুনা সেতু হয়ে ঝিনাইদহে বাড়িতে আসার পথে শৈলকুপার বড়দাহ নামক স্থানে মহাসড়কে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক আহত করে। পরে তাকে প্রথমে ঝিনাইদহ ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। পরের দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৭ দিন পর ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি মারা যান আকরাম। এ ব্যাপারে তার স্ত্রী বহ্নি বাদি হয়ে শৈলকুপা থানায় সড়ক দূর্ঘটনাজনিত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

রিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ১৪ জুন থেকে ২০১৫ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত বাবুল আক্তার মিশনে ছিল। এসময় তিনি ৩ বার দেশে এসে চট্রগ্রামে না থেকে মাগুরা ও ঢাকায় বহ্নির সঙ্গে সময় কাটান এবং পরিকল্পিতভাবে এসআই আকরামকে হত্যা করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমরা এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে সংশ্লিষ্ট থানার তৎকালীন ওসি হাশেম খান তা গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে সে সময়কার ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের কাছে গেলে তিনি তাচ্ছিল্য করে আমাদের ৫ বোনকে অফিস থেকে বের করে দেন। পরে বাধ্য হয়ে আমরা ঝিনাইদহের আদালতে  পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার, বহ্নি ও তার ফুফাতো ভাই সাদিমুল ইসলাম মুনকে আসামি করে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে একটি মামলা দায়ের করি।

তারা এসআই আকরাম আকরাম হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক সঠিক বিচার দাবি করেন।