ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবিবাহিতদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি ও মৃত্যুর হার বেশি তথ্য ফাঁসকারীদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত: ট্রাম্প মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজে জড়িত দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ৪ জেলে কারাগারে নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৯ জনের প্রাণহানি আইএমএফের ঋণ পেতে পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট শর্ত: অর্থমন্ত্রী

‘পরকিয়ার জেরে এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার’

  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 345
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহে এসআই আকরাম হত্যার সঙ্গে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এসপি বাবুল আক্তার সরাসরি জড়িত। এসআই আকরামের পরিবারের দাবি, বনানী বশির বহ্নির সঙ্গে পরকিয়ার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার স্বামী এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত এসআই আকরামের বোন এ অভিযোগ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বোন রেহানা খাতুন, ফেরদৌস আরা, জান্নাত আরা পরভিন রিনি, শাহনাজা পারভিন রিপা ও শামিমা নাসরিন মুক্তি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে আকরাম হত্যা মামলার বাদি বোন জান্নাতারা পারভীন রিনি অভিযোগ করেন, আমাদের একমাত্র ভাইয়ের বিয়ে হয় ২০০৫ সালের ১৩ জানুয়ারী ঝিনাইদহ সদরের মগরখালী গ্রামের বসির উদ্দিন বাদশা’র মেয়ে বনানী বসির বহ্নির সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়। রিনি অভিযোগ করেন বিয়ের আগে থেকেই বহ্নির সঙ্গে বাবুল আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পর তা পরকিয়াতে রূপ নেয়।

তিনি জানান,  এ বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আকরাম ও বহ্নির মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। তারই জের ধরে গত ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে হোন্ডা যোগে যমুনা সেতু হয়ে ঝিনাইদহে বাড়িতে আসার পথে শৈলকুপার বড়দাহ নামক স্থানে মহাসড়কে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক আহত করে। পরে তাকে প্রথমে ঝিনাইদহ ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। পরের দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৭ দিন পর ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি মারা যান আকরাম। এ ব্যাপারে তার স্ত্রী বহ্নি বাদি হয়ে শৈলকুপা থানায় সড়ক দূর্ঘটনাজনিত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

রিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ১৪ জুন থেকে ২০১৫ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত বাবুল আক্তার মিশনে ছিল। এসময় তিনি ৩ বার দেশে এসে চট্রগ্রামে না থেকে মাগুরা ও ঢাকায় বহ্নির সঙ্গে সময় কাটান এবং পরিকল্পিতভাবে এসআই আকরামকে হত্যা করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমরা এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে সংশ্লিষ্ট থানার তৎকালীন ওসি হাশেম খান তা গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে সে সময়কার ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের কাছে গেলে তিনি তাচ্ছিল্য করে আমাদের ৫ বোনকে অফিস থেকে বের করে দেন। পরে বাধ্য হয়ে আমরা ঝিনাইদহের আদালতে  পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার, বহ্নি ও তার ফুফাতো ভাই সাদিমুল ইসলাম মুনকে আসামি করে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে একটি মামলা দায়ের করি।

তারা এসআই আকরাম আকরাম হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক সঠিক বিচার দাবি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘পরকিয়ার জেরে এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার’

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ঝিনাইদহে এসআই আকরাম হত্যার সঙ্গে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এসপি বাবুল আক্তার সরাসরি জড়িত। এসআই আকরামের পরিবারের দাবি, বনানী বশির বহ্নির সঙ্গে পরকিয়ার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার স্বামী এসআই আকরামকে হত্যা করেন বাবুল আক্তার।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত এসআই আকরামের বোন এ অভিযোগ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বোন রেহানা খাতুন, ফেরদৌস আরা, জান্নাত আরা পরভিন রিনি, শাহনাজা পারভিন রিপা ও শামিমা নাসরিন মুক্তি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে আকরাম হত্যা মামলার বাদি বোন জান্নাতারা পারভীন রিনি অভিযোগ করেন, আমাদের একমাত্র ভাইয়ের বিয়ে হয় ২০০৫ সালের ১৩ জানুয়ারী ঝিনাইদহ সদরের মগরখালী গ্রামের বসির উদ্দিন বাদশা’র মেয়ে বনানী বসির বহ্নির সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়। রিনি অভিযোগ করেন বিয়ের আগে থেকেই বহ্নির সঙ্গে বাবুল আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পর তা পরকিয়াতে রূপ নেয়।

তিনি জানান,  এ বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আকরাম ও বহ্নির মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। তারই জের ধরে গত ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে হোন্ডা যোগে যমুনা সেতু হয়ে ঝিনাইদহে বাড়িতে আসার পথে শৈলকুপার বড়দাহ নামক স্থানে মহাসড়কে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক আহত করে। পরে তাকে প্রথমে ঝিনাইদহ ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। পরের দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৭ দিন পর ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি মারা যান আকরাম। এ ব্যাপারে তার স্ত্রী বহ্নি বাদি হয়ে শৈলকুপা থানায় সড়ক দূর্ঘটনাজনিত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

রিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ১৪ জুন থেকে ২০১৫ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত বাবুল আক্তার মিশনে ছিল। এসময় তিনি ৩ বার দেশে এসে চট্রগ্রামে না থেকে মাগুরা ও ঢাকায় বহ্নির সঙ্গে সময় কাটান এবং পরিকল্পিতভাবে এসআই আকরামকে হত্যা করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমরা এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে সংশ্লিষ্ট থানার তৎকালীন ওসি হাশেম খান তা গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে সে সময়কার ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনের কাছে গেলে তিনি তাচ্ছিল্য করে আমাদের ৫ বোনকে অফিস থেকে বের করে দেন। পরে বাধ্য হয়ে আমরা ঝিনাইদহের আদালতে  পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার, বহ্নি ও তার ফুফাতো ভাই সাদিমুল ইসলাম মুনকে আসামি করে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে একটি মামলা দায়ের করি।

তারা এসআই আকরাম আকরাম হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক সঠিক বিচার দাবি করেন।