ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

ডিম এখন আর সাশ্রয়ী প্রোটিনের উৎস নয়

  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩
  • / 144
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ডিম এখন আর সাশ্রয়ী মানের প্রোটিনের উৎস নয়। কারণ ঢাকার বাজারে প্রতি ডজনের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকায়।

ভোক্তা অধিকার গ্রুপ বলছে, অস্বাভাবিকভাবে উচ্চমূল্যের কারণে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো ইতোমধ্যেই মুরগি ও গরুর গোশতের ব্যবহার কমিয়ে দিচ্ছে।

এখন ডিম প্রতি পিস ১৩ টাকার কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। তারা পুরোপুরি প্রোটিনের কোনো মানের উৎস কিনতে সক্ষম হবে না। রাস্তার বিক্রেতারা সেদ্ধ ডিম বিক্রি করছেন প্রতি পিস ২০ টাকায়। ঢাকার রেস্তোরাঁয় একটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের রেকর্ড মূল্যের মধ্যে বাংলাদেশের ভোক্তারা কঠিন সময় পার করছেন।

তিনি বলেন, খামারে উৎপাদিত ডিম, ব্রয়লার মুরগি এবং চাষকৃত মাছ ঐতিহ্যগতভাবে দেশের লাখ লাখ দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রধান প্রোটিনের উৎস।

তিনি কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেটে ডিম, মুরগি, মাংস ও মাছের দামের ওপর কঠোর নজরদারির ওপর জোর দেন যাতে সব ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে এসব জিনিস পায়।

ডিমের দাম জানুয়ারির বিপরীতে প্রতি ডজনে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেড়েছে, যা নিম্ন-আয়ের গোষ্ঠী এবং সীমিত আয়ের লোকদের সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

গতকাল রোববার ঢাকায় কিচেন মার্কেট পরিদর্শন করে দেখা যায়, আকার ও মানের ওপর নির্ভর করে খামারে উৎপাদিত এক ডজন মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। কোনো কোনো বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকায়। কয়েকটি সুপার শপে এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়।

অন্যদিকে হাঁসের ডিম প্রতি হালি (৪ পিস) ৮০ টাকা এবং ফ্রি-রেঞ্জ (স্থানীয়) মুরগির ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়।

বাংলাদেশ ডিম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাহের আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ডিমের চাহিদা এখনো বেশি, অথচ উৎপাদন কিছুটা কমেছে।

মহামারীতে লকডাউনের সময় অনেক খামার তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল এবং উচ্চ পরিচালন ব্যয়ের কারণে এখনো উৎপাদনের বাইরে রয়েছে।

ফিডের দামের গঠনাত্মক বৃদ্ধির মধ্যে দেড় বছরে উৎপাদন খরচ ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বেড়েছে– লোকসানের ঝুঁকির মধ্যে অনেককে ব্যবসায় নিরুৎসাহিত করেছে।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ডিম এখন আর সাশ্রয়ী প্রোটিনের উৎস নয়

আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ডিম এখন আর সাশ্রয়ী মানের প্রোটিনের উৎস নয়। কারণ ঢাকার বাজারে প্রতি ডজনের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকায়।

ভোক্তা অধিকার গ্রুপ বলছে, অস্বাভাবিকভাবে উচ্চমূল্যের কারণে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো ইতোমধ্যেই মুরগি ও গরুর গোশতের ব্যবহার কমিয়ে দিচ্ছে।

এখন ডিম প্রতি পিস ১৩ টাকার কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। তারা পুরোপুরি প্রোটিনের কোনো মানের উৎস কিনতে সক্ষম হবে না। রাস্তার বিক্রেতারা সেদ্ধ ডিম বিক্রি করছেন প্রতি পিস ২০ টাকায়। ঢাকার রেস্তোরাঁয় একটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের রেকর্ড মূল্যের মধ্যে বাংলাদেশের ভোক্তারা কঠিন সময় পার করছেন।

তিনি বলেন, খামারে উৎপাদিত ডিম, ব্রয়লার মুরগি এবং চাষকৃত মাছ ঐতিহ্যগতভাবে দেশের লাখ লাখ দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রধান প্রোটিনের উৎস।

তিনি কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেটে ডিম, মুরগি, মাংস ও মাছের দামের ওপর কঠোর নজরদারির ওপর জোর দেন যাতে সব ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে এসব জিনিস পায়।

ডিমের দাম জানুয়ারির বিপরীতে প্রতি ডজনে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেড়েছে, যা নিম্ন-আয়ের গোষ্ঠী এবং সীমিত আয়ের লোকদের সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

গতকাল রোববার ঢাকায় কিচেন মার্কেট পরিদর্শন করে দেখা যায়, আকার ও মানের ওপর নির্ভর করে খামারে উৎপাদিত এক ডজন মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। কোনো কোনো বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকায়। কয়েকটি সুপার শপে এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়।

অন্যদিকে হাঁসের ডিম প্রতি হালি (৪ পিস) ৮০ টাকা এবং ফ্রি-রেঞ্জ (স্থানীয়) মুরগির ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়।

বাংলাদেশ ডিম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাহের আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ডিমের চাহিদা এখনো বেশি, অথচ উৎপাদন কিছুটা কমেছে।

মহামারীতে লকডাউনের সময় অনেক খামার তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল এবং উচ্চ পরিচালন ব্যয়ের কারণে এখনো উৎপাদনের বাইরে রয়েছে।

ফিডের দামের গঠনাত্মক বৃদ্ধির মধ্যে দেড় বছরে উৎপাদন খরচ ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বেড়েছে– লোকসানের ঝুঁকির মধ্যে অনেককে ব্যবসায় নিরুৎসাহিত করেছে।

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস