ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

খালেদার নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত

  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০১৭
  • / 193
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে হাইকোর্টে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ আব্দুল আওয়াল ও বিচারপতি মো খুসরু জামানের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও  দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে খুরশিদ আলম খান শুনানি করেন।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নাইকো দুর্নীতি মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এ আবেদন দাখিল করলে আবেদনের উপর শুনানির এ দিন ধার্য করা হয়।

নাইকো দুর্নীতির মামলাটি অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে। এ অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ এর ক ধারার বিধান বলে মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলাটি করেন।

২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

খালেদার নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত

আপডেট সময় : ১০:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০১৭

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে হাইকোর্টে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ আব্দুল আওয়াল ও বিচারপতি মো খুসরু জামানের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও  দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে খুরশিদ আলম খান শুনানি করেন।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নাইকো দুর্নীতি মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এ আবেদন দাখিল করলে আবেদনের উপর শুনানির এ দিন ধার্য করা হয়।

নাইকো দুর্নীতির মামলাটি অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে। এ অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ এর ক ধারার বিধান বলে মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলাটি করেন।

২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।