ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

রাজধানীতে ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি, ভোগান্তিতে নগরবাসী

  • আপডেট সময় : ০৫:২০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪
  • / 152
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে গতকাল রবিবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে। আজ সোমবার ভোরের দিক থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়তে থাকে। এখন পর্যন্ত (বেলা ৩টা) বৃষ্টি অব্যাহত আছে। সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে দমকা হাওয়া। অতিবৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে বৃষ্টির সঙ্গে জলাবদ্ধতা ও যানবাহন সংকটের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে রাজধানীতে। আজ দিনভর বৃষ্টি চলতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল অবশ্য দুর্বল হয়ে পড়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৯ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ঘূর্ণিঝড়ের জন্য পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরে দেওয়া ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। আবার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দেওয়া ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতও প্রত্যাহার করা হয়েছে। চার বন্দরেই ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রেমাল দুর্বল হলেও বৃষ্টির কোনো কমতি নেই। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে এ বৃষ্টি হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ জানান, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে রাজধানীতে। তবে একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে, ১৬৯ মিলিমিটার।

বৃষ্টির কারণে আজ মেট্রোরেল চলাচলে সকাল থেকেই বিঘ্ন ঘটছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত চলাচল বন্ধই ছিল। এরপর চালু হলেও চলাচল নির্বিঘ্ন নয়। নগরজীবনের যাতায়াতের এই নতুন ও জনপ্রিয় অনুষঙ্গের সমস্যার কারণে রাস্তায় প্রচুর যানজট সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর কিছু কিছু এলাকায় পানি জমেছে।

এদিকে ভোর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মক্ষেত্রে যাওয়া ও খেটে খাওয়া মানুষরা।

সকালে কাজের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে অনেকেই রাস্তায় বাস পাননি। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চালকরা বৃষ্টির কারণে বাড়তি, এমনকি দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া নিয়েছেন। কোনো কোনো এলাকায় জলাবদ্ধতার শঙ্কা থাকায় অটোরিকশার চালকরা যেতে রাজি হননি। অনেকে গণপরিবহনের অপেক্ষায় থেকে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে ভিজে গেছেন। এছাড়া ঢাকা দুই সিটির অনেক এলাকার চলমান বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

সবমিলিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে ঢাকাবাসী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টি বন্ধ না হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি কাটবে না। ফলে তাৎক্ষণিক এই ভোগান্তির অবসান হবে- এমনটা আশা করা যায় না।

বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজধানীতে ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি, ভোগান্তিতে নগরবাসী

আপডেট সময় : ০৫:২০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে গতকাল রবিবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে। আজ সোমবার ভোরের দিক থেকে বৃষ্টির দাপট বাড়তে থাকে। এখন পর্যন্ত (বেলা ৩টা) বৃষ্টি অব্যাহত আছে। সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে দমকা হাওয়া। অতিবৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে বৃষ্টির সঙ্গে জলাবদ্ধতা ও যানবাহন সংকটের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে রাজধানীতে। আজ দিনভর বৃষ্টি চলতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল অবশ্য দুর্বল হয়ে পড়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৯ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ঘূর্ণিঝড়ের জন্য পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরে দেওয়া ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। আবার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দেওয়া ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতও প্রত্যাহার করা হয়েছে। চার বন্দরেই ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রেমাল দুর্বল হলেও বৃষ্টির কোনো কমতি নেই। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে এ বৃষ্টি হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ জানান, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে রাজধানীতে। তবে একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে, ১৬৯ মিলিমিটার।

বৃষ্টির কারণে আজ মেট্রোরেল চলাচলে সকাল থেকেই বিঘ্ন ঘটছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত চলাচল বন্ধই ছিল। এরপর চালু হলেও চলাচল নির্বিঘ্ন নয়। নগরজীবনের যাতায়াতের এই নতুন ও জনপ্রিয় অনুষঙ্গের সমস্যার কারণে রাস্তায় প্রচুর যানজট সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর কিছু কিছু এলাকায় পানি জমেছে।

এদিকে ভোর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মক্ষেত্রে যাওয়া ও খেটে খাওয়া মানুষরা।

সকালে কাজের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে অনেকেই রাস্তায় বাস পাননি। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চালকরা বৃষ্টির কারণে বাড়তি, এমনকি দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া নিয়েছেন। কোনো কোনো এলাকায় জলাবদ্ধতার শঙ্কা থাকায় অটোরিকশার চালকরা যেতে রাজি হননি। অনেকে গণপরিবহনের অপেক্ষায় থেকে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে ভিজে গেছেন। এছাড়া ঢাকা দুই সিটির অনেক এলাকার চলমান বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

সবমিলিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে ঢাকাবাসী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টি বন্ধ না হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি কাটবে না। ফলে তাৎক্ষণিক এই ভোগান্তির অবসান হবে- এমনটা আশা করা যায় না।

বিডিসংবাদ/আতে