ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

১৭ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর আবেদন প্রত্যাখ্যান মালয়েশিয়ার

  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪
  • / 151
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বাংলাদেশের ১৭ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়ায় পাঠানোর অনুমতি চেয়ে করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি।

গতকাল সোমবার সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ মালয়েশিয়া সরকারের কাছে আবেদন করেছিল যে, তারা প্রায় ১৭ হাজার কর্মীকে কাজের ভিসায় সে দেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এসব শ্রমিক মালয়েশিয়ার নির্ধারিত সময়সীমা ৩১ মে’র মধ্যে সেদেশে যেতে পারেননি। ফলে তাদের কোটা বাতিল করা হয়।

এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৪ জুন) মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল দেশটির সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তরে বলেন, যদি আপনি আমার কাছে জানতে চান, সময় বাড়ানো হবে কি না? উত্তর হবে, না। আমরা অনেক আগেই ৩১ মে সময়সীমা ঘোষণা করেছি।

নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, এ বিষয়ে তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ব্যাখ্যা করেছেন, কোটা অনুমোদন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ও ফ্লাইটের ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া যত্নসহকারে বিবেচনা করে ওই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ২৮ থেকে ৩১ মে’র মধ্যে ২০ হাজারের বেশি বিদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ গত বছরের নভেম্বরের প্রথম দিকে ভিসা পেয়েছেন।

এছাড়া তিনি যুক্তি দেখিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কেন নিয়োগকর্তারা তাদের কর্মীদের আগমনের ব্যবস্থা করার জন্য এতদিন অপেক্ষা করেছিলেন? যদি তাদের জরুরি প্রয়োজন হতো তবে তা ৩১ মে’র আগে করা উচিত ছিল। এখন সময় বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।

মন্ত্রী অর্থনৈতিক যুক্তি দেখিয়ে সময় বাড়ানোর সম্ভাবনাকে নাকচ করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য বিশেষ সময়ের জন্য অনুরোধ করেছিল, কিন্তু চেক-আউট মেমোর মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের আসা-যাওয়ার মালয়েশিয়ার বাজেট ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ ২.৬ মিলিয়ন ছিল, যা বর্তমানে ছাড়িয়ে গেছে।

এছাড়া নতুন কোটা অনুমোদনের ব্যাপারে তিনি বলেন, ম্যানুফ্যাকচার, সার্ভিস ও কনস্ট্রাকশন খাতের জন্য আমরা বিদেশি কর্মীর চাহিদা পূরণ করেছি। কৃষি খাতের জন্য নতুন কোটা ছাড়াই আগের অনুমোদিত কোটা অনুযায়ী ব্যবস্থা করবো।

বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

১৭ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর আবেদন প্রত্যাখ্যান মালয়েশিয়ার

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বাংলাদেশের ১৭ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়ায় পাঠানোর অনুমতি চেয়ে করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি।

গতকাল সোমবার সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ মালয়েশিয়া সরকারের কাছে আবেদন করেছিল যে, তারা প্রায় ১৭ হাজার কর্মীকে কাজের ভিসায় সে দেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এসব শ্রমিক মালয়েশিয়ার নির্ধারিত সময়সীমা ৩১ মে’র মধ্যে সেদেশে যেতে পারেননি। ফলে তাদের কোটা বাতিল করা হয়।

এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৪ জুন) মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল দেশটির সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তরে বলেন, যদি আপনি আমার কাছে জানতে চান, সময় বাড়ানো হবে কি না? উত্তর হবে, না। আমরা অনেক আগেই ৩১ মে সময়সীমা ঘোষণা করেছি।

নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, এ বিষয়ে তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ব্যাখ্যা করেছেন, কোটা অনুমোদন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ও ফ্লাইটের ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া যত্নসহকারে বিবেচনা করে ওই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ২৮ থেকে ৩১ মে’র মধ্যে ২০ হাজারের বেশি বিদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ গত বছরের নভেম্বরের প্রথম দিকে ভিসা পেয়েছেন।

এছাড়া তিনি যুক্তি দেখিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কেন নিয়োগকর্তারা তাদের কর্মীদের আগমনের ব্যবস্থা করার জন্য এতদিন অপেক্ষা করেছিলেন? যদি তাদের জরুরি প্রয়োজন হতো তবে তা ৩১ মে’র আগে করা উচিত ছিল। এখন সময় বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।

মন্ত্রী অর্থনৈতিক যুক্তি দেখিয়ে সময় বাড়ানোর সম্ভাবনাকে নাকচ করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য বিশেষ সময়ের জন্য অনুরোধ করেছিল, কিন্তু চেক-আউট মেমোর মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের আসা-যাওয়ার মালয়েশিয়ার বাজেট ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ ২.৬ মিলিয়ন ছিল, যা বর্তমানে ছাড়িয়ে গেছে।

এছাড়া নতুন কোটা অনুমোদনের ব্যাপারে তিনি বলেন, ম্যানুফ্যাকচার, সার্ভিস ও কনস্ট্রাকশন খাতের জন্য আমরা বিদেশি কর্মীর চাহিদা পূরণ করেছি। কৃষি খাতের জন্য নতুন কোটা ছাড়াই আগের অনুমোদিত কোটা অনুযায়ী ব্যবস্থা করবো।

বিডিসংবাদ/আতে