ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৩১ অক্টোবর বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ লিবিয়ায় জিম্মি যুবক, থানায় গিয়েও মিলছে না সহায়তা প্রশান্ত মহাসাগরে তাপমাত্রা রেকর্ড ভাঙার আভাস, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রে ডিভি লটারি ২০২৭ চালুর নির্দেশ আদালতের ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেহের আফরোজ শাওন বাবার শেষযাত্রায় প্যারোলে মুক্তি পেলেন মৃত্যুর ঘটনা মামলার অভিযোগে কক্সবাজারে সমুদ্রস্নানে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন জোট ‘বদর’: যুক্ত চার দেশ ফেসবুকে বড় পরিবর্তন: ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হচ্ছে রিচ দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দেশের বিমানবন্দর

গোপালগঞ্জে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 127
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

সরকারি প্রণোদনা ও ভালো দাম পেয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পেঁয়াজ চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে পেঁয়াজের আবাদের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বছর আবাদ খরচ দ্বিগুণ বাড়লেও লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে পেঁয়াজের চাষ বাড়ছে।

কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মাত্র ৮৪২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছিল। এ বছর সেখানে ১ হাজার ৫১৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অঞ্চলে বারি-৪ ও তাহেরপুরী জাতের পেঁয়াজ চাষ করে থাকেন কৃষকরা।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, গত ৩ থেকে ৪ বছর আগেও উপজেলার কৃষকরা পেঁয়াজ আবাদ করে উৎপাদন খরচ তুলতে পারেনি। কিন্তু পেঁয়াজের বাজার চড়া। এ কারণে তারা অন্যান্য ফসল ছেড়ে পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন।

কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের ব্যাসপুর গ্রামের কৃষক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, গতবছর আমি ১ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছিলাম। ভাল দাম পাওয়ায় এ বছর তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছি।

একই উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের কৃষক তুহিন মোল্যা বলেন, এ বছর আমি প্রথম ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়েছি। ভালো দাম পেলে আগামীতে আরও বেশি জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করবো।

ধোপড়া গ্রামের সাধন মজুমদার বলেন, পাঁচ বছর আগে বাজারে পেঁয়াজের দাম ভালো ছিল না। আমি পেঁয়াজ বাদ দিয়ে অন্য ফসল চাষ করেছিলাম। তবে দুই-তিন বছর ধরে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশ চড়া যাচ্ছে। এরপর থেকে আবার পেঁয়াজ চাষ শুরু করেছি।

কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. এজাজুল করিম বলেন, ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন। চলতি মৌসুমে উপজেলার ১ হাজার ৫১৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি আগামীতেও পেঁয়াজের আবাদে ঝুঁকবেন কৃষকরা। এসব অঞ্চলের মাটি পেঁয়াজ চাষের জন্য খুবই উপযোগী। বেলে দোআঁশ মাটিতে উৎপাদন বেশ ভালো হয়।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোপালগঞ্জে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

সরকারি প্রণোদনা ও ভালো দাম পেয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পেঁয়াজ চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে পেঁয়াজের আবাদের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বছর আবাদ খরচ দ্বিগুণ বাড়লেও লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে পেঁয়াজের চাষ বাড়ছে।

কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মাত্র ৮৪২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছিল। এ বছর সেখানে ১ হাজার ৫১৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অঞ্চলে বারি-৪ ও তাহেরপুরী জাতের পেঁয়াজ চাষ করে থাকেন কৃষকরা।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, গত ৩ থেকে ৪ বছর আগেও উপজেলার কৃষকরা পেঁয়াজ আবাদ করে উৎপাদন খরচ তুলতে পারেনি। কিন্তু পেঁয়াজের বাজার চড়া। এ কারণে তারা অন্যান্য ফসল ছেড়ে পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন।

কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের ব্যাসপুর গ্রামের কৃষক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, গতবছর আমি ১ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছিলাম। ভাল দাম পাওয়ায় এ বছর তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছি।

একই উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের কৃষক তুহিন মোল্যা বলেন, এ বছর আমি প্রথম ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়েছি। ভালো দাম পেলে আগামীতে আরও বেশি জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করবো।

ধোপড়া গ্রামের সাধন মজুমদার বলেন, পাঁচ বছর আগে বাজারে পেঁয়াজের দাম ভালো ছিল না। আমি পেঁয়াজ বাদ দিয়ে অন্য ফসল চাষ করেছিলাম। তবে দুই-তিন বছর ধরে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশ চড়া যাচ্ছে। এরপর থেকে আবার পেঁয়াজ চাষ শুরু করেছি।

কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. এজাজুল করিম বলেন, ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন। চলতি মৌসুমে উপজেলার ১ হাজার ৫১৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি আগামীতেও পেঁয়াজের আবাদে ঝুঁকবেন কৃষকরা। এসব অঞ্চলের মাটি পেঁয়াজ চাষের জন্য খুবই উপযোগী। বেলে দোআঁশ মাটিতে উৎপাদন বেশ ভালো হয়।
বিডিসংবাদ/এএইচএস